“২০ বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বান্দরবান থেকে গ্রেফতার”।
২০ বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বান্দরবান থেকে গ্রেফতার।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’-এই মূলমন্ত্র নিয়ে মাদক, সন্ত্রাসবাদ এবং খুনের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সর্বদা আপসহীন। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-১৫ এর গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত রয়েছে।
বিগত ২০০৭ সালের বান্দরবান সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/২০১ ধারায় একটি নৃশংস হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালত উক্ত মামলার আসামি মং নু মং @ মং নু-কে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড ও ১০,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড এবং ২০১ ধারায় ০৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০,০০০/- টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুদীর্ঘ ২০ বছর যাবত দেশের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় নিজের পরিচয় গোপন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব-১৫ (সিপিসি-৩, বান্দরবান ক্যাম্প) এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ১৮:০০ ঘটিকায় বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান পাড়া নতুন ব্রিজ এলাকায় একটি বিশেষ ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি মং নু মং-কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি মং নু মং প্রকাশ মংনু (৭১) বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান হেডম্যান পাড়ার মৃত জ্য হ্লা প্রু এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিচারের হাত থেকে বাঁচতে দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক থাকলেও, অপরাধীদের চূড়ান্ত পরিণতি যে আইনের কাঠগড়া-র্যাব-১৫ এর এই সফল অভিযান সেটিই আবারও প্রমাণ করল। জননিরাপত্তা রক্ষায় র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন
Array