আগের দিনের উস্তাদ বনাম বর্তমান যুগের শিক্ষক কুরআন-হাদিসের আলোকে শিশুদের সঙ্গে শিক্ষকের আচরণ
আগের দিনের উস্তাদ বনাম বর্তমান যুগের শিক্ষক কুরআন-হাদিসের আলোকে শিশুদের সঙ্গে শিক্ষকের আচরণ
প্রতিনিধি | মুহাম্মদ আকতার উদ্দিন
একসময় মাদ্রাসার উস্তাদ ছিলেন শিক্ষক, অভিভাবক ও শাসক। কঠোর শাসনকেও অনেকে শিক্ষার অংশ মনে করতেন। তবে বর্তমান সময়ে শিক্ষকের দায়িত্ব জ্ঞানদানের পাশাপাশি শিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও চরিত্র গঠন নিশ্চিত করা।
আল্লাহ তাআলা বলেন, “আপনি যদি রূঢ় ও কঠোর হৃদয়ের হতেন, তবে তারা আপনার চারপাশ থেকে সরে যেত।” —সূরা আলে ইমরান: ১৫৯।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে আমাদের ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” —তিরমিজি।
শাসন থাকবে, তবে তা যেন শারীরিক আঘাত, অপমান বা অপ্রয়োজনীয় স্পর্শে পরিণত না হয়। শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত সীমারেখা ও নিরাপত্তার প্রতি শিক্ষককে সচেতন থাকতে হবে।
আদর্শ শিক্ষক শুধু কুরআন মুখস্থ করাবেন না; শিক্ষার্থীকে সত্যবাদী, ভদ্র, দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলবেন। ভয় নয়—স্নেহ, হিকমত ও সুন্দর আচরণই হোক শিক্ষার মাধ্যম।
“ভয় দিয়ে নয়—ভালোবাসায় কুরআন শিক্ষা;
শাস্তি দিয়ে নয়—সুন্দর আচরণে চরিত্র গঠন।”
লেখক: মুহাম্মদ আকতার উদ্দিন
চেয়ারম্যান, ক্বলবুল কুরআন ফাউন্ডেশন



আপনার মতামত লিখুন
Array