খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“লামার ফাঁসিয়াখালীতে অবৈধ ইটভাটা মালিক এমরান-এর কালো টাকার কাছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসন কি ম্যানেজ”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
“লামার ফাঁসিয়াখালীতে অবৈধ ইটভাটা মালিক এমরান-এর কালো টাকার কাছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসন কি ম্যানেজ”।

লামার ফাঁসিয়াখালীতে অবৈধ ইটভাটা মালিক এমরান-এর কালো টাকার কাছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসন কি ম্যানেজ।

বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

বান্দরবানের লামার ৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রঙ্গারঝিরি এলাকায় মসজিদের পাশেই উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাহাড় নিধন এবং বন উজাড়ের মহোৎসবে মেতেছে অবৈধ ইটভাটা মালিক এমরান হোসেন।

 

এই ইটভাটার মালিক এমরান এর বিরুদ্ধে টিনের চিম্মি ব্যবহার পরিবেশ ধ্বংস,অবৈধ জ্বালানি হিসেবে লাকড়ি পোড়ানো সহ শিশুশ্রমের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করেই তিনি এসব অপকর্ম চালাচ্ছেন বলে দম্ভোক্তি করেছেন এই অবৈধ ইটভাটা মালিকের কর্তৃপক্ষ।

 

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,ইটভাটার জ্বালানির চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ আশপাশের সীমান্ত এলাকা সাঙ্গু ও ইয়াংছা মৌজার বনভূমি থেকে নির্বিচারে কাঠ কেটে সাবাড় করা হচ্ছে পাহাড়ি বনাঞ্চল । কয়লার পরিবর্তে বনের কাঠ পোড়ানোর ফলে ওই এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

 

স্থানীয়রা এই প্রতিবেদক আরো জানান,রঙ্গারঝিরি ছোট ছোট নদীর তীরের কৃষি জমি থেকে মাঠি কেটে সাবাড় করে এই ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রশাসনের চোখের সামনে কিন্তু প্রশাসন চুপচাপ নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে…?? রক্ষক যখন বক্ষক হয়..!!

 

এই ইটভাটা মালিকের কাছে প্রশাসনিক বৈধতা ও বন উজাড়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার বৈধতার কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। উল্টো দম্ভের সাথে তারা জানান:”প্রশাসনিক বিষয়গুলোকে আমরা ম্যানেজ করেই কাজ করছি।” কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্যে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে,পরিবেশ আইন লঙ্ঘন হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসন কেন নিরব ভূমিকা পালন করছে? অভিযোগ রয়েছে এই অবৈধ ইটভাটা মালিক এমরানের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইন ও পাহাড়ের মাটি কাটা আইনে এখনো পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ অবৈধ কালো টাকার জুড়ে এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের গোপন তদবিরের রহস্যজনক কারণে এই অবৈধ ইটভাটা মালিক এমরান হোসেন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে নির্বিঘ্নে বন উজাড় ও জমি এবং পাহাড় কাটার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

এখন স্থানীদের প্রশ্ন মতে?? কালো টাকা বড় নাকি প্রশাসনিক আইন বড় দেখার অপেক্ষায় লামার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডবাসী.??

 

পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি এই ইটভাটায় ছোট ছোট বাচ্চা শিশুদের দিয়ে ও কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে,যা শিশুশ্রম আইনে বিদ্যামানে শামিল। এতে একদিকে শিশুদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে আশেপাশে গ্রামের মানুষগুলোর জনজীবনে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিচ্ছে।

 

ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য জৈব বিচিত্র রক্ষা এবং জনজীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে এই ইটভাটায় অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সচেতন পরিবেশ বাদী সংগঠন ও স্থানীয় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সুশীল সমাজিক সংগঠনগুলো।পাহাড় কাটা, জ্বালানি হিসেবে লাকড়ি পোড়ানো বন্ধে প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং এই অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান স্থানীয়রা।

বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন।

বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। আজ: ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্‌যাপিত হয়।

মাছরাঙা টেলিভিশনের বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি কৈশিক দাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস,

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা, বান্দরবান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ নুরুল আবছার চৌধুরী, বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, বান্দরবান জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মহুরী, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকির এবং জেলা তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুদক ) বান্দরবান জেলার সভাপতি অং চ মং মারমা, জেলা সদর সমাজসেবা কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার সহ জেলার কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ রা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাছরাঙা টেলিভিশন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার ও সৃজনশীল অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে দেশের মানুষের মন জয় করেছে। বিশেষ করে বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলের নানা সমস্যা, সম্ভাবনা, সংস্কৃতি ও পর্যটনের চিত্র জাতীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরে এই চ্যানেলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আগামী দিনেও সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে মাছরাঙা টেলিভিশন গণমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে পথচলা অব্যাহত রাখবে বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন।

আলোচনা সভা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নিয়ে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তির কেক কাটার মধ্য দিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘটে।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

 সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থান গড়লাখালের একাংশে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো কৃষক ও সাধারণ মানুষ। বছরের পর বছর ধরে সাঁতার কেটে বা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত চরম কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে তাদের।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের গড়লাখালের ওপারে কৃষকদের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি রয়েছে। প্রতিদিন চাষাবাদ ও কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ার জন্য কৃষকদের এই খাল পার হতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেতু না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে গাছ ও বাঁশ দিয়ে একটি নড়বড়ে সেতু তৈরি করে যাতায়াত করতেন। কিন্তু চলতি মৌসুমের পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় সেই অস্থায়ী সেতুটিও পানিতে তলিয়ে যায় এবং পুরোপুরি ভেসে যায়। ফলে কৃষকদের চলাচলের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

 

স্থানীয় কৃষকরা জানান, কেঁওচিয়া ১ ও ২নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানের একটি বড় পরিসরে সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। সেতুর জন্য তাঁরা জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে বহুবার ঘুরেছেন, ধরনা দিয়েছেন। কিন্তু কেউ তাঁদের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেনি। চলতি বছর বন্যায় তাঁদের তৈরি করা পুরোনো সেতুটি ভেসে যাওয়ার পর চরম বিপাকে পড়েন তাঁরা। বাধ্য হয়ে কৃষকরা ফের নিজেদের পকেটের টাকা ও স্বেচ্ছাশ্রমে নতুন করে এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। ফসল ঘরে তোলার সময় এই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন করতে গিয়ে তাঁদের নাভিশ্বাস ওঠে।

 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেতু নির্মাণের জায়গা পরিদর্শন করেছেন কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য রফিক উদ্দীন লাভলু, আবদু রহিমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ।

 

পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন বলেন, “এলাকার কৃষকদের যাতায়াত ও চাষাবাদের চরম দুর্ভোগের বিষয়টি আমি স্বচক্ষে দেখেছি। কৃষকদের এই দুর্দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গড়লাখালের এই অংশে কৃষকদের সুবিধার্থে একটি স্থায়ী বা ছোট সেতু নির্মাণের জন্য আমি আমার জায়গা থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাব।”

 

স্থানীয়রা আশা করছেন, জনপ্রতিনিধিদের সদিচ্ছা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপে গড়লাখালে শীঘ্রই একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে হাজারো কৃষকের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ চিরতরে লাঘব করবে।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সাদ্দাম হোসেন ৩০ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে নিহতের চাচা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে নিহতের স্বামীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজাগাঁও (যুগিপুকুর) এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে উক্ত গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) এর সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের মোঃ সাদেকুল ইসলামের মেয়ে আরিফা খাতুন (২১) এর সহিত পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য আরিফার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন সাদ্দাম। বাবা-মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য সাদ্দাম ও তার পরিবারের লোকজন আরিফাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আরিফা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে আপস-মিমাংসা করে আরিফাকে আবারও স্বামীর সংসারে পাঠানো হয়। তবে সংসার পুনরায় শুরু হলেও সাদ্দাম ও তার পরিবারের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা আবারও পূর্বের মতো ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আরিফার ওপর নির্যাতন চালাতে থাকেন। পরবর্তীতে গত ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফা খাতুন। সাদ্দামের পরিবার বিষয়টিকে নিছক ‘আত্মহত্যা’ দাবি করলেও নিহতের বাবার পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, এ বিষয়ে পেনাল কোডের ৩০৬ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে যার মামলা নম্বর: ১১, তারিখ: ২৯/০৭/২০২৬)। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত স্বামী মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।