খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“বান্দরবানের চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী আজিজ খলিফা হত্যা মামলার মূলহোতা গ্রেপ্তার”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
“বান্দরবানের চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী আজিজ খলিফা হত্যা মামলার মূলহোতা গ্রেপ্তার”।

বান্দরবানের চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী আজিজ খলিফা হত্যা মামলার মূলহোতা গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

রেব ১৫ ও ১৭ এর যৌথ ভাবে সফল অভিযান চালিয়ে বান্দরবানের চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী আজিজ খলিফা হত্যা মামলার মূলহোতা উদয়ন ধর সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের গহীন জঙ্গল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস ব্যবসায়ী আজিজ খলিফা (৫৩) অপহরণ ও হত্যা মামলার প্রধান এজাহারনামীয় আসামি এবং মূল পরিকল্পনাকারী উদয়ন ধর (৪০)-কে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার চন্দ্রনাথ পাহাড়ের গহীন জঙ্গল থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গত ০৮ জুন, ২০২৬ তারিখ রাত ২২:১০ ঘটিকায় র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার এবং র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম (CPC-3)-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল যৌথ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

 

গত ২০ মে, ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় ভিকটিম আজিজ খলিফা তাঁর পাওনা ৬ লক্ষ টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে নাইক্ষ্যংছড়ির উত্তর বাইশারী স্থানীয় বাজারে ১নং আসামি উদয়ন ধরের কাপড়ের দোকানে যান। আসামি উদয়ন ধর টাকা না দিয়ে উল্টো ভিকটিমকে কৌশলে ১,০০০ টাকা পথখরচ দিয়ে কক্সবাজারের সিআইসি (CIC) হাসপাতালে তাঁর পরিচিত একজন ডাক্তারের কাছে পাঠায়।

 

ভিকটিম সিআইসি হাসপাতালে পৌঁছানোর পর (দুপুরের দিকে) পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন অপরাধী তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ভিকটিমকে সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার উদ্দেশ্যে আসামিরা তাঁর ওপর মারাত্মক শারীরিক ও পাশবিক নির্যাতন চালায়।

 

চরম নির্যাতনের মুখেও ভিকটিম কৌশলে আসামিদের নজর এড়িয়ে তাঁর নিজের ইমু (Imo) অ্যাকাউন্ট থেকে সন্ধ্যা ০৬:৩৬ ঘটিকায় মামলার ২নং সাক্ষীর মোবাইলে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠান। এরপর ২০ মে রাত ০৮:৩০ ঘটিকায় ঈদগাহ থানার কালিরছড়া রেললাইনের পাশ থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভিকটিমকে হাত-পা বাঁধা এবং রক্তাক্ত মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় ঈদগাহ মডেল হাসপাতাল ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় ভিকটিমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

গত ২১ মে চমেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় তাকে বেসরকারি ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল’-এর আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসার চড়া খরচ বহনে অসমর্থ হয়ে ২২ মে পরিবার ভিকটিমকে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং গত ২৩ মে, ২০২৬ তারিখ সকালে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভিকটিম আজিজ খলিফা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর পেয়ে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ এসে লাশের সুরতহাল (Inquest) রিপোর্ট প্রস্তুত করে।

 

ভিকটিমের মৃত্যুর পর অপরাধ ধামাচাপা দিতে আসামিপক্ষ ২নং বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের ০৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার নুরুল কবিরের মাধ্যমে বিষয়টি সামাজিক আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করে এবং আইনি পদক্ষেপ না নিতে বাদীপক্ষকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।

 

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আন্দোলন ও বিক্ষোভ শুরু হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

 

বিষয়টি নজরে আসার পরপরই র‍্যাব-১৫ এই হত্যাকাণ্ডের ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। এরই মাঝে ২৫ মে, ২০২৬ তারিখে ভিকটিমের ২য় স্ত্রী সেলিনা আকতার বেবী নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন (নাইক্ষ্যংছড়ি থানার মামলা নং-০৮, তারিখ-২৫/০৫/২০২৬; ধারা: ৩৬৫/৩৪২/৩২৩/৩২৬/৩০২/৫০৬/৩৪ দণ্ডবিধি)।

 

মামলা রুজু হওয়ার খবর পেয়ে ১নং আসামি ও মূল পরিকল্পনাকারী উদয়ন ধর এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে র‍্যাব-১৫ এর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, আসামি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে আত্মগোপন করে আছে।

 

তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর গত ০৮ জুন, ২০২৬ তারিখ রাত ২২:১০ ঘটিকায় র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার এবং র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম-এর আভিযানিক দল চন্দ্রনাথ পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে মূলহোতা উদয়ন ধরকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী উদয়ন ধর (৪০) বান্দরবান জেলার নাইক্ষংছড়ি উপজেলার ২নং বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর বাইশারী ৭নং ওয়ার্ড কাংগাইশিয়া এলাকার মৃত বজেন্দ্র ধর এর পুত্র।

 

গ্রেফতার পরবর্তী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিকে সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।