খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“ব্লাইন্ড ক্রিকেট এশিয়া কাপ: লোগো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু কাউন্টডাউন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৭:৩৫ পূর্বাহ্ণ
“ব্লাইন্ড ক্রিকেট এশিয়া কাপ: লোগো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু কাউন্টডাউন”।

ব্লাইন্ড ক্রিকেট এশিয়া কাপ: লোগো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু কাউন্টডাউন।

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা।

বর্ণিল আলো আর উৎসবমুখর পরিবেশ। চারদিকে ক্রিকেটপ্রেমীদের উল্লাস। বাংলাদেশ ব্লাইন্ড ক্রিকেট কাউন্সিল বিবিসিসি-র আয়োজনে সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল (এসবিজি)-র সম্পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতায় আজ: ১৬ই মে (শনিবার) বিকালে ঢাকা বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে এক জমকালো আয়োজনে লোগো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ২০২৬ টি-২০ ব্লাইন্ড ক্রিকেট এশিয়া কাপের আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন। দৃষ্টির সীমানা পেরিয়ে ব্যাট-বলের এই মহাযজ্ঞকে ঘিরে এখন টানটান উত্তেজনা।

 

এবারের এশিয়া কাপের অফিশিয়াল লোগোতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিবন্ধকতা জয়ের গল্প, সংকল্প আর সাহসিকতার প্রতীক। আয়োজকরা বলছেন, কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি বিশ্বমঞ্চে দৃষ্টিজয়ী ক্রিকেটারদের সামর্থ্য প্রমাণের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম।

 

এ সময় বাংলাদেশ ব্লাইন্ড ক্রিকেট কাউন্সিল বিবিসিসি-র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন: “এই টুর্নামেন্টটি আমাদের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক বড় একটি সুযোগ। লোগো উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে বার্তা দিতে চাই যে, কোনো বাধাই স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারে না। আমরা একটি সফল টুর্নামেন্ট উপহার দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। সবমিলিয়ে সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল (এসবিজি) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পাশে থাকার ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দেশের সরকার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি-র কাছ থেকে অধিকতর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন তারা।

 

লোগো উন্মোচনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে রোমাঞ্চিত দেশের ব্লাইন্ড ক্রিকেট দলের প্রতিনিধিরাও। ঘরের মাঠে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের এই লড়াইয়ে ট্রফি নিজেদের করে রাখার ব্যাপারে দারুণ আত্মবিশ্বাসী তারা। কঠোর অনুশীলন আর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা দিতে উন্মুখ ক্রিকেটাররা।

 

সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আসরে অংশগ্রহণকরী প্রতিটি দল অপেক্ষায় থাকবেন মাঠের লড়াইয়ের জন্য। যেখানে ২২ গজের ক্রিজে ব্যাটের স্ট্রোক আর বলের শব্দে নতুন ইতিহাস লিখবেন এশিয়ার পরাশক্তিরা।

 

উল্লেখ্য: আগামী ১৪ নভেম্বর হতে ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টি-২০ ব্লাইন্ড ক্রিকেট এশিয়া কাপ-২০২৬। দেশের ব্লাইন্ড ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম এ গুরুত্বপূর্ণ মেগা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবে স্বাগতিক বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা আর আফগানিস্তান। ব্লাইন্ড ক্রিকেট খেলা হয় মূলত বি-1 (সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন) বি-2 (আংশিক দৃষ্টিহীন সর্বোচ্চ ৫ মিটার পর্যন্ত চোখে দেখতে পান) আর সর্বশেষ বি-3 (আংশিক দৃষ্টিহীন সর্বোচ্চ ১৫ মিটার দেখতে পান) এই তিন ক্যাটাগরি খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে ব্লাইন্ড ক্রিকেট খেলা হয়। খেলায় ব্যাবহৃত ক্রিকেট বলটি হার্ড প্লাস্টিক এবং বলের মধ্যে কিছু মার্বেল থাকে বলের শব্দের উপর নির্ভর করে দৃষ্টিজয়ী ব্লাইন্ড ক্রিকেটাররা বল আর ব্যাটে নিয়ে খেলার ২২ গজে দাপিয়ে বেড়ান। তাদের রয়েছে নরমাল ক্রিকেট খেলার মতো ২০ ওভারের টি-২০ ফরম্যাট এবং ৪০ ওভারের ওডিআই ফরম্যাট। নরমাল ক্রিকেট এর সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসির মতো ব্লাইন্ড ক্রিকেটেও রয়েছে ওয়ার্ল্ড ব্লাইন্ড ক্রিকেট কাউন্সিল ডব্লিউবিসিসি এবং দেশে রয়েছে বাংলাদেশ ব্লাইন্ড ক্রিকেট কাউন্সিল বিবিসিসি। যাদের যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয় ব্লাইন্ড ক্রিকেট দলের অর্জনের খাতায় রয়েছে পরপর (ভারত) ২০২২ ও (পাকিস্তান) ২০২৪ সালে টি-২০ ব্লাইন্ড ক্রিকেট বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে রানার্স আপ হওয়ার মতো গৌরবময় অর্জন। পাশাপাশি রয়েছে নিউজিল্যান্ড দলকে তাদের মাটিতে ৫-০ তে সিরিজ জয় আর (ইংল্যান্ড) ২০২৩ সালে আইবিএসএ ওয়ার্ল্ড গেমস এ ব্রোঞ্জ পদক সহ আরো অসংখ্য অর্জন।

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।