খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

ক্রাইম রিপোর্টার।

বহুল আলোচিত ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে এই প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তার কোন হদিস নেই। তেমনি তার সহযোগী হিসেবে জায়গা দখল, চাঁদাবাজি সহ নানান অপকর্মের হোতা ভূমিদস্যু মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনীরও কোন হদিস নেইা। এরা আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পলাতক ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগী হিসেবে মানুষকে জিম্মি করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। তেমনি গাজীপুরের কালীগঞ্জেও তাদের দাপটে আতঙ্কে ছিল সাধারণ মানুষ। এরা সবাই গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানা এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, এক সময়ে গাজীপুরে এসপি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। টানা চার বছর থাকাকালীন সময়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেন মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া। সেই সুবাধে পুরো গাজীপুরে জায়গা দখল, চাঁদাবাজি সহ নানান অপরাদ কর্মকান্ড চালিয়ে তারা। তাদের হাত থেকে অনেক মানুষ নিপিড়ীত হয়েছে এবং মানুষকে জিম্মি করে তাদের স্বার্থ হাসিল করতেন। গাজীপুর সহ বিভিন্ন থানায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও তৎকালীন ডিবি হারুনের সহযোগী হিসেবে কাজ করায় তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। টাকার জন্য এই বাহিনী দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা এমন কিছু নেই যা তা করেনি। সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও বোকা বানিয়েছেন এবং অনেকের চাকুরিও খেয়েছেন তিনি।

এছাড়াও বিএনপি এবং ব্যবসায়ীদের লিষ্ট করে ডিবি পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে তারা আবার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিতেন।
এছাড়াও ৩শ ফিট এলাকায় জায়গা, জমি সহ প্লট বিক্রি করতে গেলেও এই বাহিনীকে চাঁদা দিয়ে কাজ করতে হতো। এসব কিছু সবই সম্ভব হয়েছে পুলিশ কর্মকর্তা ডিবি হারুনের জন্য। শুধু গাজীপুরে নয় তাদের দিয়ে ঢাকা সহ আশেপাশের এলাকাও অপর্কম করিয়েছেন।

২০২২ সালে বহুল আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনী গাজীপুরের কালিগঞ্জ থানাধীন পূর্বাচল ১৬নং সেক্টরে প্লট বাউন্ডারী নির্মাণের কাজে বাধা দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদাদাবি করেন। দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় প্লটের বাউন্ডারী ভেঙে গুড়িয়ে দেন পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগীরা। এই ঘটনায় দবির উদ্দিন এর মেয়ে শাহ ফারহান নিশাত বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানা একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন।

অভিযুক্ত সিরাজুর ইসলাম গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার কালিকুটি এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদ এর ছেলে, একই থানা এলাকার ছানারুল ইসলাম এর ছেলে রাসেল ও বাসাবাসি এলাকার ছবদর আলী নুন্দু ছেলে শাহ জাহান। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর থেকে পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগীরা তাঁর ভয় দেখিয়ে নানা ভাবে হুমকি ধমকি দিতে থাকেন অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০২২ সালের ৭ মার্চ কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩। এদিকে ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুন বাহিনীর সহযোগীদের নামে মামলা দায়ের করেও বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগী হিসেবেও গাজীপুর, ঢাকায় তাঁর এই বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। ৫ আগস্টের পূবেও ডিবি হারুনের সহযোগীতায় বিভিন্ন মানুষের নামেও একের পর মামলা করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকার পতনের পর প্রভাবশালী এই পুলিশ কর্মতর্কা সহ তাঁর বাহিনী সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনী কিছু দিন পলাতক থাকলেও পরবর্তীতে প্রকাশ্যে এসে বিএনপিতে পূর্নবাসনে চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। বিশেষ করে এই বাহিনী যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের হয়েও কাজ করবে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

অপর দিকে পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া সহ তাঁর বাহিনীকে গ্রেফতার করলে বেড়িয়ে আসবে এই পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের গোপন নথিপত্র সহ তাদের অপকর্মের নানান কর্মকান্ড।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

 সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থান গড়লাখালের একাংশে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো কৃষক ও সাধারণ মানুষ। বছরের পর বছর ধরে সাঁতার কেটে বা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত চরম কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে তাদের।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের গড়লাখালের ওপারে কৃষকদের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি রয়েছে। প্রতিদিন চাষাবাদ ও কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ার জন্য কৃষকদের এই খাল পার হতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেতু না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে গাছ ও বাঁশ দিয়ে একটি নড়বড়ে সেতু তৈরি করে যাতায়াত করতেন। কিন্তু চলতি মৌসুমের পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় সেই অস্থায়ী সেতুটিও পানিতে তলিয়ে যায় এবং পুরোপুরি ভেসে যায়। ফলে কৃষকদের চলাচলের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

 

স্থানীয় কৃষকরা জানান, কেঁওচিয়া ১ ও ২নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানের একটি বড় পরিসরে সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। সেতুর জন্য তাঁরা জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে বহুবার ঘুরেছেন, ধরনা দিয়েছেন। কিন্তু কেউ তাঁদের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেনি। চলতি বছর বন্যায় তাঁদের তৈরি করা পুরোনো সেতুটি ভেসে যাওয়ার পর চরম বিপাকে পড়েন তাঁরা। বাধ্য হয়ে কৃষকরা ফের নিজেদের পকেটের টাকা ও স্বেচ্ছাশ্রমে নতুন করে এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। ফসল ঘরে তোলার সময় এই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন করতে গিয়ে তাঁদের নাভিশ্বাস ওঠে।

 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেতু নির্মাণের জায়গা পরিদর্শন করেছেন কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য রফিক উদ্দীন লাভলু, আবদু রহিমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ।

 

পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন বলেন, “এলাকার কৃষকদের যাতায়াত ও চাষাবাদের চরম দুর্ভোগের বিষয়টি আমি স্বচক্ষে দেখেছি। কৃষকদের এই দুর্দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গড়লাখালের এই অংশে কৃষকদের সুবিধার্থে একটি স্থায়ী বা ছোট সেতু নির্মাণের জন্য আমি আমার জায়গা থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাব।”

 

স্থানীয়রা আশা করছেন, জনপ্রতিনিধিদের সদিচ্ছা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপে গড়লাখালে শীঘ্রই একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে হাজারো কৃষকের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ চিরতরে লাঘব করবে।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সাদ্দাম হোসেন ৩০ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে নিহতের চাচা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে নিহতের স্বামীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজাগাঁও (যুগিপুকুর) এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে উক্ত গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) এর সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের মোঃ সাদেকুল ইসলামের মেয়ে আরিফা খাতুন (২১) এর সহিত পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য আরিফার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন সাদ্দাম। বাবা-মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য সাদ্দাম ও তার পরিবারের লোকজন আরিফাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আরিফা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে আপস-মিমাংসা করে আরিফাকে আবারও স্বামীর সংসারে পাঠানো হয়। তবে সংসার পুনরায় শুরু হলেও সাদ্দাম ও তার পরিবারের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা আবারও পূর্বের মতো ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আরিফার ওপর নির্যাতন চালাতে থাকেন। পরবর্তীতে গত ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফা খাতুন। সাদ্দামের পরিবার বিষয়টিকে নিছক ‘আত্মহত্যা’ দাবি করলেও নিহতের বাবার পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, এ বিষয়ে পেনাল কোডের ৩০৬ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে যার মামলা নম্বর: ১১, তারিখ: ২৯/০৭/২০২৬)। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত স্বামী মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়াজার পাড়া থেকে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সাম্প্রতিক বন্যায় মারাত্মকভাবে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বেহাল দশায় থাকা এই সড়কটির একটি বড় অংশ পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে ভেঙে পাশের বিলের সাথে মিশে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সড়কটি দুই ভাগ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সব ধরনের যান চলাচল ও যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

 

জানা যায়, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াতের এটিই একমাত্র প্রধান সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে সড়কের মাঝখানে বড় অংশ ভেঙে বিলীন হয়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি বা অসাবধানতায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কায় রয়েছে এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না করায় এর আগে থেকেই বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল এবং ইট উঠে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এর ওপর সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত হয়ে সড়কের একাংশ সম্পূর্ণ ধসে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিচ্ছিন্ন করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।