খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“কোরবানি ঈদে পশুর চামড়া শিল্প রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন আঞ্জুমান-এ আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
“কোরবানি ঈদে পশুর চামড়া শিল্প রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন আঞ্জুমান-এ আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট”।

কোরবানি ঈদে পশুর চামড়া শিল্প রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন আঞ্জুমান-এ আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট।

সৌদিআরব থেকে_ছাদেক আহমাদ।

 

কোরবানির পশুর চামড়া বা এর মূল্য গরিবদের হক। কিন্তু এর প্রক্রিয়াজাত ও সদ্ব্যবহার না হওয়ায় ধংস হচ্ছে সামাজিক অর্থনৈতিক পারস্পরিক সম্পর্ক। ফলে এই অবহেলার ভিন্ন একটি চিত্র দেখা যাচ্ছে আঞ্জুমান-এ আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট কর্তৃক। এতে করে চামড়া শিল্পে রক্ষায় প্রশংসনীয় উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন আঞ্জুমানে আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট।

 

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের চামড়া শিল্প এক কঠিন সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। একসময়ের সম্ভাবনাময় এই শিল্প আজ অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও অসচেতনতার কারণে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—কোরবানির পশুর চামড়া, যা একসময় এতিম, অসহায়, গরিব মানুষ ও দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ছিল, আজ অনেক স্থানে অবমূল্যায়িত হচ্ছে, কোথাও কোথাও ফেলে দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

এমন পরিস্থিতিতে আঞ্জুমানে আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ট্রাস্ট যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে—চামড়া শিল্পকে অন্তত আংশিকভাবে হলেও টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে—তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এই উদ্যোগ শুধু একটি শিল্প রক্ষার প্রচেষ্টা নয়; বরং এটি গরিব, অসহায়, এতিম ও মাদ্রাসার হক সংরক্ষণের একটি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।

 

কারণ বাস্তবতা হলো, কোরবানির পশুর চামড়া থেকে প্রাপ্ত অর্থের সঙ্গে বহু গরিব মানুষের জীবিকা জড়িত, বহু এতিমের মুখের হাসি জড়িত, বহু দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান কার্যক্রম জড়িত। তাই এই সম্পদকে নষ্ট করা মানে কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়; বরং হকদার মানুষের অধিকার নষ্ট করা।

 

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেনঃ

 

“وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيرًا ۝ إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ”

 

উচ্চারণ: “ওয়ালা তুবাজ্জির তাবযীরা, ইন্নাল মুবাজ্জিরীনা কানু ইখওয়ানাশ শাইয়াতীন।”

 

অর্থ: “অপচয় করো না। নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই।”

 

— আল-কুরআন

 

আরও ইরশাদ হয়েছেঃ

 

“إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَى أَهْلِهَا”

 

উচ্চারণ: “ইন্নাল্লাহা ইয়ামুরুকুম আন তুয়াদ্দুল আমানাতি ইলা আহলিহা।”

 

অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দেন, আমানত তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দিতে।”

 

— আল-কুরআন

 

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ

 

“خَيْرُ النَّاسِ أَنْفَعُهُمْ لِلنَّاسِ”

 

উচ্চারণ: “খাইরুন্নাসি আনফাউহুম লিন্নাস।”

 

অর্থ: “মানুষের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করে।”

 

— আল-মু’জামুল আওসাত

 

আজ আমাদের সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত এই বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা। যদি সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সামান্য হলেও এগিয়ে আসে, তাহলে এই শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।

 

আমাদের মনে রাখতে হবে—একদিন অবশ্যই আল্লাহ পাকের দরবারে দাঁড়াতে হবে। সেখানে সম্পদ কীভাবে ব্যবহার করেছি, মানুষের হক কতটুকু আদায় করেছি এবং গরিব-অসহায়দের প্রতি কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছি—সবকিছুর হিসাব দিতে হবে। তাই আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই, অপচয় বন্ধ করি এবং গরিব, এতিম ও মাদ্রাসার হক যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি।

 

আল্লাহ তাআলা আঞ্জুমানে আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে কবুল করুন, বরকত দান করুন এবং সমাজের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সচেতন মানুষদেরও এমন কল্যাণকর কাজে এগিয়ে আসার তাওফিক দান করুন। আমীন।

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।