“সারাদেশে অব্যাহত নারী- শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের দ্রুত ও যথাযথ বিচার নিশ্চিতের দাবিতে বান্দরবানে বিক্ষোভ সমাবেশ”।
filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 116.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;
সারাদেশে অব্যাহত নারী- শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের দ্রুত ও যথাযথ বিচার নিশ্চিতের দাবিতে বান্দরবানে বিক্ষোভ সমাবেশ।
বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা।
“ধর্ষকের ফাঁসি চাই”, “নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করো”—এমন নানা স্লোগান ও ব্যানার ফেস্টুনে আজ: ২৫ই মে সোমবার বিকালে উত্তাল হয়ে ওঠে বান্দরবান। সারাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া নারী- শিশু নির্যাতন এবং পার্বত্য অঞ্চলের বিলাইছড়িতে জুম্ম ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, থানচি জুম্ম শিশুকে ধর্ষণ, এবং রাজধানীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন বান্দরবান জেলা শাখা।
শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সচেতন নাগরিক এবং ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিরা। বক্তারা অভিযোগ করেন, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণেই পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা।
এ সময় বক্তারা আরো বলেন: “আমরা আর কোনো মায়ের বা বোনের কান্না দেখতে চাই না। ধর্ষক যেই হোক আমরা ধর্ষকের ফাঁসি চাই। সারাদেশে যে হারে নারী ও শিশু নির্যাতন বাড়ছে, তা রুখতে হলে অপরাধীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তারা আরো বলেন, সমতলে নারী-শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়া পরিবার সুস্থ বিচার পাওয়ার নজির থাকলেও পাহাড়ে বিগত সময়ে যত নারী -শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের এখনো পর্যন্ত সুস্থ বিচার পাওয়ার মতো নজির নেই। তাই বক্তারা এসব ঘটনার সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন না হওয়া কে দায়ী করে দ্রুত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে দেশের প্রতিটি কোণায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধে প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।


আপনার মতামত লিখুন
Array