খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“উখিয়ায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট: তরুণদের কণ্ঠে পরিবেশ রক্ষার জোরালো আহ্বান”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
“উখিয়ায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট: তরুণদের কণ্ঠে পরিবেশ রক্ষার জোরালো আহ্বান”।

উখিয়ায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট: তরুণদের কণ্ঠে পরিবেশ রক্ষার জোরালো আহ্বান।

কামাল উদ্দিন জয় কক্সবাজার প্রতিনিধি:

“তরুণদের কণ্ঠে জলবায়ু সচেতনতার জোরালো আহ্বান”-এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে কক্সবাজারের উখিয়ায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট বা Global Climate Strike কর্মসূচি। উখিয়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তরুণদের সরব অংশগ্রহণ, পরিবেশ রক্ষার শপথ এবং সচেতনতামূলক নানা কার্যক্রমে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

উখিয়ার বিভিন্ন জলবায়ু বিষয়ক সামাজিক, মানবিক, যুব উন্নয়নমূলক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে একত্রিত করে এই আয়োজন বাস্তবায়ন করে ইয়ুথ অর্গনাইজেশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট। আয়োজকদের ভাষ্য, এটি শুধু একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি নয়; বরং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চা এবং তরুণদের সম্মিলিত কণ্ঠকে শক্তিশালী করার একটি প্ল্যাটফর্ম।

দিনব্যাপী আয়োজনে অংশগ্রহণকারী তরুণরা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি পরিবেশ ধ্বংসের ভয়াবহতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন আর শুধু আন্তর্জাতিক আলোচনার বিষয় নয়; এটি উপকূলীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কঠিন বাস্তবতা।

অনুষ্ঠানে ছিল জলবায়ু বিষয়ক পোস্টার আর্ট প্রতিযোগিতা, জলবায়ু সংক্রান্ত কুইজ প্রতিযোগিতা, ওপেন ভয়েস ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পোস্টার আর্ট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা সৃজনশীল উপায়ে পরিবেশ রক্ষার বার্তা তুলে ধরেন। অন্যদিকে কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে তরুণদের জ্ঞান বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় জলবায়ু সংকট, বন উজাড়, প্লাস্টিক দূষণ, বন্যা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান-এর মাধ্যমে শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।

বিশ্বব্যাপী চলমান গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে উখিয়ায় প্রথমবারের মতো এমন আয়োজন বাস্তবায়িত হওয়ায় তরুণদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে YOSD-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কফিল উদ্দিন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব সবচেয়ে বেশি ভোগ করছে তরুণ প্রজন্ম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। তাই এখনই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। তরুণদের নেতৃত্বেই ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব।”

এ সময় হাসি মুখ ইয়ুথ এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মাহাবুব কাউসার বলেন, “ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেই বড় পরিবর্তনের সূচনা হয়। পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা সমাজ, দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তারা বলেন, সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি নিরাপদ, সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।

উখিয়া শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন তরুণ সমাজের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।