“লামায় প্রশাসনের নাগের ডগায় চলছে অবৈধ বালুর জমজমাট ব্যবসা: বেপরোয়া অবৈধ উত্তোলনকারি সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা”।
লামায় প্রশাসনের নাগের ডগায় চলছে অবৈধ বালুর জমজমাট ব্যবসা: বেপরোয়া অবৈধ উত্তোলনকারি সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বালু পাচারের হিড়িক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, অবৈধ বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখে যায়,ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় প্রকাশ্যে দিন রাত অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচার কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছে বালুখেকো সিন্ডিকেট চক্রের মূল সদস্য ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাবেক যুবদলের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরওয়ার আলম,শ্রমিক দলের সভাপতি নাজিম উদ্দীন ও কুমারী এলাকার বিএনপি নেতা আবুল হোসেন এবং কুমারী তৃণমূল যুবদল নেতা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে চলছে অবৈধ বালুর ব্যবসা।
স্থানীয়রা জানান, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি যোগসাজশ আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পাচারকারী সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যদি কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে প্রশাসন কিংবা সাংবাদিকদের কাছে কোন অভিযোগ করে তাহলে এরা আমাদের মৃত্যুর হুমকি দিয়ে যায়। তারা আরো জানান, এই বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের ঘর-বাড়ি ও চাষের জমি পর্যন্ত এখন ধ্বংস হওয়ার পথে রয়েছে।
সচেতন সুশীল সমাজের প্রশ্ন..? কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি এবং প্রশাসনের চেয়েও কি অধিক ক্ষমতাধারী এই অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারি সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা, নাকি প্রশাসন চোখে কালো চশমা পড়ে আছে সবকিছু দেখেও যেন না দেখার বান করে রয়েছে..!!
উল্লেখ্য যে, এর আগেও বেশ কিছু পত্রিকায় কুমারী ৪ নং ওয়ার্ড ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশের জেরে অভিযান পরিচালনা করে ০৬ জনকে ০৬ মাসের সাজা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন জানান,পরিবেশ ধ্বংসকারী যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে,পরিবেশ ধ্বংসকারী কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।


আপনার মতামত লিখুন
Array