খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল পাহাড়ি শিশুর চোখ: রৌনিনপাড়ায় আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
“সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল পাহাড়ি শিশুর চোখ: রৌনিনপাড়ায় আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান”।

সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল পাহাড়ি শিশুর চোখ: রৌনিনপাড়ায় আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

বান্দরবান, ০৪ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার): বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার রৌনিনপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা লাল খম লিয়ান বম এর ৫ বছরের ছেলের চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক আর্থিক ও মেডিকেল সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গতকাল ০৩ জুন ২০২৬ তারিখে লাল খম লিয়ান বম তার ছেলের চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন নিয়ে রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্পে আসেন। তিনি জানান, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর চোখের সমস্যায় ভুগছিল এবং দ্রুত চিকিৎসা না করালে যেকোনো সময় শিশুটির চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। ছয় সদস্যের পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় সীমিত আয় দিয়ে পরিবারের ভরণ-পোষণ ও ছেলের ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিশ্চিত করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

 

আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্প অত্যন্ত দ্রুততার সাথে শিশুটির চিকিৎসার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে লাল খম লিয়ান বমের ছেলের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। একই সাথে, সেনাবাহিনীর জোরালো তৎপরতায় দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় সাধন করে শিশুটির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপের ফলে শিশুটির চোখ বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়। সন্তানের সুস্থতা নিশ্চিত হওয়ায় লাল খম লিয়ান বম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগের প্রতি গভীর ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও মানবিক সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চিকিৎসা, শিক্ষা, খাদ্য সংকটে ত্রাণ বিতরণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

“চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় শাওন একাদশের শিরোপা জয়”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
“চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় শাওন একাদশের শিরোপা জয়”।

চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় শাওন একাদশের শিরোপা জয়।

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের বনপুকুর এলাকায় আয়োজিত “চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” এর জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ক্রীড়া উৎসবে।

 

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে চুনতি বনপুকুর একতা সংঘ’র উদ্যোগে আয়োজিত ও হাসান নগর ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে পারভেজ একাদশকে ১-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয় করে শাওন একাদশ। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিলেও শেষ পর্যন্ত একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে শাওন একাদশ।

 

ফাইনাল খেলা শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুনতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।উক্ত ফাইনাল খেলায় উদ্বোধক ছিলেন চুনতি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াছিন।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুনতি ইউনিয়নের আমির মুহাম্মদ সলিম উল্লাহ এবং সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শোয়াইব ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক এস এম চিশতি, উপজেলা ছাত্রদল নেতা জাবেদ হাসান, যুবদল নেতা তৈয়বসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

 

খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের পদচারণায় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। টানটান উত্তেজনা, চমৎকার দলীয় সমন্বয় এবং দৃষ্টিনন্দন ফুটবল নৈপুণ্যে ভরপুর ম্যাচটি দর্শকদের ব্যাপকভাবে মুগ্ধ করে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তারা তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন আরও বেশি করে চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

 

খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন শাওন একাদশ এবং রানারআপ পারভেজ একাদশের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় আয়োজক সংগঠন চুনতি বনপুকুর একতা সংঘের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

“বাঁশখালীতে খড়ের গাদায় আগুনের পর পরিবারের ৬ সদস্য অচেতন, লুটপাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
“বাঁশখালীতে খড়ের গাদায় আগুনের পর পরিবারের ৬ সদস্য অচেতন, লুটপাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য”।

বাঁশখালীতে খড়ের গাদায় আগুনের পর পরিবারের ৬ সদস্য অচেতন, লুটপাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের নতুনপাড়া এলাকায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ মোট ছয়জন রহস্যজনকভাবে অচেতন হয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টির প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে পূর্ব চাম্বল ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনপাড়া এলাকার মো. ইউসূফের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

 

অচেতন ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইউসূফ (৪৭), তার স্ত্রী ফরিদা বেগম (৪২), ছেলে মো. মিনহাজ (২৪), এরফান (১৭), মেয়ে জেরিন আক্তার (১৯) এবং ভাতিজা আব্দুর রহিম (২৮)।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইউসূফের বাড়ির পাশে থাকা একটি খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুন নেভাতে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হয়ে গেলে সেই সুযোগে কেউ রান্না করা খাবারে বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় কোনো পদার্থ মিশিয়ে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে পরিবারের সদস্যরা ওই খাবার খাওয়ার পর একে একে অচেতন হয়ে পড়েন।

 

পরিবারের ১০ বছর বয়সী শিশু জেনি আক্তার ওই রাতে খাবার না খাওয়ায় সুস্থ রয়েছে। তার দাবি, পরিবারের সদস্যরা অচেতন অবস্থায় থাকাকালে এক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ঘরে প্রবেশ করে খাটের ড্রয়ার ভেঙে নগদ প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়।

 

খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াছিন চৌধুরী রিপন ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় শুক্রবার সকালে অচেতন ছয়জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

চাম্বলের ন্যাশনাল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হুমায়ুনুল কবির বলেন, প্রাথমিকভাবে খাদ্যের সঙ্গে বিষাক্ত কোনো পদার্থ মেশানোর আলামত পাওয়া গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আক্রান্তরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তারা আশঙ্কামুক্ত।

 

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থদের খোঁজখবর নিয়েছে। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবশিষ্ট খাবারসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

“বান্দরবান বালাঘাটায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে পিসিসিপি সভাপতি আসিফ ইকবাল”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
“বান্দরবান বালাঘাটায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে পিসিসিপি সভাপতি আসিফ ইকবাল”।

বান্দরবান বালাঘাটায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে পিসিসিপি সভাপতি আসিফ ইকবাল।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

বান্দরবান পৌর এলাকার বালাঘাটা বাজারের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের বিশিষ্ট ছাত্রনেতা জনাব আসিফ ইকবাল।

 

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং অস্থায়ীভাবে ঘুমানো ও থাকার জন্য পাটি (মাদুর) বিতরণ করেন।

 

এ বিষয়ে ছাত্রনেতা আসিফ ইকবাল বলেন, অগ্নিকাণ্ডের এই আকস্মিক দুর্যোগে পরিবারগুলো এক মুহূর্তে তাদের সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সাধ্য অনুযায়ী সামান্য সহায়তার চেষ্টা করেছি মাত্র। বিত্তবান ও সমাজের সচেতন সবাইকে এই পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

 

ত্রাণ বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং যুব ও ছাত্রসমাজের মাহির ইরতিসাম, জানে আলম,মো: আমির সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিপদের মুহূর্তে এমন দ্রুত মানবিক সহায়তা পাওয়ায় ছাত্রনেতা আসিফ ইকবালের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।