খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সাতকানিয়ায় জাহিদ হত্যা মামলায় বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ ১২ আসামি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় জাহিদ হত্যা মামলায় বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ ১২ আসামি গ্রেপ্তার

সাতকানিয়ায় জাহিদ হত্যা মামলায় বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ ১২ আসামি গ্রেপ্তার

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে জাহেদুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ ১২ এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পৃথক দুটি অভিযানে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকা থেকে ২ জন ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন— পুরানগড় ইউনিয়ন বিএনপির সংগঠক মো. জসিম উদ্দিন প্রকাশ মিষ্টি জসিম, উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রদল নেতা জয়নাল আবেদীন মানিক, পুরানগড় ইউনিয়ন যুবদলের সংগঠক মোহাম্মদ রিদোয়ান ইসলাম ও টিপু প্রকাশ মিষ্টি টিপু এবং আবু মাজহারুল ইসলাম ইফাজ, আব্দুল্লাহ আল তুষার, খোরশেদ আলম ওরফে ফারুক, মো. রবিউল হোসেন রবি, আবুল কাশেম প্রকাশ লইট্ট্যা কাশেম, হাবিবুর ইসলাম ওরফে হাবিব, মো. আজাদ ও মো. হেলাল। ফলে এ মামলার ৫ নম্বর আসামি মো. সাজ্জাদ ব্যতীত সকল এজাহারনামীয় আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে।

 

হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন পর (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত জাহেদুল ইসলামের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন প্রকাশ মিষ্টি জসিমকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নাম উল্লেখপূর্বক ৫ থেকে ৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

 

গ্রেপ্তারদের মধ্যে এক আসামির স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে খবরের কাগজকে জানিয়েছেন, তারা ১০ জন গ্রেপ্তার এড়িয়ে হাইকোর্ট থেকে জামিনের উদ্দেশ্যে ঢাকা গিয়েছিলেন৷ মূলত সেখান থেকেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর বাকি ২ জন চট্টগ্রাম নগরী থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে।

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে মো. আজাদকে গতকাল বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত অন্যান্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ, ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং তদন্তে প্রাপ্ত অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত অবশিষ্ট আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর নিহত জাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন আইনে অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

 

গত (৭ সেপ্টেম্বর) পুরানগড় ইউনিয়নের নতুনহাট এলাকায় জাহেদুল ইসলাম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন প্রকাশ মিষ্টি জসিমকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর একাংশ।

 

মানববন্ধনে বক্তারা মামলাটিকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর তাদের আস্থা রয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করেন। পাশাপাশি জসিমকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিও জানান।

 

অপরদিকে, গত (১২ সেপ্টেম্বর) পুরানগড় ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মনেয়াবাদ গ্রামের জাহেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন।

 

ওই সময় নিহতের মা ও মামলার বাদী মনোয়ারা বেগম, বড় বোন রূপা, খালা শাহানারা বেগম, মামা আজমত আলী ও যুবদল নেতা মোহাম্মদ ইসমাঈল উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

প্রসঙ্গত, জাহেদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পর এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে উত্তর সাতকানিয়ার সাংগঠনিক উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী রাজিব ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে অবশ্যই সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বান্দরবান সদর রেইচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলীকে দেখতে চান স্থানীয়রা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
বান্দরবান সদর রেইচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলীকে দেখতে চান স্থানীয়রা

বান্দরবান সদর রেইচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলীকে দেখতে চান স্থানীয়রা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান সদর উপজেলার রেইচা-গোয়ালিয়াখোলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার একটি অংশ বান্দরবান জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলীকে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

 

ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন মোহাম্মদ আলী। এলাকার সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণের কারণে স্থানীয়দের মাঝে তাঁর একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ এবং স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন।

 

স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশা, জনসম্পৃক্ততা, এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের মানসিকতা বিবেচনায় নিয়ে মোহাম্মদ আলী যদি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে এলাকার উন্নয়ন গতিশীল হবে।

 

তবে স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম নিয়ে আলোচনা চললেও, চূড়ান্ত প্রার্থিতা বা দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারক ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।

 

এদিকে, একজন জনপ্রিয় যুবনেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সামনে আসায় রেইচা-গোয়ালিয়াখোলা ইউনিয়নের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে সমীকরণ শুরু হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কোনো ঘোষণা দেন কি না। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ভোটাররা এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন।

জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২৬ এর ১ম সেমিফাইনাল সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২৬ এর ১ম সেমিফাইনাল সম্পন্ন

জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২৬ এর ১ম সেমিফাইনাল সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আর ক্রীড়াপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬-এর প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচ। ওয়াই জংশন যুব সমাজের সার্বিক আয়োজনে এই টুর্নামেন্ট স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মাঝে দারুণ উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

বুধবার (১৬ই সেপ্টেম্বর) বান্দরবান সদরের ওয়াই জংশন ১২ মাইল মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি উপভোগ করতে শত শত দর্শক মাঠে ভিড় জমান। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ এই খেলায় উভয় দলের খেলোয়াড়দের নান্দনিক ক্রীড়াশৈলী উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে বিমোহিত করে।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য এবং জেলা বিএনপির সদস্য চনুমং মার্মা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় কারবারী রেংপর ম্রো।

খেলা শুরুর পূর্বে প্রধান অতিথি খেলোয়াড়দের সাথে মাঠে পরিচিত হন এবং একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য চলুমং মার্মা বলেন, মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই সেমিফাইনালে থানচি ইয়াং ম্রো এফসি দল দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ২-১ গোলে শক্তিশালী ৯ মাইল সিনিয়র ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে। এই জয়ের সুবাদে থানচি ইয়াং ম্রো এফসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিজেদের আসন পাকা করে নেয়।

পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণদের মাঝে ক্রীড়াসচেতনতা বৃদ্ধি ও খেলাধুলার এই পরিবেশ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এমন টুর্নামেন্ট অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বান্দরবানে শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগে চিকিৎসক মানিক কুমার নাথ আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগে চিকিৎসক মানিক কুমার নাথ আটক

বান্দরবানে শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগে চিকিৎসক মানিক কুমার নাথ আটক

বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

বান্দরবান সদর উপজেলার রেইচা এলাকায় এক ১২ এর শিশু মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ডা. মানিক কুমার নাথ নামের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর পরই স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রেইচা এলাকার স্থানীয় একটি চেম্বারে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশু ক্যানভাসারের মাধ্যমে ডা. মানিক কুমার নাথের নিকট পৌঁছায়। অভিযোগ ওঠে, তিনি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অজুহাতে ওই শিশুটিকে শ্লীলতাহানি করেন। শিশুটি পরবর্তীতে বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

 

খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা ডা. মানিক কুমার নাথকে ঘটনাস্থলে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং পরবর্তীতে রেইচা ক্যাম্প পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

 

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, রেইচা এলাকায় শিশু শ্লীলতাহানির একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক চিকিৎসককে পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।