খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং -এর উদ্যোগে বান্দরবানে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং -এর উদ্যোগে বান্দরবানে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 49.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং -এর উদ্যোগে বান্দরবানে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা।

 

পাহাড়ি জেলা বান্দরবানের প্রত্যন্ত অঞ্চল সহ সদরের অসহায় ও দুস্থ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং ও চট্টগ্রাম লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় এবং সদর উপজেলাস্থ‌‌‌ সদর, সুয়ালক, রেইছা, রাজবিলা, টংকাবতী ও কুহালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগদের সার্বিক সহযোগিতায় সহ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক বিশিষ্ট সমাজসেবী উছোমং ও সাংবাদিক মাহাবুব হাসান খান বাবুল এর তত্বাবধানে এ আয়োজন জেলা সদরের রেইছা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।

 

আজ: ৪ঠা জুলাই শনিবার সকাল থেকেই চোখ এবং অনান্য রোগের পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে ভিড় জমান শত শত চক্ষু রোগী।

 

আয়োজিত দিনব্যাপী এই ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার, লেখক, কবি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ উঃ মং উষাথোয়াই, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং ও সভায় সভাপতিত্ব করেন, বিশিষ্ট সমাজকর্মী উছোমং মার্মা সহ ক্যাম্পে আগত শত শত রোগী, স্বেচ্ছাসেবক, নিরাপত্তাকর্মী ও জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ রা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

ক্যাম্পে আগত রোগীদের চোখের প্রাথমিক দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা, ওষুধ প্রদান ও ছানি শনাক্তকরণসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ এবং চশমাও বিতরণ করা হয়। এছাড়া ছানি পড়া রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। এবং পরবর্তীতে তাদের চট্টগ্রাম লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করানো হবে।

 

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা উপকারভোগীরা জানান: আমাদের পাহাড় থেকে শহরে গিয়ে ডাক্তার দেখানো অনেক খরচের ব্যাপার। এখানে ফ্রিতে চোখ দেখানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সকল ধরণের সেবা সহ ওষুধ পেয়েছি।আমাদের খুব উপকার হয়েছে এবং আয়োজক ও উদ্যোক্তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

 

আয়োজক কমিটি জানায়: বান্দরবানের দুর্গম এলাকার অনেকেই সচেতনতার অভাবে বা আর্থিক সমস্যার কারণে চোখের জটিলতায় ভোগেন এবং চিকিৎসা করার মতো সামর্থ্য থাকে না। তাই তাদের কথা চিন্তা করে আমরা চেষ্টা করেছি প্রাথমিক পর্যায় চোখের সমস্যা শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ছানি অপারেশন করে তাদের অন্ধত্বের হাত থেকে রক্ষা করতে। এই ধরনের মানবিক কার্যক্রম আমাদের সামনেও অব্যাহত থাকবে।

 

আয়োজিত দিনব্যাপী এই ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও অনান্য রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা প্রায় ২ হাজার পাঁচশত জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। দুর্গম পাহাড়ে এমন মানবিক উদ্যোগ অন্ধত্ব দূরীকরণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

বান্দরবানের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসির ঝিলিক এনে দেওয়া এই চক্ষু ক্যাম্প জেলাজুড়ে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সেনেগালে যুব অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বান্দরবানের বক্সার নয়ন ত্রিপুরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
সেনেগালে যুব অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বান্দরবানের বক্সার নয়ন ত্রিপুরা

সেনেগালে যুব অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বান্দরবানের বক্সার নয়ন ত্রিপুরা

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা তুলে ধরার স্বপ্ন নিয়ে সেনেগালের রাজধানী ডাকারে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের চতুর্থ যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন বান্দরবানের উদীয়মান তরুণ বক্সার নয়ন ত্রিপুরা। দেশের হয়ে এমন ঐতিহাসিক এক আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর এই অংশগ্রহণের খবরে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানসহ সমগ্র পার্বত্য অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও উদীয়মান তরুণদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ ও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

 

বাংলাদেশ বক্সিং দলের হয়ে বিশ্বমানের এই ক্রীড়া আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগ নয়ন ত্রিপুরার ক্রীড়াজীবনে এক অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। দেশসেরা ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—বিকেএসপি (BKSP)-র সঙ্গে যুক্ত এই তরুণ বক্সার নিজের অদম্য মেধা, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার এই গৌরব অর্জন করেছেন।

 

যুব অলিম্পিকের টিকিট পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তরুণ বক্সার নয়ন ত্রিপুরা বলেন, “যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের অন্যতম বড় একটি স্বপ্ন পূরণ। বিকেএসপির কোচ ও সংশ্লিষ্ট সকলের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং আমার কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ আমি এই জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি। পাহাড়ি এলাকার সীমিত সুযোগ-সুবিধাকে পেছনে ফেলে আমি দেশের লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বমঞ্চে উড্ডীন করতে চাই। সবার কাছে দোয়া ও আশির্বাদ প্রার্থী, যেন রিংয়ে নিজের সেরাটা দিয়ে দেশের জন্য একটি সম্মানজনক পদক উপহার দিতে পারি।”

 

পাহাড়ঘেরা বান্দরবান কেবল রূপসী প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির জন্যই পরিচিত নয়, বরং অদম্য সম্ভাবনাময় ক্রীড়া প্রতিভার এক অপার আধার হিসেবেও নিজের পরিচয় গড়ে তুলছে। নানা প্রতিকূলতা ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধাস্বচ্ছতার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ অঞ্চলের তরুণেরা খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বারবার নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। সুশীল সমাজ ও স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের মতে, নয়ন ত্রিপুরার এই আন্তর্জাতিক যাত্রা পার্বত্য অঞ্চলের উদীয়মান ক্রীড়াবিদদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং পাহাড়ি এলাকার তরুণদের খেলাধুলায় আসার ক্ষেত্রে বিশাল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

 

যুব অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক মর্যাদাপূর্ণ আসরে অংশগ্রহণ একজন ক্রীড়াবিদের দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা অর্জনের সেরা সুযোগ। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে নয়নের উপস্থিতি দেশের উদীয়মান বক্সিং অঙ্গনকে এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে পেশাদার খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।

 

নয়ন ত্রিপুরার এই অর্জন বান্দরবানবাসীকে গর্বিত করেছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের প্রত্যাশা—আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি নিজের সর্বসেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশের সম্মান ও লাল-সবুজের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন। তাঁর এই বৈশ্বিক যাত্রা কেবল তাঁর ব্যক্তিগত বা বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সাফল্য নয়, বরং পুরো বান্দরবান ও পার্বত্য অঞ্চলের তরুণ সমাজের জন্য এক দারুণ উদ্দীপনার উদাহরণ।

 

বিশ্বমঞ্চে নয়ন ত্রিপুরার হাত ধরে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা আরও উঁচুতে উড্ডীন হোক এবং শুভকামনা রইল যেন তিনি দেশের জন্য গৌরবময় সাফল্য বয়ে নিয়ে আসতে পারেন—এমনটাই প্রত্যাশা বান্দরবানসহ সমগ্র দেশবাসীর।

সেনেগালে যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন বান্দরবানের তরুণ বক্সার নয়ন ত্রিপুরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
সেনেগালে যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন বান্দরবানের তরুণ বক্সার নয়ন ত্রিপুরা

সেনেগালে যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন বান্দরবানের তরুণ বক্সার নয়ন ত্রিপুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা তুলে ধরার স্বপ্ন নিয়ে সেনেগালে ডাকার অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের চতুর্থ যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন বান্দরবানের তরুণ বক্সার নয়ন ত্রিপুরা। তাঁর এই অংশগ্রহণের খবর বান্দরবানসহ পার্বত্য অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমী ও তরুণদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

 

বাংলাদেশ বক্সিং দলের হয়ে আন্তর্জাতিক এই ক্রীড়া আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগ নয়ন ত্রিপুরার ক্রীড়াজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—বিকেএসপির সঙ্গে যুক্ত এই তরুণ বক্সার নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন।

 

পাহাড়ঘেরা বান্দরবান প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির পাশাপাশি সম্ভাবনাময় তরুণদের জন্যও পরিচিত। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এ অঞ্চলের তরুণেরা খেলাধুলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। নয়ন ত্রিপুরার এই আন্তর্জাতিক যাত্রা পার্বত্য অঞ্চলের তরুণ ক্রীড়াবিদদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

 

যুব অলিম্পিকের মতো আন্তর্জাতিক আসরে অংশগ্রহণ একজন ক্রীড়াবিদের দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। একই সঙ্গে এ ধরনের অংশগ্রহণ দেশের বক্সিং অঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় আগ্রহী করে তোলার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

 

নয়ন ত্রিপুরার এই অর্জনকে ঘিরে বলেন , বান্দরবানবাসীর প্রত্যাশা—আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি নিজের সেরাটা তুলে ধরবেন এবং দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখবেন। তাঁর এই যাত্রা সফল হলে তা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবেই নয়, বরং বান্দরবান ও পার্বত্য অঞ্চলের তরুণদের জন্যও অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে থাকবে।

 

বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়ন ত্রিপুরার এই যাত্রা সফল হোক—এমনটাই প্রত্যাশা সবার। তাঁর হাত ধরে বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল হোক বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা, গৌরবান্বিত হোক বান্দরবান।

 

নয়ন ত্রিপুরা ও বাংলাদেশ বক্সিং দলের জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা।

বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে মন্ত্রীর মতবিনিময়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে মন্ত্রীর মতবিনিময়

বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে মন্ত্রীর মতবিনিময়

মো. আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, খেলাধুলার প্রসার এবং স্থানীয় ক্রীড়াবিদদের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।

 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বান্দরবান হিল রানার্সসহ ফুটবল, ক্রিকেট, কারাতে, বক্সিং, উশু, দাবা, কাবাডি ও হকির সঙ্গে যুক্ত ক্রীড়াবিদ ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বান্দরবান জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম।

 

সভায় মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে সরকার কাজ করছে। বান্দরবানে স্টেডিয়াম সংস্কার ও নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ক্রীড়াবিদেরা যাতে সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

তিনি আরও বলেন, স্টেডিয়ামগুলোর উন্নয়ন হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির সুযোগও সম্প্রসারিত হবে।

 

জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা বলেন, জেলার বিভিন্ন খেলার উন্নয়ন, ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং খেলাধুলার পরিবেশ উন্নত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

 

সভায় বান্দরবান হিল রানার্সের সভাপতি ডা. শান্তনু দাশ বলেন, কিশোর-তরুণসহ সব বয়সী মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে হিল রানার্স কাজ করছে। তিনি সবাইকে নিয়মিত খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও জানান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দুটি ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বান্দরবান হিল রানার্সের ১০ থেকে ১২ জন সদস্য।

 

বান্দরবান ফুটবল রেফারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিমুল দাশ বলেন, রেফারিদের কাজের সুবিধার জন্য বান্দরবানে একটি পৃথক কক্ষ প্রয়োজন। এ ছাড়া স্থানীয় রেফারিদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ ও সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।

 

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবর রশিদ ও সা শৈ প্রু, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য (ক্রীড়া) কাজী নিরুতাজ বেগম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি উম্মে কুলসুম লীনা, বান্দরবান হিল রানার্সের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ, বান্দরবান বক্সিং একাডেমির চেয়ারম্যান মো. মাহফুজুর রশিদ বাচ্চু, জেলা ফুটবলের সিনিয়র কোচ মো. শহীদুল রহমান (সোহেল) এবং বান্দরবান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের সদস্যরা।

 

এ সময় ক্রীড়াবিদ ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।