খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অপসংস্কৃতি ও দারিদ্র্য বিমোচনে যা ভূমিকা রাখবে”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
“বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অপসংস্কৃতি ও দারিদ্র্য বিমোচনে যা ভূমিকা রাখবে”।

বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অপসংস্কৃতি ও দারিদ্র্য বিমোচনে যা ভূমিকা রাখবে।

সৌদিআরব থেকে ছাদেক আহমাদ।

 

তবে হাতে কলমে শিল্প কারিকুলাম চর্চায় শিক্ষা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করনে জাতির কল্যাণ বয়ে আসবে নিশ্চিত আশা করা যাচ্ছে।

 

প্রাথমিক পর্যায়ে_

 

ধর্মীয় মূল্যবোধে নৈতিক শিক্ষা অতীব জরুরি ভিত্তিতে দেখা দিচ্ছে। তাতে অপসংস্কৃতির চর্চায় মনোনিবেশ থেকে কিছুটা হলেও বুদ্ধিমত্তা সক্রিয় সত্য-মিথ্যা নিরসনে সঠিক পথ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

 

মাধ্যমিক পর্যায়ে_

 

কারিগরি শিক্ষা হলো এমন একটি বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা, যার মাধ্যমে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে বিভিন্ন কাজ, প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি পরিচালনার দক্ষতা অর্জন করা যায়। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে ও আধুনিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই।নিম্নে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

 

১.বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি:সাধারণ শিক্ষার পর যেখানে চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়, সেখানে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিতদের সহজে চাকরি মেলে। এই শিক্ষার মূল মন্ত্রই হলো—“কারিগরি শিক্ষা নিলে, বিশ্বজুড়ে কর্ম মিলে।”

 

এটি শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরি খোঁজার যোগ্যই করে না, বরং নিজের চেষ্টায় নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতেও সহায়তা করে।

 

২.আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন:কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে কেউ বেকার বসে থাকে না। ওয়েল্ডিং, প্লাম্বিং, ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার মেরামত থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেডে দক্ষতা অর্জন করে সহজেই নিজস্ব ওয়ার্কশপ, ল্যাব বা ছোট কারখানা গড়ে তোলা যায়। ফলে তারা নিজেরাই একেকজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন।

 

৩.দক্ষ জনশক্তি তৈরি:একটি দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো দক্ষ জনশক্তি। উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, তাদের কারিগরি শিক্ষার ভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী। কারিগরি শিক্ষা আমাদের সাধারণ শ্রমিকদের দক্ষ শ্রমিকে রূপান্তর করে, যা শিল্প ও প্রযুক্তির বিকাশে অপরিহার্য।

 

৪.উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি:কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত কর্মীরা কলকারখানায় আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন। এতে অপচয় রোধ হয়, কাজের গতি বাড়ে এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

 

৫.উন্নত জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি:আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তিরা কর্মক্ষেত্রে উচ্চ আয়ের সুযোগ পান। এটি একদিকে যেমন ব্যক্তির নিজস্ব জীবনযাত্রার মান উন্নত করে, অন্যদিকে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও জিডিপি (GDP) বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে।

 

৬.দারিদ্র্য বিমোচন:সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করতে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত কার্যকরী।

 

দরিদ্র ও শিক্ষাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অল্প সময়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

 

বহির্বিশ্বে আজ আমরা শ্রমজীবী হিসেবে মেহনত করে যাচ্ছি, কিন্তু আমরা অদক্ষতার কারণে পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নমানের বেতন কাঠামোতে দেখা হয়।

 

বর্তমান যুগ হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। তাই কেবল পুঁথিগত বিদ্যার ওপর নির্ভর না করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া সময়ের প্রধান দাবি। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।