খুঁজুন
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সাতকানিয়ায় জাহিদ হত্যা মামলায় বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ ১২ আসামি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় জাহিদ হত্যা মামলায় বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ ১২ আসামি গ্রেপ্তার

সাতকানিয়ায় জাহিদ হত্যা মামলায় বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ ১২ আসামি গ্রেপ্তার

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে জাহেদুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ ১২ এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পৃথক দুটি অভিযানে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকা থেকে ২ জন ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন— পুরানগড় ইউনিয়ন বিএনপির সংগঠক মো. জসিম উদ্দিন প্রকাশ মিষ্টি জসিম, উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রদল নেতা জয়নাল আবেদীন মানিক, পুরানগড় ইউনিয়ন যুবদলের সংগঠক মোহাম্মদ রিদোয়ান ইসলাম ও টিপু প্রকাশ মিষ্টি টিপু এবং আবু মাজহারুল ইসলাম ইফাজ, আব্দুল্লাহ আল তুষার, খোরশেদ আলম ওরফে ফারুক, মো. রবিউল হোসেন রবি, আবুল কাশেম প্রকাশ লইট্ট্যা কাশেম, হাবিবুর ইসলাম ওরফে হাবিব, মো. আজাদ ও মো. হেলাল। ফলে এ মামলার ৫ নম্বর আসামি মো. সাজ্জাদ ব্যতীত সকল এজাহারনামীয় আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে।

 

হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন পর (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত জাহেদুল ইসলামের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন প্রকাশ মিষ্টি জসিমকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নাম উল্লেখপূর্বক ৫ থেকে ৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

 

গ্রেপ্তারদের মধ্যে এক আসামির স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে খবরের কাগজকে জানিয়েছেন, তারা ১০ জন গ্রেপ্তার এড়িয়ে হাইকোর্ট থেকে জামিনের উদ্দেশ্যে ঢাকা গিয়েছিলেন৷ মূলত সেখান থেকেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর বাকি ২ জন চট্টগ্রাম নগরী থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে।

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে মো. আজাদকে গতকাল বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত অন্যান্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ, ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং তদন্তে প্রাপ্ত অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত অবশিষ্ট আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর নিহত জাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন আইনে অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

 

গত (৭ সেপ্টেম্বর) পুরানগড় ইউনিয়নের নতুনহাট এলাকায় জাহেদুল ইসলাম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন প্রকাশ মিষ্টি জসিমকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর একাংশ।

 

মানববন্ধনে বক্তারা মামলাটিকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর তাদের আস্থা রয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করেন। পাশাপাশি জসিমকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিও জানান।

 

অপরদিকে, গত (১২ সেপ্টেম্বর) পুরানগড় ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মনেয়াবাদ গ্রামের জাহেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন।

 

ওই সময় নিহতের মা ও মামলার বাদী মনোয়ারা বেগম, বড় বোন রূপা, খালা শাহানারা বেগম, মামা আজমত আলী ও যুবদল নেতা মোহাম্মদ ইসমাঈল উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

প্রসঙ্গত, জাহেদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পর এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে উত্তর সাতকানিয়ার সাংগঠনিক উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী রাজিব ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে অবশ্যই সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Bare-Knuckle Boxing-এর আগে দুই ফাইটারের মুখোমুখি অবস্থান, প্রেস ব্রিফিংয়ে উত্তেজনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
Bare-Knuckle Boxing-এর আগে দুই ফাইটারের মুখোমুখি অবস্থান, প্রেস ব্রিফিংয়ে উত্তেজনা

Bare-Knuckle Boxing-এর আগে দুই ফাইটারের মুখোমুখি অবস্থান, প্রেস ব্রিফিংয়ে উত্তেজনা

স্পোর্টস ডেস্ক

 

বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টস অঙ্গনে নতুন এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলো রাজধানী। সাধারণ প্রেস ব্রিফিংয়ের চেনা আয়োজনের বাইরে গিয়ে এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন আন্তর্জাতিক ফাইটাররা। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি জোড়ায় জোড়ায় বক্সিং ভঙ্গিতে নিজেদের পরিচয়ও তুলে ধরলেন তাঁরা। ফলে প্রেস ব্রিফিংয়ের মঞ্চটিই যেন কিছুক্ষণের জন্য পরিণত হলো ছোট্ট এক ফাইটিং অ্যারেনায়।

 

আগামীকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনায় অনুষ্ঠিত হবে Zulcan Fighting Championship (ZFC)-এর দ্বিতীয় আসর—‘ZFC 2: Pride of Bangladesh’। এই আয়োজনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) ৩ নম্বর হল ‘রাজদর্শন’-এ অনুষ্ঠিত হয় ব্যতিক্রমী প্রেস ব্রিফিং ও অফিসিয়াল ওয়েই-ইন।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে ZFC কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অংশ নেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক ফাইটাররা। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন তাঁরা। বিশেষ করে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া Bare-Knuckle Boxing নিয়ে ছিল সাংবাদিকদের ব্যাপক আগ্রহ।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ের একপর্যায়ে ফাইটারদের জোড়ায় জোড়ায় দাঁড় করিয়ে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। নিজেদের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে বক্সিংয়ের প্রস্তুতিমূলক ভঙ্গি প্রদর্শন করেন তাঁরা। মুহূর্তেই বদলে যায় পরিবেশ—প্রেস ব্রিফিংয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছাপিয়ে ফুটে ওঠে রিংয়ের প্রতিযোগিতামূলক আবহ। উপস্থিত সাংবাদিক ও অতিথিদের মধ্যেও তৈরি হয় বাড়তি আগ্রহ।

 

এবারের ZFC আসরের অন্যতম আলোচিত আকর্ষণ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজন হতে যাওয়া Bare-Knuckle Boxing বাউট। তিন রাউন্ডের এই লড়াইয়ে মুখোমুখি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ ফাইটার Will Chope এবং ইরানের Mostafa Ashouri।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে এই লড়াই নিয়ে তাঁদের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। Bare-Knuckle Boxing বলতে কী বোঝায়, এই ফরম্যাটের বিশেষত্ব কী এবং বাংলাদেশে প্রথমবার এমন লড়াই আয়োজনের গুরুত্ব কতটা—এসব প্রশ্নের উত্তর দেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Will Chope-কে প্রশ্ন করা হয়, তাঁকে বাংলাদেশে এই লড়াইয়ে অংশ নিতে কী অনুপ্রাণিত করেছে। অন্যদিকে Mostafa Ashouri-র কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রতিপক্ষকে নিয়ে তাঁর প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা।

 

ZFC 2-এর মেইন ইভেন্টে WMO Asia Muay Thai Title-এর জন্য পাঁচ রাউন্ডের লড়াইয়ে বাংলাদেশের Masjedul Reza Omeo মুখোমুখি হবেন থাইল্যান্ডের Thanapat Titham-এর।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে ওমিওর কাছে জানতে চাওয়া হয়, শক্তিশালী থাই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এশিয়ান শিরোপা জয়ের ব্যাপারে তিনি কতটা আত্মবিশ্বাসী। ঘরের মাটিতে আন্তর্জাতিক শিরোপার লড়াইয়ে নামার আগে তাঁর প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

 

অন্যদিকে কো-মেইন ইভেন্টে ZFC Boxing Title-এর জন্য ছয় রাউন্ডে লড়বেন বাংলাদেশের Sura Krishna Chakma ও ইন্দোনেশিয়ার Kundimang। দীর্ঘ বিরতির পর রিংয়ে ফেরা সুরার প্রস্তুতি, শারীরিক অবস্থা ও লড়াই নিয়ে প্রত্যাশা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।

 

প্রো এমএমএতে বাংলাদেশের Manjoor Alam লড়বেন ইন্দোনেশিয়ার Filipus Rangga-র বিপক্ষে। প্রেস ব্রিফিংয়ে মঞ্জুরের কাছে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন। ভবিষ্যতে আরও উচ্চমানের আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়েও তাঁকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

 

এ ছাড়া প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ফাইটারদের প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা এবং ZFC-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর নেওয়া হয়।

 

ZFC 2-এ বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও মালয়েশিয়ার ফাইটাররা মোট ১১টি বাউটে অংশ নেবেন। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি শিরোপার লড়াই।

 

ZFC Muay Thai Title-এর জন্য লড়বেন বাংলাদেশের Muhammed Rashed ও ইন্দোনেশিয়ার Harry Hutagalong। আরেকটি ZFC Boxing Title বাউটে সিঙ্গাপুরের Sean Rafael Sanny মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের Sirajul Rabbi-র।

 

এ ছাড়া মুয়াই থাইয়ে দেশীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হবেন Shadman Sakif ও Mahedi Hassan। প্রো এমএমএতে থাকছে Manjoor Alam বনাম Filipus Rangga।

 

নারী পেশাদার বক্সিংয়ে ছয় রাউন্ডের লড়াইয়ে বাংলাদেশের Sanjida Jannat-এর প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়ার Meredy Michael। পেশাদার বক্সিংয়ে Rakib Hossain লড়বেন ইন্দোনেশিয়ার Dedy Imprax-এর বিপক্ষে। একই বিভাগে সিঙ্গাপুরের Donovan McIntyre মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের Ganadan Chakma-র।

 

কার্ডের শুরু হবে নারী সেমি-প্রো মুয়াই থাইয়ের লড়াই দিয়ে। সেখানে মুখোমুখি হবেন Gazi Arnaz ও Shampa Islam।

 

ZFC-এর আয়োজকদের মতে, এই চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য শুধু ফাইট আয়োজন করা নয়। আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের ফাইটারদের ঘরের মাটিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করা, পেশাদার কমব্যাট স্পোর্টসের বিকাশ ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার মতো ফাইটার তৈরির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই তাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

 

এরই ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ZFC 1: The Takeover। এবার দ্বিতীয় আসরের মাধ্যমে সেই ধারাবাহিকতাকে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি ফাইটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতার একটি স্থায়ী মঞ্চ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।

 

শুক্রবারের মূল লড়াইয়ের আগে বৃহস্পতিবারের প্রেস ব্রিফিংয়ে খেলোয়াড়দের সরাসরি অংশগ্রহণ, প্রশ্নোত্তর এবং প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে বক্সিং ভঙ্গিতে পরিচয় প্রদর্শনের আয়োজনটি ZFC 2-কে ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।

 

আগামীকাল জুলকান ইনডোর এরিনায় রিংয়ে সেই উত্তেজনারই চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটবে।

সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদণ্ড

সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদণ্ড

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির সময় আলাউদ্দিন নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মৌলভীর দোকান এলাকার মক্কা হোটেলে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় এসআই নুরুউদ্দীনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রিকালে আলাউদ্দিনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

 

বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আলাউদ্দিন সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের রসুলাবাদ মাহলুম পাড়া গ্রামের নওশা মিয়ার ছেলে।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলার কোথাও মাদক কেনাবেচা বা সেবনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া মাত্রই সেখানে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

প্রশাসন আরও জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর কালিয়াইশ ইউনিয়নের মৌলভীর দোকান এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে মাদকদ্রব্যসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এবং যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান ও মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে সাধারণ জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক কাসেমী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক কাসেমী

দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক কাসেমী

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ঐতিহ্যবাহী ‘দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ’-এর ত্রিবার্ষিক নির্বাচন বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যাপক অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সমিতির মোট ১১টি পদের মধ্যে ৯টিতে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনে মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ সভাপতি এবং মাহমুদুল করিম কাসেমী সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন।ম

 

শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। নির্বাচন শেষে বিজয়ী প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্বাচনী মাঠে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে নবনির্বাচিত কমিটিকে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়েছে।