খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবান সদর থানাধীন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের হেডম্যান-কারবারি গণদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫, ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবান সদর থানাধীন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের হেডম্যান-কারবারি গণদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বান্দরবান সদর থানাধীন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের হেডম্যান-কারবারি গণদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি।

১১/৩/২৫ ইং রোজ মঙ্গলবার
বান্দরবান সদর থানাধীন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের হেডম্যান-কারবারি গণদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের হেডম্যান-কারবারি গণদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন।

পুলিশ সুপার মহোদয় তাদের বলেন- পার্বত্য জেলায় যেহেতু স্থানীয় আইনের প্রয়োগ আছে সেহেতু অপরাধের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে আপনারা প্রত্যেকে অবগত আছেন। বান্দরবান পার্বত্য জেলার সম্প্রীতি অটুট রাখতে হলে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশকে অপরাধীদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হলে বিলম্ব না করে জেলা পুলিশ বান্দরবানের সহযোগিতা নিতে হবে। অপরাধ সম্পর্কে পুলিশকে অবগত করতে হবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পেট্রোল ডিউটি এবং মোবাইল ডিউটি বাড়ানো হয়েছে, অপরাধীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা পুলিশ বান্দরবান পার্বত্য জেলা কাজ করে যাচ্ছে।

পুলিশ সুপার মহোদয় আরো বলেন- যেকোনো পরিস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত। পরিশেষে পুলিশ সুপার মহোদয় তাৎক্ষণিক পুলিশি সেবা গ্রহণের জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ (টুল ফ্রি) কল সেন্টারের সহযোগিতা নেওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বান্দরবান পার্বত্য জেলার পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের হেডম্যান ও কারবারিগণ।

রিয়াদে বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
রিয়াদে বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা।

রিয়াদে বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা।

 

সৌদিআরব থেকে_ছাদেক আহমাদ।

 

২৯জুলাই ২৬ইং স্থানীয় সময় রাত ১০:৩০মিঃ সৌদি আরব বাংলাদেশ দূতাবাস অনুমোদিত বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

মতবিনিময় সভায় প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের মার্কেটিং ডিরেক্টর রোটাঃ সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়ের সঞ্চালনায়_ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ তারেক।

উপস্থিত ছিলেন সহকারী মার্কেটিং ডিরেক্টর শওকত আলী রিপন ও সহকারী অফিসার আব্দুল্লাহ ফুয়াদ।

 

মতবিনিময় সভায় প্রবাসীদের পাসপোর্ট জটিলতা ভোটার আইডি ও জন্মনিবন্ধন সহ সকল বিষয় আলোচনা সমালোচনায় উঠে আসে।

 

এ সময় প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আবু সায়েদ তারেক জানান_ ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ও জনসাধারণের প্রবাসী সেবা কেন্দ্র নিয়ে অযৌক্তিক সমালোচনা করে আসছে।

 

সে সমস্ত বিষয়গুলো রিয়াদে অবস্থারত বাংলাদেশি গণমাধ্যম কর্মীদের সম্প্রচারের মধ্যমে সুস্পষ্ট করতে আজকের এই আয়োজন।

 

ইতিপূর্বে দেখা গিয়েছে যে_ এম,আর,পি পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টে ও রুপান্তরে বাংলাদেশী সার্ভেয়ার ও জনবল সংকট সহ বিভিন্ন ধরনের জটিলতা থাকায় আমারা সমস্যার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি।

 

অভিযোগ দেখা যাচ্ছে পাসপোর্ট নবায়নে জন্মনিবন্ধন ও ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য অমিল, আবেদন ফিঙ্গার ও ডেলিভারির বিলম্ব হওয়ায় সেবা কেন্দ্র ও দূতাবাসকে অভিযুক্ত করে যাচ্ছে।

এক্ষেত্রে প্রবাসে সংশোধনের আবেদন সুযোগ থাকলে ও সমাধানে একমাত্র সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ইউনিয়ন ও উপজেলা নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রিত।

 

এছাড়া পাসপোর্ট নবায়নে অনলাইন আবেদন,নবায়ন, ডেলিভারি ফি সহ পেশা ভিন্নতায় কম বেশি খরচের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেবা কেন্দ্র কতৃপক্ষ।

 

কতৃপক্ষ জানান সরকার কর্তৃক দূতাবাসের নির্ধারিত ফি-র বেশি নেয়ার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট নবায়নে অনলাইন আবেদন ফি বাবদ ২০ রিয়াল, পাঁচ বছর মেয়াদে ১৬৫ রিয়াল, দশ বছর মেয়াদে ২১০ রিয়াল তবে পেশা ভিন্নতা ও ইমার্জেন্সি ডেলিভারির ক্ষেত্রে কম বেশি হয়ে থাকে।

 

এছাড়া কোন আত্মসাৎ ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত আছে এমন সুস্পষ্ট প্রমানাদি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চাকরিচ্যুত করার কঠোর ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন কতৃপক্ষ।

 

আবেদনের পর ফিঙ্গারের স্থান ও সময় নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকলেও বর্তমানে মান্যবর রাষ্ট্রদূত দেলোয়ার হোসেন এর দিক নির্দেশনায় কাছাকাছি মূল সেবা কেন্দ্র গুলোতে ফিঙ্গার উম্মুক্ত করে সেবা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন।

তবে সেক্ষেত্রে কতৃপক্ষ সেবা কেন্দ্রের হেল্প লাইনে সিডিউল নেয়ার জন্য জোর দাবি জানান, যাতে করে সেবা গ্রহীতাদের সময় বিলম্বে বিড়ম্বনা পোহাতে না হয়।

কতৃপক্ষ আরো জানান ২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ জুলাই পর্যন্ত আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আপনাদের সহযোগিতায় ১৫ লাখেরও বেশি প্রবাসীদের সেবা সম্পন্ন করতে পেরেছি। আপনাদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা থাকলে আমাদের কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে বলে আশা করছি।

বাধ্যতামূলকভাবে ব্যক্তি নিজ নিজের পাসপোর্ট ফিঙ্গার দিয়ে গ্রহণ করতে হবে।

দূতাবাস কর্তৃক অনুমোদিতর সেবা কেন্দ্রের বাহিরে কোন প্রকার ভুল ত্রুটি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সেবা কেন্দ্র নিবেন না বলে সুস্পষ্ট করেন।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার: একটি হত্যা, অন্যটি রহস্যজনক।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার: একটি হত্যা, অন্যটি রহস্যজনক।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার: একটি হত্যা, অন্যটি রহস্যজনক।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার চরতী ও ছদাহা ইউনিয়ন থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং অপর ঘটনায় এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

 

নিহতরা হলেন ছদাহা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ফজল করিমের ছেলে মো. ইউনুস এবং নলুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড মরফলা এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে মো. হাসান।

 

সাতকানিয়ার চরতী ইউনিয়নের পানি চরতী এলাকার একটি বিদ্যুৎ খুঁটির পাশ থেকে মো. হাসান নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সাতকানিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গত কয়েক দিন ধরে নিহত ব্যক্তিকে ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিলেন।

 

নিহতের মামা সাইফুদ্দিন জানান, তার ভাগিনা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং তার বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কিছু, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে।

 

এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, চরতী ইউনিয়নের পানি চরতী এলাকা থেকে উদ্ধার করা মো. হাসানের শরীরে আঘাতের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।

 

অপরদিকে, সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে জায়গা-জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. ইউনুস নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন সেই বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন ইউনুসের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

 

এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ছদাহা ইউনিয়নে জায়গা-জমির বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. ইউনুস নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

উন্নয়নের প্রচারণা নয়, পুকুরিয়ার মানুষের চাই দৃশ্যমান পরিবর্তন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
উন্নয়নের প্রচারণা নয়, পুকুরিয়ার মানুষের চাই দৃশ্যমান পরিবর্তন।

উন্নয়নের প্রচারণা নয়, পুকুরিয়ার মানুষের চাই দৃশ্যমান পরিবর্তন।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

পুকুরিয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা মহলে আলোচনা ও প্রশংসা শোনা যায়। তবে একজন জনপ্রতিনিধির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া উচিত প্রচার-প্রচারণায় নয়; বরং বাস্তব কাজ, জনদুর্ভোগের সমাধান এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান পরিবর্তনের মাধ্যমে।

 

এই জায়গা থেকেই পুকুরিয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে কিছু স্বাভাবিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্ন সামনে আসা জরুরি।

 

দক্ষিণ হাজিগাঁওয়ের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক সিম্মির ছড়া সড়ক দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। মানুষের চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের উন্নয়ন বা সংস্কারে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—তা জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

 

একইভাবে বরপোরা সড়ক এলাকাবাসীর যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এই সড়কের উন্নয়ন ও সংস্কারের বর্তমান অবস্থা কী, ইতোমধ্যে কী কাজ হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কী পরিকল্পনা রয়েছে—এসব বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট তথ্য থাকা প্রয়োজন।

 

অন্যদিকে, বাঁশখালী প্রধান সড়ক থেকে হাজিগাঁও-বরুমচড়া পর্যন্ত সংযোগকারী ওহাব মিয়া সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তায় রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এই সড়ককে উন্নয়নের অগ্রাধিকারে আনা হবে কি না, সেটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

 

পুকুরিয়ার বিভিন্ন পুরোনো সড়ক নিয়েও একই ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। কোনো একটি সড়ক যদি দীর্ঘ ২০–২৫ বছরেও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বা উন্নয়ন না পায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই জানতে হয়—প্রকল্প নির্বাচনে অগ্রাধিকার কীভাবে নির্ধারণ করা হয়, কোন ভিত্তিতে একটি সড়ক আগে এবং অন্যটি পরে উন্নয়ন পায়, এবং দীর্ঘদিনের প্রয়োজনগুলো কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়।

 

উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও তদারকিতেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তা, কালভার্ট কিংবা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রশাসনের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে কাজের মান নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারও নিশ্চিত করা সম্ভব।

 

উন্নয়ন মানে শুধু দৃশ্যমান কিছু কাজ নয়

 

উন্নয়ন মানে শুধু কয়েকটি রাস্তা, কালভার্ট কিংবা অবকাঠামো নির্মাণ নয়। উন্নয়ন মানে মানুষের দুর্ভোগ কমানো, যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা, প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার।

 

কোনো এলাকার মানুষ যদি দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা, ড্রেনেজ, কালভার্ট কিংবা যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ করে, তাহলে সেই অভিযোগকে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে না দেখে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াই দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয়।

 

পুকুরিয়ার মানুষ কারও বিরুদ্ধে নয়; তারা পুকুরিয়ার উন্নয়নের পক্ষে। তারা গালভরা প্রচারণা নয়, চায় বাস্তব উন্নয়ন, সমান সুযোগ, স্বচ্ছতা এবং কার্যকর জনসেবা।

 

কে কতটা প্রচারণা করলেন—তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, মাঠে বাস্তবে কী কাজ হয়েছে এবং সেই কাজের সুফল সাধারণ মানুষ কতটা পেয়েছে।

 

তাই রাজনৈতিক বিভাজন, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা পারস্পরিক দোষারোপ নয়—

 

পুকুরিয়ার উন্নয়নে আসুন, বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করি, প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিই এবং জনস্বার্থকে সবার আগে রাখি।

 

কারণ শেষ পর্যন্ত জনগণ প্রচারণা নয়—উন্নয়নের বাস্তব ফলাফলই মনে রাখে।