খুঁজুন
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

চট্টগ্রামের মীরসরাই হাইতকান্দিতে বিষাক্ত সাপের কামড়ে ৭ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের মীরসরাই হাইতকান্দিতে বিষাক্ত সাপের কামড়ে ৭ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু

চট্টগ্রামের মীরসরাই হাইতকান্দিতে বিষাক্ত সাপের কামড়ে ৭ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :

উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ১৪ নং হাইতকান্দি ইউনিয়নের জগদীশপুর গ্রামে বিষাক্ত সাপের কামড়ে মোঃ হাসান নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে পাওয়া সংবাদে প্রকাশ।

 

মৃত্যু বরণ কারী শিশু হাসান ওই গ্রামের মোঃ লোকমান হোসেনের পুত্র বলে পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

 

সূত্র জানায়, ঘটনার সময় ৯ অক্টোবর (শুক্রবার) দুপুরের দিকে সে উঠোনে বল নিয়ে খেলা করছিলো। এক পর্যায়ে বলটি উঠোনের পাশে জঙ্গলাবিষ্ট জায়গা গিয়ে পড়ে। বলটি আনতে সে সেখানে গেলে বিষাক্ত সর্প তাকে দংশন করে। পরিবারের কেউ জানার আগেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

 

ছোট্টো শিশু হাসান এর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের কান্না আহাজারিত বাতাস ভারী হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এবং পুরো গ্রামবাসীর মাঝে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

বান্দরবান জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
বান্দরবান জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

বান্দরবান জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

তৃণমূল পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যসেবাকে আরও জনবান্ধব করার লক্ষ্য নিয়ে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা। একই সাথে বান্দরবান মা ও শিশু হাসপাতালের দীর্ঘদিনের নানা সমস্যা ও সংকট দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।

 

আজ: ৪ঠা নভেম্বর (বুধবার) জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক ডা. লেনিন তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আহ্বায়ক উঃ চ নু মং মারমা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) আবু সালেহ মো. ফোরকান উদ্দীন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উঃ চ নু মং মারমা বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যসেবাকে আরও জনবান্ধব করে তুলতে হবে। আমাদের মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রগুলোকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি। মা ও শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

 

সভায় জেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি বান্দরবান মা ও শিশু হাসপাতালের বিদ্যমান নানা সংকট নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল করতে অবিলম্বে আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন, চিকিৎসক সংকট নিরসন এবং বদলিসংক্রান্ত জটিলতা দূর করার জোর দাবি তোলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

উত্থাপিত এসব সমস্যা ও সংকট সমাধানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এবং বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিসেস ম্যামাচিং মারমার সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বস্ত করেন প্রধান অতিথি উঃ চ নু মং মারমা।

 

উক্ত সমন্বয় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান মা ও শিশু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুল মনির রিবন, জেএসআই প্রকল্পের কনসালটেন্ট ডা. অংচালু, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং লামা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রবুজ বড়ুয়াসহ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ।

ইটভাটা বন্ধ বান্দরবানে, উন্নয়ন ব্যাহত; ইট কিনতে বাড়তি টাকা গুনছেন বান্দরবানবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
ইটভাটা বন্ধ বান্দরবানে, উন্নয়ন ব্যাহত; ইট কিনতে বাড়তি টাকা গুনছেন বান্দরবানবাসী

ইটভাটা বন্ধ বান্দরবানে, উন্নয়ন ব্যাহত; ইট কিনতে বাড়তি টাকা গুনছেন বান্দরবানবাসী

বান্দরবান প্রতিনিধি:

পাহাড়, বন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত পার্বত্য জেলা বান্দরবান। পর্যটন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অপার সম্ভাবনা থাকলেও নির্মাণসামগ্রীর সংকট, বাড়তি ব্যয় এবং কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে জেলায় ইটভাটা স্থাপনের অনুমতি না থাকায় উন্নয়ন ও নির্মাণকাজে এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

স্থানীয়দের মনে প্রশ্ন, দেশের অন্যান্য জেলায় ইটভাটা থাকলেও বান্দরবানে কেন থাকবে না? পরিবেশ সংরক্ষণ অবশ্যই জরুরি। কিন্তু পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে নির্দিষ্ট নিয়মনীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ইটভাটা স্থাপনের সুযোগ কি তৈরি করা সম্ভব নয়?

 

অভিযোগ রয়েছে, বান্দরবান সদর উপজেলার সোয়ালক, মাঝেরপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পাহাড়ের মাটি ও গাছ সংগ্রহ করে পার্শ্ববর্তী চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, কেরানীহাটসহ বিভিন্ন এলাকার ইটভাটায় ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে বান্দরবানের পাহাড় ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। অথচ সেই এলাকার উৎপাদিত ইটই আবার বেশি দামে কিনে বান্দরবানে আনতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

 

এতে প্রশ্ন উঠছে বান্দরবানে ইটভাটা না থাকার ফলে পরিবেশের প্রকৃত সুরক্ষা কতটুকু নিশ্চিত হচ্ছে? যদি পাহাড়ের মাটি ও গাছ অন্য জেলায় গিয়ে ব্যবহৃত হয়, তাহলে এই নিষেধাজ্ঞার সুফল পাচ্ছে কারা, আর ক্ষতির বোঝা বহন করছে কারা?

 

বান্দরবান সদর থেকে শুরু করে রুমা, থানচি, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি ও লামা জেলার প্রতিটি উপজেলায় সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত বাড়িঘর নির্মাণে ইটের প্রয়োজন রয়েছে।

 

কিন্তু স্থানীয়ভাবে ইট উৎপাদনের ব্যবস্থা না থাকায় বাইরের জেলা থেকে ইট সংগ্রহ করতে হচ্ছে। পরিবহন ব্যয়, সরবরাহ সংকট ও বাজারমূল্যের কারণে নির্মাণকাজে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এতে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর জন্য বাড়িঘর নির্মাণ কিংবা সংস্কার করা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

 

স্থানীয়দের মতে, বান্দরবানের ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থার কারণে বাইরে থেকে নির্মাণসামগ্রী পরিবহন করাও ব্যয়বহুল। এ অবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিনির্ভর স্থানীয় ইট উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে নির্মাণ খরচ কমানোর পাশাপাশি জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

 

ইটভাটা শুধু ইট উৎপাদনের জায়গা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অসংখ্য মানুষের জীবিকা। শ্রমিক, পরিবহনশ্রমিক, মাটি সরবরাহকারী, গাড়িচালক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয় এই খাতকে ঘিরে।

 

স্থানীয়ভাবে ইটভাটা না থাকায় এ খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। একসময় যারা এ ধরনের কাজে যুক্ত ছিলেন, তাদের অনেকেই বেকার সময় পার করছে না হয় অনৈতিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

 

তাদের মতে, বান্দরবানের প্রতিটি উপজেলায় পরিকল্পিতভাবে শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। পরিবেশের ক্ষতি না করে নিয়ন্ত্রিত ইট উৎপাদনব্যবস্থা চালু করা গেলে স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের দ্বার খুলতে পারে।

 

লামা উপজেলার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, “নিজের বাড়ি নির্মাণ করতে গিয়ে বাইরে থেকে ইট আনতে হয়। ইটের দাম, গাড়িভাড়া ও শ্রমিকের খরচ মিলিয়ে নির্মাণব্যয় অনেক বেড়ে যায়। বান্দরবানে যদি পরিবেশের ক্ষতি না করে নিয়ম মেনে ইট উৎপাদনের ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।”

 

শ্রমিক বজলুল রশিদ বলেন, “কাজের সুযোগ থাকলে এলাকার মানুষকে বাইরে গিয়ে কাজ করতে হতো না। ইটভাটা চালু হলে শ্রমিক, গাড়িচালক ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট অনেক মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে পরিবেশের ক্ষতি করে কোনো কাজ আমরা চাই না।”

 

রুমা উপজেলার মংক্যাচিং মারমার ভাষ্য, “আমাদের এলাকায় উন্নয়নকাজের পাশাপাশি মানুষের ঘরবাড়ি নির্মাণেও ইটের প্রয়োজন হয়। দূর থেকে ইট আনতে গিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়। পরিবেশ রক্ষা করে স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের ব্যবস্থা করা গেলে পাহাড়ি এলাকার মানুষের জন্য ভালো হতো।”

 

বান্দরবানের স্থানীয় ব্যবসায়ী নোমান বলেন, “বান্দরবানে নির্মাণকাজের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু ইটের জন্য বাইরের জেলার ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে সরবরাহ ও দামের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হলে ব্যবসা-বাণিজ্যেও গতি আসবে।”

 

বান্দরবানের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে একদিকে যেমন পরিবেশ সংরক্ষণ জরুরি, অন্যদিকে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান, নির্মাণসামগ্রীর সহজলভ্যতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন।

 

এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে। জেলার কোন এলাকায় পরিবেশগত ঝুঁকি কম, কোথায় শিল্প স্থাপন করা সম্ভব এবং কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করলে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে—এসব বিষয় বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

 

বান্দরবান সদর, রুমা, থানচি, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি ও লামাসহ পুরো জেলার উন্নয়নের স্বার্থে স্থানীয়ভাবে নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার দাবি উঠছে।

 

পরিবেশ রক্ষার নামে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সম্ভাবনা যেন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে না যায়, আবার উন্নয়নের নামে পাহাড়-প্রকৃতিও যেন ধ্বংস না হয় এ দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

 

বান্দরবানবাসীর প্রত্যাশা, পাহাড় থাকবে, পরিবেশও বাঁচবে; পাশাপাশি গড়ে উঠবে কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা।

এপেক্স ক্লাব অব বার-আউলিয়ার সভাপতি আফজাল হোসাইন ফারাবী ও সাধারন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সুমন নির্বাচিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
এপেক্স ক্লাব অব বার-আউলিয়ার সভাপতি আফজাল হোসাইন ফারাবী ও সাধারন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সুমন নির্বাচিত

এপেক্স ক্লাব অব বার-আউলিয়ার সভাপতি আফজাল হোসাইন ফারাবী ও সাধারন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সুমন নির্বাচিত

শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম:

এপেক্স বাংলাদেশের জেলা-৩ এর অন্যতম ক্লাব এপেক্স ক্লাব অব বার আউলিয়ার নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের একটি মিলনায়তনে এপেক্স ক্লাব অব বার-আউলিয়ার ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত এজিএমে সদস্যদের ভোটে ২০২৭ বর্ষের সভাপতি হিসেবে এপেক্সিয়ান আফজাল হোসাইন ফারাবী ও এপেক্সিয়ান শহিদুল ইসলাম সুমন সাধারন সম্পাদক এন্ড ডিনার নোটিশ এডিটর নির্বাচিত হয়। পরে নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচিত সভাপতি ও সেক্রেটারির পরামর্শে এপেক্স ক্লাব অব বার-আউলিয়ার ২০২৭ বর্ষের ১১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এপেক্স ক্লাব অব বার-আউলিয়ার অতীত সভাপতি এপেক্সিয়ান শেখ মহিউদ্দিন আলমগীর এবং অপর দুই সদস্য ছিলেন এপেক্সিয়ান মোঃ মাসুদ ও এপেক্সিয়ান আবু তাহের বেলাল।

 

 

 

 

উক্ত ক্লাবের ১০ম এজিএমে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি এপে. এম বেলাল হোসেন, লাইফ গভর্নর এপে. ডা. জবিউল, জেলা-৩ এর গভর্নর এপে. গোলাম কবির, ন্যাশনাল অফিশিয়াল এপে. হাবিবুর রহমান, পিডিজি এপে. এটিএম ইমরান, পিডিজি এপে. জাকির হোসেন সহ বিভিন্ন ক্লাব থেকে আগত আরও অনেক এপেক্সিয়ানবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ২০২৬ বর্ষের ক্লাব কার্যক্রমের রিপোর্ট উপস্থাপন এবং রিপোর্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে ভোটিংয়ের মাধ্যমে রিপোর্ট পাস করা হয়।

 

 

 

 

এপেক্স ক্লাব অব বার-আউলিয়ার ২০২৭ সালের ক্লাব পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য কর্মকর্তারা হচ্ছেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এপে. ডা. শহীদুল ইসলাম, জুনিয়র সহ-সভাপতি এপে. শাহজাহান সেলিম, সদ্য অতীত সভাপতি এপে. রবিউল হাসান তানজিম, কোষাধ্যক্ষ এপে. রবিউল ইসলাম রবিন, সার্ভিস ডিরেক্টর এপে. চৌধুরী খালিদ বিন সরওয়ার, মেম্বারশিপ এন্ড এটেনডেন্স ডিরেক্টর

 

এপে. জিয়া উদ্দিন, ফেলোশিপ এন্ড পাবলিক রিলেশন ডিরেক্টর এপে. শহিদুল্লাহ, পাবলিক স্পিকিং এন্ড ডিবেটিং ডিরেক্টর এপে. নেওয়াজ শরীফ আরমান ও সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস এপে. মাইনুল ইসলাম রাফসান।