খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি: বান্দরবান বালাঘাটায় দায়সারা ছাত্রাবাস নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
“শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি: বান্দরবান বালাঘাটায় দায়সারা ছাত্রাবাস নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ”।

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি: বান্দরবান বালাঘাটায় দায়সারা ছাত্রাবাস নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পাহাড়ি জনপদের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে নির্মিত হচ্ছিল এই ছাত্রাবাস। বান্দরবান সদর উপজেলার বালাঘাটায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে শিক্ষক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এর লাইসেন্স নিয়ে ঠিকাদার মোঃ মুস্তাক এর তত্ত্ববধানে প্রায় ৭০ লাখ টাকার ব্যায়ে নির্মাণাধীন এই ছাত্রাবাসটিতে রডের বদলে বাঁশ না থাকলেও, বালুর আধিক্য আর ৩ নম্বর ইটের কংকর ব্যবহার এখন ওপেন সিক্রেট। ব্যাবহৃত কংকরের তিন ভাগের দুই ভাগই রাবিশ এর ভরপুর এবং ব্যবহারকৃত লোকাল বালিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ মাটি ও ময়লা এতে করে নিয়মের কোনো তোয়াক্কাই করছেন না এলাকাবাসীর জোরালো অভিযোগ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের পিলার থেকে শুরু করে ছাদ ঢালাই—সবখানেই অনিয়মের ছাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললেও কোনো কর্ণপাত করেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বরং প্রভাবশালীদের নাম ভাঙিয়ে দ্রুত কাজ শেষ করার তোড়জোড় চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানিয়েছেন: “আমরা দেখছি এখানে রাতারাতি কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।সিমেন্টের চেয়ে বালু বেশি দিচ্ছে। আমাদের সন্তানরা এখানে থাকবে, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ছাদের রড বাঁধা শেষ হওয়ার আগেই করা হচ্ছে ছাদ ঢালায়ের কাজ। এমনকি পুরাতন ছাদের সাথে সংযুক্ত না করেই তড়িঘড়ি করে দেওয়া হচ্ছে ছাদ ঢালায়।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, যে ভাবে ছাদের কাজ করা হচ্ছে মনে হয় না ভবনটি বেশিদিন টিকতে পারবে কারণ কাজের গুণগতমান নিয়ে আমারা খুবই চিন্তিত।ঠিকাদারকে আমরা বারবার বলার পরও তিনি কোন কথাই মানছেন না এবং প্রকল্পের দেখাশোনা করার দায়িত্বে থাকা পরিষদের যিনি কর্মকর্তা রয়েছেন মেহেদী সাহেব আমার মনে হয় উনি ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশন বাণিজ্য নিয়ে এই কাজ তড়িঘড়ি করে শেষ করে দিচ্ছেন।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান মহাদয় এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বালাঘাটা স্থানীয় সচেতন মহলের জোর দাবি, উক্ত প্রকল্পের কাজ অতি দ্রুত বন্ধ রেখে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে পুনরায় নতুন ঠিকাদার দিয়ে টেকসই ও মজবুত ভাবে করানো হোক। বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়মের কোনো তোয়াক্কাই করছেন না সুতরাং এমন কাজ না করা উত্তম।

বান্দরবান জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মেহেদী -র কাছে এই কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই কাজে কোন প্রকার অনিয়ম হচ্ছে না বরং আমার সক্রিয় উপস্থিতিতে কাজগুলো করা হচ্ছে। “ছাদের রডের সাথে সংযুক্ত না করেই ঢালাই দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেননি এবং তিনি এ প্রসঙ্গে এড়িয়ে যান।

এই আবাসিক হোস্টেলের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বারবার এই অনিয়ম কাজের বাধা দেওয়ার পরও উনারা কাজ করে গেছেন আমার কথা কোন পাত্তাই দিচ্ছে না।

একজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন: “পাহাড় থেকে আমরা শহরে পড়তে আসি আশ্রয়ের আশায়। কিন্তু ভবনের যে অবস্থা দেখছি, তাতে এখানে থাকতে যে কেও ভয় পেতে বাধ্য হবে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলে ভূ-প্রকৃতি বিবেচনায় ভবনের ভিত্তি বা ফাউন্ডেশন মজবুত হওয়া জরুরি। কিন্তু এখানে মানা হয়নি বিল্ডিং কোড। সরকারি বড় অংকের বাজেট বরাদ্দ থাকলেও তার প্রতিফলন নেই এই কাঠামোতে। অভিযোগের আঙুল ঠিকাদারের দিকে থাকলেও ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি প্রকল্পের সাথে যুক্ত কোনো কর্মকর্তা।

ছাত্রাবাসটি হওয়ার কথা ছিল শত শত শিক্ষার্থীর নিরাপদ আবাস। কিন্তু দুর্নীতির কালো থাবায় এর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। প্রশ্ন উঠেছে, এই ‘দায়সারা’ নির্মাণের দায় শেষ পর্যন্ত নেবে কে? সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর তদারকি ও তদন্তই পারে এই লুটপাট বন্ধ করতে।”

পাহাড়ের প্রান্তিক মানুষের ট্যাক্সের টাকায় নির্মিত এই ভবনটি কি আদৌ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আসবে, নাকি কোনো সিন্ডিকেটের পকেট ভারী করার মাধ্যম হয়েই থাকবে—এমনটাই এখন বড় প্রশ্ন বান্দরবানবাসীর।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

 সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থান গড়লাখালের একাংশে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো কৃষক ও সাধারণ মানুষ। বছরের পর বছর ধরে সাঁতার কেটে বা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত চরম কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে তাদের।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের গড়লাখালের ওপারে কৃষকদের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি রয়েছে। প্রতিদিন চাষাবাদ ও কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ার জন্য কৃষকদের এই খাল পার হতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেতু না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে গাছ ও বাঁশ দিয়ে একটি নড়বড়ে সেতু তৈরি করে যাতায়াত করতেন। কিন্তু চলতি মৌসুমের পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় সেই অস্থায়ী সেতুটিও পানিতে তলিয়ে যায় এবং পুরোপুরি ভেসে যায়। ফলে কৃষকদের চলাচলের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

 

স্থানীয় কৃষকরা জানান, কেঁওচিয়া ১ ও ২নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানের একটি বড় পরিসরে সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। সেতুর জন্য তাঁরা জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে বহুবার ঘুরেছেন, ধরনা দিয়েছেন। কিন্তু কেউ তাঁদের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেনি। চলতি বছর বন্যায় তাঁদের তৈরি করা পুরোনো সেতুটি ভেসে যাওয়ার পর চরম বিপাকে পড়েন তাঁরা। বাধ্য হয়ে কৃষকরা ফের নিজেদের পকেটের টাকা ও স্বেচ্ছাশ্রমে নতুন করে এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। ফসল ঘরে তোলার সময় এই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন করতে গিয়ে তাঁদের নাভিশ্বাস ওঠে।

 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেতু নির্মাণের জায়গা পরিদর্শন করেছেন কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য রফিক উদ্দীন লাভলু, আবদু রহিমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ।

 

পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন বলেন, “এলাকার কৃষকদের যাতায়াত ও চাষাবাদের চরম দুর্ভোগের বিষয়টি আমি স্বচক্ষে দেখেছি। কৃষকদের এই দুর্দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গড়লাখালের এই অংশে কৃষকদের সুবিধার্থে একটি স্থায়ী বা ছোট সেতু নির্মাণের জন্য আমি আমার জায়গা থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাব।”

 

স্থানীয়রা আশা করছেন, জনপ্রতিনিধিদের সদিচ্ছা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপে গড়লাখালে শীঘ্রই একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে হাজারো কৃষকের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ চিরতরে লাঘব করবে।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সাদ্দাম হোসেন ৩০ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে নিহতের চাচা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে নিহতের স্বামীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজাগাঁও (যুগিপুকুর) এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে উক্ত গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) এর সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের মোঃ সাদেকুল ইসলামের মেয়ে আরিফা খাতুন (২১) এর সহিত পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য আরিফার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন সাদ্দাম। বাবা-মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য সাদ্দাম ও তার পরিবারের লোকজন আরিফাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আরিফা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে আপস-মিমাংসা করে আরিফাকে আবারও স্বামীর সংসারে পাঠানো হয়। তবে সংসার পুনরায় শুরু হলেও সাদ্দাম ও তার পরিবারের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা আবারও পূর্বের মতো ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আরিফার ওপর নির্যাতন চালাতে থাকেন। পরবর্তীতে গত ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফা খাতুন। সাদ্দামের পরিবার বিষয়টিকে নিছক ‘আত্মহত্যা’ দাবি করলেও নিহতের বাবার পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, এ বিষয়ে পেনাল কোডের ৩০৬ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে যার মামলা নম্বর: ১১, তারিখ: ২৯/০৭/২০২৬)। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত স্বামী মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়াজার পাড়া থেকে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সাম্প্রতিক বন্যায় মারাত্মকভাবে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বেহাল দশায় থাকা এই সড়কটির একটি বড় অংশ পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে ভেঙে পাশের বিলের সাথে মিশে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সড়কটি দুই ভাগ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সব ধরনের যান চলাচল ও যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

 

জানা যায়, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াতের এটিই একমাত্র প্রধান সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে সড়কের মাঝখানে বড় অংশ ভেঙে বিলীন হয়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি বা অসাবধানতায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কায় রয়েছে এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না করায় এর আগে থেকেই বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল এবং ইট উঠে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এর ওপর সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত হয়ে সড়কের একাংশ সম্পূর্ণ ধসে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিচ্ছিন্ন করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।