খুঁজুন
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

এসপির কার্যালয়ের পাশেই জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ৪ পুলিশ সদস্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
এসপির কার্যালয়ের পাশেই জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ৪ পুলিশ সদস্য

এসপির কার্যালয়ের পাশেই জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ৪ পুলিশ সদস্য

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের পাশের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের অভিযানে বাধা দিতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানা আহত হয়েছেন। অভিযানের সময় আরও দুই পুলিশ সদস্য পালিয়ে যান।

 

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত এএসআই শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), কনস্টেবল আলমগীর কবির (৩৩) এবং সদর ফাঁড়িতে কর্মরত এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে এসপি কার্যালয়ের উত্তর পাশে অবস্থিত একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে পুলিশ সদস্যদের জুয়া খেলার তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পারে সদর থানার টহল পুলিশ। পরে রাত দেড়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলমগীর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

 

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের আটক করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের পেছনে ধাওয়া করে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানা আহত হন। পুলিশের দাবি, ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়।

 

অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে চার পুলিশ সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে তাস, জুয়ার বোর্ডে থাকা নগদ টাকা ও কয়েকটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশে চারটি মোটরসাইকেলও পাওয়া যায়।

 

অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া দুজন হলেন—পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান (৪০) এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮)। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছেন সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার পাল।

 

তিনি বলেন, “অপরাধের সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক দুজনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

 

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ খোদাদাদ হোসেন বলেন, পুলিশ নিয়মিত মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। কয়েক দিন ধরে কিছু পুলিশ সদস্যের জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। পরে বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, “সাধারণ অপরাধীদের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাদের বিরুদ্ধেও একইভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে। তারা এখন আমাদের কাছে অপরাধী। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গ্রেপ্তার চার পুলিশ সদস্যকে বুধবার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

Bare-Knuckle Boxing-এর আগে দুই ফাইটারের মুখোমুখি অবস্থান, প্রেস ব্রিফিংয়ে উত্তেজনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
Bare-Knuckle Boxing-এর আগে দুই ফাইটারের মুখোমুখি অবস্থান, প্রেস ব্রিফিংয়ে উত্তেজনা

Bare-Knuckle Boxing-এর আগে দুই ফাইটারের মুখোমুখি অবস্থান, প্রেস ব্রিফিংয়ে উত্তেজনা

স্পোর্টস ডেস্ক

 

বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টস অঙ্গনে নতুন এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলো রাজধানী। সাধারণ প্রেস ব্রিফিংয়ের চেনা আয়োজনের বাইরে গিয়ে এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন আন্তর্জাতিক ফাইটাররা। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি জোড়ায় জোড়ায় বক্সিং ভঙ্গিতে নিজেদের পরিচয়ও তুলে ধরলেন তাঁরা। ফলে প্রেস ব্রিফিংয়ের মঞ্চটিই যেন কিছুক্ষণের জন্য পরিণত হলো ছোট্ট এক ফাইটিং অ্যারেনায়।

 

আগামীকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনায় অনুষ্ঠিত হবে Zulcan Fighting Championship (ZFC)-এর দ্বিতীয় আসর—‘ZFC 2: Pride of Bangladesh’। এই আয়োজনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) ৩ নম্বর হল ‘রাজদর্শন’-এ অনুষ্ঠিত হয় ব্যতিক্রমী প্রেস ব্রিফিং ও অফিসিয়াল ওয়েই-ইন।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে ZFC কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অংশ নেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক ফাইটাররা। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন তাঁরা। বিশেষ করে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া Bare-Knuckle Boxing নিয়ে ছিল সাংবাদিকদের ব্যাপক আগ্রহ।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ের একপর্যায়ে ফাইটারদের জোড়ায় জোড়ায় দাঁড় করিয়ে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। নিজেদের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে বক্সিংয়ের প্রস্তুতিমূলক ভঙ্গি প্রদর্শন করেন তাঁরা। মুহূর্তেই বদলে যায় পরিবেশ—প্রেস ব্রিফিংয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছাপিয়ে ফুটে ওঠে রিংয়ের প্রতিযোগিতামূলক আবহ। উপস্থিত সাংবাদিক ও অতিথিদের মধ্যেও তৈরি হয় বাড়তি আগ্রহ।

 

এবারের ZFC আসরের অন্যতম আলোচিত আকর্ষণ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজন হতে যাওয়া Bare-Knuckle Boxing বাউট। তিন রাউন্ডের এই লড়াইয়ে মুখোমুখি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ ফাইটার Will Chope এবং ইরানের Mostafa Ashouri।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে এই লড়াই নিয়ে তাঁদের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। Bare-Knuckle Boxing বলতে কী বোঝায়, এই ফরম্যাটের বিশেষত্ব কী এবং বাংলাদেশে প্রথমবার এমন লড়াই আয়োজনের গুরুত্ব কতটা—এসব প্রশ্নের উত্তর দেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Will Chope-কে প্রশ্ন করা হয়, তাঁকে বাংলাদেশে এই লড়াইয়ে অংশ নিতে কী অনুপ্রাণিত করেছে। অন্যদিকে Mostafa Ashouri-র কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রতিপক্ষকে নিয়ে তাঁর প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা।

 

ZFC 2-এর মেইন ইভেন্টে WMO Asia Muay Thai Title-এর জন্য পাঁচ রাউন্ডের লড়াইয়ে বাংলাদেশের Masjedul Reza Omeo মুখোমুখি হবেন থাইল্যান্ডের Thanapat Titham-এর।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে ওমিওর কাছে জানতে চাওয়া হয়, শক্তিশালী থাই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এশিয়ান শিরোপা জয়ের ব্যাপারে তিনি কতটা আত্মবিশ্বাসী। ঘরের মাটিতে আন্তর্জাতিক শিরোপার লড়াইয়ে নামার আগে তাঁর প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

 

অন্যদিকে কো-মেইন ইভেন্টে ZFC Boxing Title-এর জন্য ছয় রাউন্ডে লড়বেন বাংলাদেশের Sura Krishna Chakma ও ইন্দোনেশিয়ার Kundimang। দীর্ঘ বিরতির পর রিংয়ে ফেরা সুরার প্রস্তুতি, শারীরিক অবস্থা ও লড়াই নিয়ে প্রত্যাশা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।

 

প্রো এমএমএতে বাংলাদেশের Manjoor Alam লড়বেন ইন্দোনেশিয়ার Filipus Rangga-র বিপক্ষে। প্রেস ব্রিফিংয়ে মঞ্জুরের কাছে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন। ভবিষ্যতে আরও উচ্চমানের আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়েও তাঁকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

 

এ ছাড়া প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ফাইটারদের প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা এবং ZFC-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর নেওয়া হয়।

 

ZFC 2-এ বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও মালয়েশিয়ার ফাইটাররা মোট ১১টি বাউটে অংশ নেবেন। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি শিরোপার লড়াই।

 

ZFC Muay Thai Title-এর জন্য লড়বেন বাংলাদেশের Muhammed Rashed ও ইন্দোনেশিয়ার Harry Hutagalong। আরেকটি ZFC Boxing Title বাউটে সিঙ্গাপুরের Sean Rafael Sanny মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের Sirajul Rabbi-র।

 

এ ছাড়া মুয়াই থাইয়ে দেশীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হবেন Shadman Sakif ও Mahedi Hassan। প্রো এমএমএতে থাকছে Manjoor Alam বনাম Filipus Rangga।

 

নারী পেশাদার বক্সিংয়ে ছয় রাউন্ডের লড়াইয়ে বাংলাদেশের Sanjida Jannat-এর প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়ার Meredy Michael। পেশাদার বক্সিংয়ে Rakib Hossain লড়বেন ইন্দোনেশিয়ার Dedy Imprax-এর বিপক্ষে। একই বিভাগে সিঙ্গাপুরের Donovan McIntyre মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের Ganadan Chakma-র।

 

কার্ডের শুরু হবে নারী সেমি-প্রো মুয়াই থাইয়ের লড়াই দিয়ে। সেখানে মুখোমুখি হবেন Gazi Arnaz ও Shampa Islam।

 

ZFC-এর আয়োজকদের মতে, এই চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য শুধু ফাইট আয়োজন করা নয়। আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের ফাইটারদের ঘরের মাটিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করা, পেশাদার কমব্যাট স্পোর্টসের বিকাশ ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার মতো ফাইটার তৈরির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই তাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

 

এরই ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ZFC 1: The Takeover। এবার দ্বিতীয় আসরের মাধ্যমে সেই ধারাবাহিকতাকে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি ফাইটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতার একটি স্থায়ী মঞ্চ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।

 

শুক্রবারের মূল লড়াইয়ের আগে বৃহস্পতিবারের প্রেস ব্রিফিংয়ে খেলোয়াড়দের সরাসরি অংশগ্রহণ, প্রশ্নোত্তর এবং প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে বক্সিং ভঙ্গিতে পরিচয় প্রদর্শনের আয়োজনটি ZFC 2-কে ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।

 

আগামীকাল জুলকান ইনডোর এরিনায় রিংয়ে সেই উত্তেজনারই চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটবে।

সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদণ্ড

সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদণ্ড

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির সময় আলাউদ্দিন নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মৌলভীর দোকান এলাকার মক্কা হোটেলে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় এসআই নুরুউদ্দীনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রিকালে আলাউদ্দিনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

 

বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আলাউদ্দিন সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের রসুলাবাদ মাহলুম পাড়া গ্রামের নওশা মিয়ার ছেলে।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলার কোথাও মাদক কেনাবেচা বা সেবনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া মাত্রই সেখানে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

প্রশাসন আরও জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর কালিয়াইশ ইউনিয়নের মৌলভীর দোকান এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে মাদকদ্রব্যসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এবং যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান ও মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে সাধারণ জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক কাসেমী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক কাসেমী

দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আজাদ সাধারণ সম্পাদক কাসেমী

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ঐতিহ্যবাহী ‘দস্তিদার হাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ’-এর ত্রিবার্ষিক নির্বাচন বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যাপক অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সমিতির মোট ১১টি পদের মধ্যে ৯টিতে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনে মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ সভাপতি এবং মাহমুদুল করিম কাসেমী সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন।ম

 

শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। নির্বাচন শেষে বিজয়ী প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্বাচনী মাঠে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে নবনির্বাচিত কমিটিকে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়েছে।