খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আকারের তেলসুর গাছ রক্ষায় বমুবিট কর্মকর্তা : আলতাফ হোসেন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
“বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আকারের তেলসুর গাছ রক্ষায় বমুবিট কর্মকর্তা : আলতাফ হোসেন”।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আকারের তেলসুর গাছ রক্ষায় বমুবিট কর্মকর্তা : আলতাফ হোসেন।

মোঃ শফিকুল ইসলাম বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

বান্দরবান জেলার লামা বনবিভাগের আওতাধীন বমু রিজার্ভের পাহাড়ি বনাঞ্চলে এই বিশালাকৃতির তেলসুর গাছটি রয়েছে। বুক সমান উচ্চতায় সাড়ে ষোল ফিট বেড় বিশিষ্ট এই তেলসুর গাছটির উচ্চতা আনুমানিক ২০০/২২০ ফুটেরও অধিক ।

 

বমু রিজার্ভের পাহাড়ি ইকোসিস্টেমে এ সুবিশাল গাছের জম্ম প্রাকৃতিকভাবে ব’লে জানা যায়। গাছটির পারিপার্শ্বিক পরিবেশ তার নিরাপদ বেঁচে থাকার জন্য অনুকূল ও সুবিধাজনক। খুব নিকট থেকে পর্যবেক্ষনে গাছটিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক দেখাশোনা করছেন লামা বন-বিভাগ আওতাধীন বমুবিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন। তাছাড়াও এ গাছের স্বাভাবিক শারিরীক বৃদ্ধি এখনো লক্ষনীয়,কালের স্বাক্ষী হিসেবে এ বিশালাকৃতির মহিরুহের সান্নিধ্য যেন সুশীতল সুখানুভবের, সুবিমল ভাল লাগার মতো।

 

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত বমু রিজার্ভ ফরেস্ট (Bamu Reserved Forest) এক সময় বিশালাকার ও প্রাচীন সব তেলসুর গাছের জন্য বিখ্যাত ছিল। এই বিশাল তেলসুর গাছ এবং এর বৈজ্ঞানিক পরিচিতি তুলে ধরা হলো: তেলসুর গাছের বৈজ্ঞানিক পরিচিতি বৈজ্ঞানিক নাম: Hopea odorata (হোপিয়া ওডোরোটা) পরিবার: Dipterocarpaceae (ডিপ্টেরোকার্পাসি) ইংরেজি নাম: Rock Dammar / White Thingan

 

বমু রিজার্ভে এই তেলসুর গাছ প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ও এইগুলো কয়েকশ বছরের প্রাচীন গাছ। এখানকার বিশাল তেলসুর গাছগুলোর কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো:

 

বিস্ময়কর উচ্চতা:

 

এখানকার পূর্ণবয়স্ক তেলসুর গাছগুলো সাধারণ ভাবে ১৫০ থেকে ১৮০ ফুট (৬০/৭০ মিটার) পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। বমু রিজার্ভের এই বনে অন্যান্য গাছের মাথা ছাড়িয়ে এগুলো সোজা আকাশের দিকে উঠে।

 

কাণ্ডের বিশালতা: এই গাছগুলোর গোড়ার পরিধি বা বেড় অনেক বড় আকৃতির হয়। অনেক ক্ষেত্রে এক- একটি গাছের গোড়া ৪/৬ মিটার বা তার চেয়ে বেশি চওড়া হতে দেখা যায়। এর কাণ্ড অত্যন্ত সোজা এবং সিলিন্ডার আকৃতির।

 

গাছের ছাল ও রং: বয়স্ক গাছের ছাল গাঢ় বাদামী বা কালচে রঙের হয় এবং এতে লম্বা-লম্বিভাবে গভীর ফাটল দেখা যায়।

 

লামা বিভাগীয় বন-কর্মকর্তার আওতাধীন বমুবিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘায়ু ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব হিসেবে : বমু রিজার্ভে তেলসুর গাছগুলো কয়েকশ বছর ধরে টিকে আছে এবং আমি যতদিন এইখানে আছি আমার জীবন বাজি রেখে হলেও আমি এই রিজার্ভের তেলসুর গাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ এবং ভূমি রক্ষায় নির্দ্বিধায় দায়িত্ব পালনে অটল থাকবো। এছাড়াও স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বনের “প্রহরী” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই গাছগুলো আমাদের দেশের চিরহরিৎ বনাঞ্চলের আদি রূপের সাক্ষ্য বহন করছে।

 

জলবায়ু পরিবর্তন ও বন উজাড়ের কারণে বমু রিজার্ভ সহ আরো বিভিন্ন সংরক্ষিত এলাকায় সেই আদিম বিশাল তেলসুর গাছগুলো এখন আগের চেয়ে সংখ্যায় অনেক কমে গেছে। তবে এখনও অবশিষ্ট যে কয়েকটি বিশালাকার গাছ টিকে আছে, সেগুলো রক্ষা করাই আমাদের মূল লক্ষ।

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।