কক্সবাজারে অবস্থানকালে বাঁশখালীতে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ: অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}
কক্সবাজারে অবস্থানকালে বাঁশখালীতে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ: অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ
মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার মিনজিরীতলা এলাকার কথিত এক আলেমকে চট্টগ্রাম শহরে মারধরের ঘটনায় নিজের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন নিউজ পেজে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।
তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রামে ছিলেন না; বরং ভাগিনা সামিউল কুতুবীর কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্নিয়ার অপারেশন হওয়ায় তাকে দেখতে কক্সবাজারে অবস্থান করছিলেন।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি জানান, গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ ইং, সকাল আনুমানিক ১১টায় তিনি ও তার বন্ধু শাহাবুদ্দিন রবিন চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকা থেকে স্বাধীন ট্রাভেলস যোগে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কক্সবাজারে গিয়ে তিনি তার বড় বোনের বাড়িতে অবস্থান করেন এবং সেখানে শুক্রবার রাত যাপন করেন।
তিনি আরও জানান, পরদিন শনিবার রাতে আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে পূরবী বাসযোগে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ফিরে আসেন। তার দাবি, মোবাইল ফোনের লোকেশন যাচাই করলে ওই সময়ে তার অবস্থান কোথায় ছিল, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হবে।
প্রতিবাদকারী বলেন, তিনি কক্সবাজারে অবস্থানকালে জানতে পারেন যে, বাঁশখালীর মিনজিরীতলা এলাকার ‘বিএস মোল্লা’ নামে পরিচিত এক আলেমকে চট্টগ্রাম শহরে কে বা কারা মারধর করেছে বলে আলোচনা চলছে। তবে ঘটনাটি সত্য না মিথ্যা কিংবা কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত—সে বিষয়ে তার কোনো তথ্য নেই বলে তিনি দাবি করেন।
তার অভিযোগ, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাই না করেই বাঁশখালীতে সাংবাদিকতার নামে পরিচালিত কয়েকটি অনলাইন পেজে তার নেতৃত্বে ওই ব্যক্তিকে মারধর করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি এসব সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গণমাধ্যমের উচিত নয় যাচাই-বাছাই ছাড়া কারও বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা। এতে একজন নিরপরাধ ব্যক্তি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি তার সম্মান ও নিরাপত্তারও ক্ষতি হতে পারে।
তিনি বলেন, “সাংবাদিক সমাজকে জনগণের বিবেক বলা হয়। কিন্তু যাচাই-বাছাই ছাড়া যদি সাংবাদিকতার নামে অপপ্রচার ও অপ-সাংবাদিকতা করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং প্রকৃত সাংবাদিকতার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।”
প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট অনলাইন পেজ ও সংবাদমাধ্যমগুলোকে ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান তিনি।
তার দাবির সমর্থনে স্বাধীন ট্রাভেলসের কাউন্টারের সিসিটিভি ফুটেজ, কক্সবাজার যাওয়া ও চট্টগ্রামে ফেরার বাসের টিকিট এবং প্রয়োজনে মোবাইল ফোনের লোকেশন তথ্য যাচাই করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন
Array