খুঁজুন
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

কেঁওচিয়ায় গণশুনানি সম্পন্ন: ৬ ইউনিয়ন নিয়ে ‘উত্তর সাতকানিয়া থানা’ গঠনের জোরালো দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
কেঁওচিয়ায় গণশুনানি সম্পন্ন: ৬ ইউনিয়ন নিয়ে ‘উত্তর সাতকানিয়া থানা’ গঠনের জোরালো দাবি

কেঁওচিয়ায় গণশুনানি সম্পন্ন: ৬ ইউনিয়ন নিয়ে ‘উত্তর সাতকানিয়া থানা’ গঠনের জোরালো দাবি

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া, বাজালিয়া, কালিয়াইশ, ধর্মপুর, পুরানগড় ও খাগরিয়া এই ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে নতুন ‘উত্তর সাতকানিয়া থানা’ গঠনের দাবিতে এক গুরুত্বপূর্ণ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং ১০ নং কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় এ গণশুনানি সম্পন্ন হয়।

 

কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব দাশ পুরকায়স্থ।

 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মো. দেলোয়ার, সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহেসান মৌলা, উত্তর সাতকানিয়া বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন হিরু, কেরানিহাট প্রগতিশীল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আলম ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলম, দক্ষিণ জেলা যুবদলের প্রচার সম্পাদক মো. সোলায়মান বাবুল, কেঁওচিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহেদ, দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম কাসেমী এবং উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ফৌজুল কবির রুবেলসহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনসাধারণ।

 

গণশুনানিতে স্থানীয় বক্তারা বলেন, উত্তর সাতকানিয়া থানা গঠন এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের একটি প্রাণের দাবি। প্রস্তাবিত থানার আওতাভুক্ত ৬টি ইউনিয়নের মানুষের প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সেবা সহজলভ্য করতে অবিলম্বে পৃথক এই থানা গঠন করা প্রয়োজন। অন্য কোনো ইউনিয়ন বা পৌরসভা যুক্ত না করে প্রস্তাবিত এই ৬টি ইউনিয়ন নিয়েই যেন পূর্ণাঙ্গ থানা বাস্তবায়ন করা হয়, সে জোরালো দাবি জানান তারা।

 

বক্তারা আরও বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, জনসংখ্যা এবং প্রশাসনিক সুবিধার বিষয়গুলো মাথায় রেখেই এই প্রশাসনিক ইউনিট গঠন করা উচিত। স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের এই যৌক্তিক দাবি ও মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব দাশ পুরকায়স্থ জানান, গণশুনানিতে স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে যেসব মতামত পাওয়া গেছে, তা পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

 

স্থানীয়দের বিশ্বাস, প্রস্তাবিত এই ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন থানা গঠিত হলে এই জনপদের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় প্রশাসনিক সেবা আরও দ্রুত ও গতিশীল পৌঁছাবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদার হবে।

চট্টগ্রাম পটিয়ায় শ্রীমাই খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম পটিয়ায় শ্রীমাই খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রাম পটিয়ায় শ্রীমাই খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

শহিদুল ইসলাম পটিয়া, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামের পটিয়ায় শ্রীমাই খাল থেকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার উত্তর ছনহরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টেগরপুনি ব্রিজ সংলগ্ন শ্রীমাই খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

 

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শ্রীমাই খালে এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর হতে পারে। তার পরনে ছিল হাফহাতা গেঞ্জি ও প্যান্ট। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ পিবিআই একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহসহ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

 

পটিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল খালেক জানান, শ্রীমাই খাল থেকে উদ্ধার করা মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যেতে পারে। একই সঙ্গে নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

 

এদিকে, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ওই যুবক কীভাবে সেখানে এলেন, তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কোনো ঘটনা—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

থানচিতে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
থানচিতে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণ

থানচিতে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণ

রেমবো ত্রিপুরা, থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় কাজুবাদাম চাষিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং বাজার অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তির অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে, বিএসআরএমের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বিএনকেএসের বাস্তবায়নে এ উপবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের উপকারভোগী পরিবারের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে চার মাসের উপবৃত্তির অর্থ প্রদান করা হয়।

 

অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, থানচি উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহ-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম ফারুক, থানচি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রেমবো ত্রিপুরা এবং বিএনকেএসের এনজিও ফোকাল পার্সন ও প্যারামেডিক উবাথোয়াই মারমা প্রমুখ।

 

আয়োজকরা জানান, প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাসিক ৫০০ টাকা, স্কুল পর্যায়ে ৮০০ টাকা এবং কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাসিক ১ হাজার টাকা করে উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রমের আওতায় থানচি উপজেলার মোট ৪৪ জন শিক্ষার্থীকে চার মাসের উপবৃত্তির অর্থ এককালীন প্রদান করা হয়।

 

উপবৃত্তি পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অব্যাহত রাখা এবং ঝরে পড়ার ঝুঁকি কমাতে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

 

তারা আরো বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার দরিদ্র পরিবারের অনেক শিক্ষার্থী অর্থাভাবে শিক্ষা উপকরণ, যাতায়াত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ বহন করতে হিমশিম খায়। এসব পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত উপবৃত্তি চালু থাকলে শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

 

কাজুবাদাম চাষিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের পরিবারের সন্তানদের শিক্ষায় সহায়তা দেওয়ার এ উদ্যোগ প্রকল্পের সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সাতকানিয়ায় করইয়ানগর ঠাকুরদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় করইয়ানগর ঠাকুরদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়ায় করইয়ানগর ঠাকুরদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের করইয়ানগর ঠাকুরদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সার্বিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদকবিরোধী র‍্যালি, অভিভাবক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি দিদারুল আলম। সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জমির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া ব্রিক ফিল্ড মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল আলম।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সাতকানিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিব্বাড়ি মজিদিয়া মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহমুদুল হক, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কান্তি দাশ এবং সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ ইউসুফ।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পল্লী চিকিৎসক নেপাল কান্তি দাশ, সমাজসেবক নাছির উদ্দিন চৌধুরী, জামাল হোসেন, কামাল হোসেন, ছৈয়দ নুর, আব্দুর রহমান সওদাগর, প্রবাসী মোহাম্মদ সেলিম ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাবেদ প্রমুখ।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদুল আলম বলেন, “দিন দিন মাদকের উপদ্রব বেড়ে চলেছে। এই করাল গ্রাস থেকে বাঁচতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সজাগ থাকতে হবে, অন্যথায় এলাকার পরিবেশ নষ্ট ও জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে সন্তানদের মাদকমুক্ত রাখতে অভিভাবকদের সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। এলাকায় মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি সমাজকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন।

 

প্রধান বক্তার বক্তব্যে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সিরাজুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষকরা কী পড়াচ্ছেন, তার খোঁজ নেওয়ার দায়িত্ব অভিভাবকদের। সন্তান স্কুলে ঠিকমতো যাচ্ছে কি না এবং স্কুলের নাম করে কোথায় যাচ্ছে, সেদিকে গভীর দৃষ্টি রাখতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “সন্তান কার সাথে মিশছে তা খেয়াল রাখতে হবে, কারণ ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ’। যুগোপযোগী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পিতা-মাতাকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে।”

 

সভাপতির বক্তব্যে দিদারুল আলম শিক্ষার সুবজ পরিবেশ বিনির্মাণে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, “যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত, সে জাতি তত বেশি উন্নত। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আধুনিক ও যুগোপযোগী জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই।”

 

অনুষ্ঠানে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ ও এর প্রতিকার বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন পল্লী চিকিৎসক নেপাল কান্তি দাশ। আলোচনা শেষে একটি বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ র‍্যালি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।