খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

ফুটবলে নতুন দিন: সব বাধা পেরিয়ে মাঠে ফেরাই এখন লক্ষ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
ফুটবলে নতুন দিন: সব বাধা পেরিয়ে মাঠে ফেরাই এখন লক্ষ্য

ফুটবলে নতুন দিন: সব বাধা পেরিয়ে মাঠে ফেরাই এখন লক্ষ্য

স্পোটিং ডেস্ক:

 

ফিফার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে আবাহনী লিমিটেড, বসুন্ধরা কিংস ও ইয়াংমেনস ফকিরেরপুল ক্লাব। বকেয়া মিটিয়ে তারা লাইসেন্সিংয়ের প্রাথমিক বাধা পার করেছে। এটা দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্য বিরাট স্বস্তি।

 

বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ছাড়া ২০২৬-২৭ মৌসুমের লীগের কথা কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ২০০৭ সালে পেশাদার লীগ শুরু হওয়ার পর থেকে এ দুটি ক্লাবই ছয়বার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে। যা ফুটবল অঙ্গনে তাদের প্রভাবের বড় প্রমাণ।

 

মাঠের বাইরের আলোচনা কাটিয়ে এখন দল গঠনের হিড়িক লেগেছে। মোহামেডান শুরু থেকেই ফুরফুরে মেজাজে দল গুছিয়ে বিদেশি কোচ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে আবাহনী চমক দেখিয়েছে নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফরোয়ার্ড মাইকেল বাবাতুন্দেকে দলে নিয়ে। ১৩ দলের অংশগ্রহণে আসন্ন লীগের কাগজ-কলমের শক্তি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই সাতটি দলের মূল শিরোপা দৌড়ে থাকার সম্ভাবনা মৌসুমকে জমজমাট করে তুলবে।

 

২০১৮-১৯ মৌসুমে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বসুন্ধরা কিংস কেবল একটানা পাঁচটি লীগ ট্রফি জয়ই করেনি, দেশের ফুটবল ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটানা এতগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড আর কারও নেই। নারী দলসহ তাদের ট্রফি কেবিনেটে জমা হয়েছে মোট ২০টি শিরোপা। যা এক অনন্য নজির। পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা এবং দারুণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে দলটি তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

 

সাম্প্রতিক সময়ের নানা পারিপার্শ্বিক সংকটে কিংস কঠিন পথ অতিক্রম করলেও পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রেখেছিল। সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের ব্যবস্থাপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোহবানের অব্যাহত সমর্থনে ক্লাবটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

 

শুধু ক্লাব পরিচালনা নয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্রীড়াকাঠামো তৈরি করে দক্ষিণ এশিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা।

 

বসুন্ধরা কিংসের নজর এখন আগামী মৌসুমে সবকটি ট্রফি নিজেদের করে রাখা। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিদায় নিলেও রবসন রোবিনহোর প্রত্যাবর্তন এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে ৩৫ সদস্যের দল ক্লাবটিকে বিশাল মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে। অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচিং প্যানেলের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করে ঐতিহ্য ও সুনামের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরতেই প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস।

তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

 

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং ইউনিয়নের নাছালং পাড়ায় তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ এবং তামাকের বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ সুমন কুমার বসাক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব চনুমং মারমা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রোয়াংছড়ি উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ এহসানুল হক।

 

এ সময় এলাকার তামাক চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। বক্তারা তামাক চাষের ফলে মাটি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব এবং তামাক চাষে কৃষকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তামাকের পরিবর্তে ধান, শাকসবজি, ফলমূলসহ বিভিন্ন লাভজনক ও পুষ্টিকর ফসল চাষের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাহাড়ি এলাকার মাটি ও জলবায়ু উপযোগী বিকল্প ফসল চাষের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে এগিয়ে আসার জন্য কৃষকদের আহ্বান জানানো হয়।

 

উঠান বৈঠকে স্থানীয় তামাক চাষিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা তামাক চাষ থেকে বেরিয়ে এসে বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তার বিষয়ে কৃষকদের আশ্বস্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে চারজন গণমাধ্যমকর্মী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

উঠান বৈঠক শেষে নাছালং পাড়ায় ঝুম ধানের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়। এ সময় পাহাড়ি কৃষির সম্ভাবনা, ঝুম চাষের আধুনিকায়ন এবং কৃষকের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।

 

তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং কৃষকদের বিকল্প ফসল চাষে উৎসাহিত করার মাধ্যমে রোয়াংছড়ির পাহাড়ি কৃষিতে নিরাপদ, টেকসই ও লাভজনক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

‎মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় প্যারাগন শালবাহান লিমিটেডের বর্জ্য পদার্থ কৃষিজমিতে ছড়িয়ে পড়ার কারণে একাধিক কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রুহিয়া উপজেলার ৩ নম্বর রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ী শালবাহান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, পূর্বে এই মিলের আশেপাশের জমিতে ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি না হলেও, সম্প্রতি ফার্মটিতে নতুন একটি জৈব সার কারখানা চালুর পর থেকেই এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর আগে গত বছর বা তারও আগের ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মতে, সাময়িক ক্ষতিপূরণ দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, এর একটি স্থায়ী ও কার্যকর প্রতিকার প্রয়োজন। ভুক্তভোগী কৃষক মোস্তাফিজুর, গুলজার, নাসিরুল, রুহুল আমিন ও হেলাল জানান, বর্জ্য পদার্থের প্রভাবে বর্তমানে তাদের প্রায় ৩ একর জমির করলা খেত নষ্ট হওয়ার পথে। এ বিষয়ে প্যারাগন শালবাহান ফার্মের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম বলেন, কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে একজন কৃষি কর্মকর্তা ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন। তিনি পরিদর্শনের বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিলে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি, এই সমস্যা সমাধানে কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যায় কি না, সেটিও তাদের বিবেচনায় রয়েছে।

বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি

 

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হেব্রন খ্রিস্টান স্কুল মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে বালক ও বালিকা দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি, মালুমঘাট, চকরিয়ার সভাপতি মনতাজন ত্রিপুরা; বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন; উপদেষ্টা মো. নুরুল আবছার; শহীদ আবদুল হামিদ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তফা; লামা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব চৌধুরী মো. সুজন; বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুল হক; ৪ নম্বর বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুর রহমান এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুপ্রভাত ত্রিপুরা।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা স্মীতা ত্রিপুরা।

 

ফাইনাল খেলাকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।