খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

রমজান ও ঈদ উপলক্ষে যশোরে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার। 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
রমজান ও ঈদ উপলক্ষে যশোরে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার। 

রমজান ও ঈদ উপলক্ষে যশোরে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার।

রমজান ও ঈদ উপলক্ষে যশোরে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার। 

মাসুম হোসেন রায়হান বেনাপোল প্রতিনিধি যশোর।

 

রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। জেলা জুড়ে ৭শ’র অধিক পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫টি ফুট প্যাট্রোল টিম, ৬০টি মোবাইল টিম, ১৩টি পিকেট টিম, ২৭টি বাইক মোবাইল ডিউটি টিম ।

উপজেলার পাশাপাশি শহর ও শহরতলি নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। যশোর শহর এবং শহরতলীতে ২৮টি মোবাইল টিম কাজ করবে, যা শহরের প্রধান সড়ক, অলিগলি এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল দেবে। চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে ৪টি বিশেষ পিকেট টিম এবং ৭টি ফুট প্যাট্রোল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন যশোরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী। মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্সরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার বলেন, “রমজান মাস এবং ঈদুল ফিতরকে ঘিরে যশোর জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, “রমজানের শেষ দশকে এবং ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপর থাকবে।”

পুলিশ সুপার জানান, “যশোরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ দল মোতায়েন থাকবে, যাতে অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করা যায় এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানায় কুইক রেসপন্স টিম (QRT) গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, যশোর কোতোয়ালী থানায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল প্রয়োজনে দ্রুত অভিযানে নামবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের একাধিক বাইক টিমও সক্রিয় থাকবে।

তিনি আরও বলেন, রমজান ও ঈদের সময় শহরে মানুষের সমাগম এবং যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়। এ কারণে বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার বলেন, “শহরের যানজট কমানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে। রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে ব্যবসায়ী, রিকশা-ভ্যান শ্রমিক ও মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। রমজান মাসে ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতা থাকে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে যশোর জেলা পুলিশ বিশেষ টিম গঠন করেছে। বিশেষ করে ব্যাংক, শপিং মল ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার এলাকায় পুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে।

পুলিশ সুপার বলেন, “যারা বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন করবেন, তাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ধরনের সন্দেহজনক কিছু মনে হলে নিকটস্থ পুলিশ স্টেশন বা হটলাইন নম্বরে জানানোর অনুরোধ করছি।”

পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সকল নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো যশোরবাসীর জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, যাতে তারা নিশ্চিন্তে রমজান পালন করতে পারে এবং ঈদ উদযাপন করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রুহুল আমিন, সিনিয়র এএসপি (নাভারন সার্কেল) নিশাত আল নাহিয়ান, যশোর ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মনজুরুল হক ভূঁইয়া, যশোর ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর মাফুজুর রহমান এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা।

বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবারের পাশে দানবীর আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবারের পাশে দানবীর আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবারের পাশে দানবীর আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার ৫, ৬, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মরহুম আজরুপ মিয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান, আফ্রিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

 

তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং মরহুম আজরুপ মিয়া ট্রাস্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ৪০০টিরও বেশি বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে নগদ অর্থ, খাদ্যসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। দুর্যোগের কঠিন এই সময়ে তাঁর এমন মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আশার বার্তা হয়ে এসেছে।

 

সাম্প্রতিক বন্যায় বহু পরিবার ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, ফসল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকের ঘরে এখনও চুলা জ্বলেনি, কেউ আবার সন্তানদের নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন। এমন দুঃসময়ে আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

ত্রাণ বিতরণকালে তিনি দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন, তাদের কষ্টের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “মানুষের দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা সামর্থ্য দিয়েছেন বলেই অসহায় মানুষের জন্য সামান্য কিছু করার চেষ্টা করছি।”

 

ত্রাণ পেয়ে উপকারভোগীরা আবেগাপ্লুত হয়ে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এই সহযোগিতা শুধু খাদ্য বা অর্থের সহায়তা নয়, বরং কঠিন সময়ে তাদের পাশে কেউ আছে—এই বিশ্বাস ও সাহসও জুগিয়েছে।

 

স্থানীয়দের মতে, আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরেই নীরবে-নিভৃতে অসহায়, দরিদ্র ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। মানবসেবাকে তিনি নিজের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাঁর এই উদ্যোগ সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী ও দানশীল মানুষের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

 

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রবাসী ও বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক সংগঠন একযোগে এগিয়ে এলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্ভব হবে।

বন্যায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দ্রুত চলাচলের উপযোগী করতে বিকল্প সড়ক সংস্কারের ব্যবস্থা নেন চেয়ারম্যান আবু তাহের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
বন্যায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দ্রুত চলাচলের উপযোগী করতে বিকল্প সড়ক সংস্কারের ব্যবস্থা নেন চেয়ারম্যান আবু তাহের।

বন্যায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দ্রুত চলাচলের উপযোগী করতে বিকল্প সড়ক সংস্কারের ব্যবস্থা নেন চেয়ারম্যান আবু তাহের।

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিকল্প সড়কটি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করতে তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়েছেন ঢেমশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় তিনি উত্তর ঢেমশার বড়ুয়া পাড়া হয়ে চৌধুরীহাট সড়ক সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

স্থানীয় সূত্র জানা যায় সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যায় কেরানিহাট–কাত্তিক দোকান সড়কের একটি অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়ে। চরম ভোগান্তিতে পড়া এলাকাবাসীর বিকল্প যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায় উত্তর ঢেমশার বড়ুয়া পাড়া সড়কটি।

জনদুর্ভোগের বিষয়টি উপলব্ধি করে চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং সড়কটি দ্রুত চলাচল উপযোগী করার নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশ পাওয়ার পরপরই জরুরি সংস্কারকাজ শুরু হয়। এছাড়া, ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে সড়কটি সংস্কারের জন্য বড় পরিসরে উদ্যোগ নেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সঞ্চিতা, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রমজান আলী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার বিভিন্ন স্তরের বাসিন্দারা।

থানচিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
থানচিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ।

থানচিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ।

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: রেমবো ত্রিপুরা।

 

বান্দরবানের থানচি উপজেলার কমলা বাগানপাড়ায় কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উন্নত জাতের ফল চাষে উৎসাহিত করতে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

 

সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), বান্দরবান বাস্তবায়নে এবং পার্টনার প্রকল্পের আওতায় বারি অঙ্গের অর্থায়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের আম্রপালি আমের চারাসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বান্দরবানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পিয়াল হাসান।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা টুটন, উত্তম এবং সরেজমিন গবেষণা বিভাগ ও কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে উন্নত জাতের ফল চাষ সম্প্রসারণ, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষকদের সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বিতরণকৃত চারা ও কৃষি উপকরণের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

 

উপকারভোগী কৃষকরা বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, এ ধরনের সহায়তা তাদের ফলচাষে আগ্রহ বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হতে সহায়ক হবে।