খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“তারেক রহমান তার প্রয়াত পিতা জিয়াউর রহমান কে অনুসরণ করে- দেশের উন্নয়ন করছে লায়ন হেলাল”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
“তারেক রহমান তার প্রয়াত পিতা জিয়াউর রহমান কে অনুসরণ করে- দেশের উন্নয়ন করছে লায়ন হেলাল”।

তারেক রহমান তার প্রয়াত পিতা জিয়াউর রহমান কে অনুসরণ করে- দেশের উন্নয়ন করছে লায়ন হেলাল।

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রবিবার (৭ জুন) বিকাল ৩ টার দিকে সাতকানিয়া পৌরসভার এরাবিয়ান কনভেনশন হলে সাতকানিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য শেফায়েত উল্লাহ চক্ষু’র সভাপতিত্বে

 

পৌর বিএনপি নেতা নূরুল আবছারের সঞ্চালনায়

 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন হেলাল উদ্দিন বলেন-জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি –  তারেক রহমান।আজ আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান তার প্রয়াত পিতা জিয়াউর রহমান কে অনুসরণ করে- দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের বিকাশ, শিক্ষা সংস্কার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জনগণের কল্যাণে নতুন নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতির প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

 

কিন্তু প্রিয় ভাইয়েরা, উন্নয়নের এই পথ কখনো সহজ নয়। ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও প্রতিবন্ধকতা সবসময়ই থাকবে। তাই আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ঐক্যবদ্ধ থাকা, সংগঠনকে শক্তিশালী করা এবং জনগণের পাশে দাঁড়ানো।

 

আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ন্যায়ের পক্ষে।

 

আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সততার পক্ষে।

 

আমরা অনুৎপাদনশীলতার বিরুদ্ধে, উৎপাদনের পক্ষে। আমরা বিভেদের বিরুদ্ধে, ঐক্যের পক্ষে।

 

দলকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। ব্যক্তি নয়, সংগঠনকে প্রাধান্য দিতে হবে। যারা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যারা দলকে ব্যবসা নয় বরং সেবা হিসেবে গ্রহণ করেছেন, তারাই আমাদের সংগঠনের প্রকৃত শক্তি।

 

আসুন, আমরা সবাই মিলে তৃণমূলকে শক্তিশালী করি, গণতন্ত্রকে সুসংহত করি এবং একটি সমৃদ্ধ, উন্নত ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে নিজেদের নিয়োজিত করি।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-

 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য হাজী রফিকুল আলম । দীন মোহাম্মদ মনজুর।ফৌজুল কবির ফজলু।

 

এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান , উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ রহিম,  নুরুল আবছার,

 

এডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী, এডভোকেট ওমর চৌধুরী, নাছির উদ্দীন, আব্দুল মোমেন,   জেলা স্বেচ্ছাসেবক নেতা আবুল হোসেন, ইমরান হোসেন, দিদার হোসেন বাপ্পি।শাহাদাত হোসেন, মো. ইলিয়াস, শামিম সিকদার, মাষ্টার ইসমাইল, ছালেহ আহমদ,নাজির বাদশা, শহীদ, সেলিম বাংলা,মামুন চৌধুরী, আবুল হোসেন, আয়ুব মাষ্টার,আমিন মাষ্টার , আবু ছালেহ,মো: কালাম,কামাল উদ্দিন, যুবদল নেতা জামাল ,,  শাহাদাত, জামাল হাকিম ,

 

শাহাজান,লোকমান,বাদশা,

 

বেলাল সেচছাসেবক দল নেতা আব্বাস উদ্দিন, , এমরান ও আমির হোসেন।শ্রমিক নেতা আবু,জাসস নেতা ইউসুফ।

 

সভাপতি শেফায়েত ঊল্লাহ-চক্ষু তার

বক্তব্যে বলেন- মুক্তিযুদ্ধ ও পরিবর্তিত বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানের অসমান্য অবদানের কথা স্মরণ করে প্রত্যেক জাতীয়তাবাদী কর্মী যাতে  জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেন ,সেই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভা শেষে সাবেক ছাত্রনেতা শহীদ ফকির  ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।