খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় শাওন একাদশের শিরোপা জয়”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
“চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় শাওন একাদশের শিরোপা জয়”।

চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় শাওন একাদশের শিরোপা জয়।

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের বনপুকুর এলাকায় আয়োজিত “চুনতি বনপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” এর জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ক্রীড়া উৎসবে।

 

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে চুনতি বনপুকুর একতা সংঘ’র উদ্যোগে আয়োজিত ও হাসান নগর ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে পারভেজ একাদশকে ১-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয় করে শাওন একাদশ। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিলেও শেষ পর্যন্ত একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে শাওন একাদশ।

 

ফাইনাল খেলা শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুনতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।উক্ত ফাইনাল খেলায় উদ্বোধক ছিলেন চুনতি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াছিন।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুনতি ইউনিয়নের আমির মুহাম্মদ সলিম উল্লাহ এবং সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শোয়াইব ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক এস এম চিশতি, উপজেলা ছাত্রদল নেতা জাবেদ হাসান, যুবদল নেতা তৈয়বসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

 

খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের পদচারণায় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। টানটান উত্তেজনা, চমৎকার দলীয় সমন্বয় এবং দৃষ্টিনন্দন ফুটবল নৈপুণ্যে ভরপুর ম্যাচটি দর্শকদের ব্যাপকভাবে মুগ্ধ করে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তারা তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন আরও বেশি করে চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

 

খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন শাওন একাদশ এবং রানারআপ পারভেজ একাদশের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় আয়োজক সংগঠন চুনতি বনপুকুর একতা সংঘের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

“কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে রামু পূর্ব সীমান্ত নিউজ ডেস্কের সৌজন্য সাক্ষাৎ”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:৩১ পূর্বাহ্ণ
“কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে রামু পূর্ব সীমান্ত নিউজ ডেস্কের সৌজন্য সাক্ষাৎ”।

কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে রামু পূর্ব সীমান্ত নিউজ ডেস্কের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে রামু পূর্ব সীমান্ত নিউজ ডেস্কের নেতৃবৃন্দের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে আয়োজিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে স্থানীয় রাজনীতি, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ তুলে ধরা এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ছৈয়দ আলম এবং সাধারণ সম্পাদক মায়মুনুল হক মামুন। অন্যদিকে রামু পূর্ব সীমান্ত নিউজ ডেস্কের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি হামিদুল হক মার্সাল, সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন সিকদার, অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এবং তথ্য সম্পাদক শাহাদাত হোসাইন।

 

এ সময় বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ছৈয়দ আলম গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। আপনারা বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণকে সঠিক তথ্য জানাবেন। মানুষ গণমাধ্যমের কাছ থেকে সত্য ঘটনা জানতে চায়। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণে আপনাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

 

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ইতিবাচক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও শক্তিশালী করে এবং জনস্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।

 

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

“বাকি সময়টুকু জনগণের কল্যাণে বিলিয়ে দিতে চান ঢেমশার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তাহের, সততা ও জবাবদিহিতার এক অনন্য প্রতীক”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
“বাকি সময়টুকু জনগণের কল্যাণে বিলিয়ে দিতে চান ঢেমশার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তাহের, সততা ও জবাবদিহিতার এক অনন্য প্রতীক”।

বাকি সময়টুকু জনগণের কল্যাণে বিলিয়ে দিতে চান ঢেমশার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তাহের, সততা ও জবাবদিহিতার এক অনন্য প্রতীক।

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ৮নং ঢেমশা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব মো: আবু তাহের তাঁর সততা, কর্মদক্ষতা এবং নিঃস্বার্থ সমাজসেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি ব্যক্ত করেছেন তাঁর মূল লক্ষ্য— জীবনের বাকি সময়টুকু তিনি সম্পূর্ণভাবে ঢেমশাবাসীর সেবায় ও কল্যাণে বিলিয়ে দিতে চান।

 

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়া এই প্রবীণ সেবক মনে করেন, একটি সমাজ বা ইউনিয়নকে বদলে দিতে হলে শুধু প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, দরকার প্রকৃত দায়িত্বশীল নেতৃত্ব। ঢেমশাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনাব মো: আবু তাহের শুধু একজন জনপ্রতিনিধিই নন, বরং দীর্ঘদিন ধরে ঢেমশার মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা-সম্ভাবনা ও নাগরিক দুর্ভোগের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকা একজন পরীক্ষিত ও দক্ষ জনসেবক। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা এবং পরিচ্ছন্ন ও সৎ ভাবমূর্তি বজায় রাখার কারণে তিনি আজ সর্বস্তরের মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন।

 

বর্তমান বাস্তবতায় ঢেমশা ইউনিয়নের আপামর জনসাধারণ এখন এমন একজন স্থায়ী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছেন, যিনি জনগণের কষ্টকে নিজের মনে করে অনুধাবন করবেন, যিনি ঢেমশার সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বদাই নিজের ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখবেন, এবং যিনি একটি সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় প্রশাসন গড়ে তুলবেন। সাধারণ ভোটারদের মতে, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনে আবু তাহেরের মতো যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতার কোনো বিকল্প নেই।

 

এলাকার সচেতন মহল ও তরুণ সমাজ মনে করে, ব্যক্তি বা দলের সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ঢেমশার বৃহত্তর স্বার্থে এবং একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন বিনির্মাণে সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি। ঢেমশার উন্নয়ন, শান্তি ও অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: আবু তাহের-এর হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ জনগণ আজ একতাবদ্ধ।

“বাঁশখালীতে খড়ের গাদায় আগুনের পর পরিবারের ৬ সদস্য অচেতন, লুটপাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
“বাঁশখালীতে খড়ের গাদায় আগুনের পর পরিবারের ৬ সদস্য অচেতন, লুটপাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য”।

বাঁশখালীতে খড়ের গাদায় আগুনের পর পরিবারের ৬ সদস্য অচেতন, লুটপাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের নতুনপাড়া এলাকায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ মোট ছয়জন রহস্যজনকভাবে অচেতন হয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টির প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে পূর্ব চাম্বল ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনপাড়া এলাকার মো. ইউসূফের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

 

অচেতন ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইউসূফ (৪৭), তার স্ত্রী ফরিদা বেগম (৪২), ছেলে মো. মিনহাজ (২৪), এরফান (১৭), মেয়ে জেরিন আক্তার (১৯) এবং ভাতিজা আব্দুর রহিম (২৮)।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইউসূফের বাড়ির পাশে থাকা একটি খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুন নেভাতে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হয়ে গেলে সেই সুযোগে কেউ রান্না করা খাবারে বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় কোনো পদার্থ মিশিয়ে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে পরিবারের সদস্যরা ওই খাবার খাওয়ার পর একে একে অচেতন হয়ে পড়েন।

 

পরিবারের ১০ বছর বয়সী শিশু জেনি আক্তার ওই রাতে খাবার না খাওয়ায় সুস্থ রয়েছে। তার দাবি, পরিবারের সদস্যরা অচেতন অবস্থায় থাকাকালে এক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ঘরে প্রবেশ করে খাটের ড্রয়ার ভেঙে নগদ প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়।

 

খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াছিন চৌধুরী রিপন ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় শুক্রবার সকালে অচেতন ছয়জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

চাম্বলের ন্যাশনাল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হুমায়ুনুল কবির বলেন, প্রাথমিকভাবে খাদ্যের সঙ্গে বিষাক্ত কোনো পদার্থ মেশানোর আলামত পাওয়া গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আক্রান্তরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তারা আশঙ্কামুক্ত।

 

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থদের খোঁজখবর নিয়েছে। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবশিষ্ট খাবারসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।