খুঁজুন
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।

কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।

 

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলার পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। শুরুতে তীব্র তাপদাহের কারণে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও সোমবার (২৫ মে) কেশবপুর বড় পশুর হাটে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতিতে পুরো হাটজুড়ে বিরাজ করছে কোরবানির উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলার কেশবপুর বড় হাট, সরসকাটি, সাতবাড়িয়া, বগা, শুড়িঘাটা, ভান্ডারখোলা ও মঙ্গলকোট পশুর হাটে এখন চলছে কোরবানির পশু কেনাবেচার ব্যস্ততা। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি যশোর, খুলনা, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা গরু ও ছাগল নিয়ে আসছেন। একইভাবে দূর-দূরান্তের ক্রেতারাও ভিড় করছেন এসব হাটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের গরু বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। এছাড়া ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা দামের ছাগলও রয়েছে পর্যাপ্ত। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অনেক খামারি তাদের পশুর ভিন্নধর্মী ও আকর্ষণীয় নামও রেখেছেন।

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় কোরবানির উপযোগী গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৩১টি। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৩ হাজার ৪৫৯টি এবং ছাগল, ভেড়া ও মহিষ রয়েছে ১০ হাজার ৮৬৪টি। উপজেলার চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত ৬৫৯টি পশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

তবে পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এ অবস্থায় বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার আশঙ্কায় অনেক খামারি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

হাসানপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ওজিয়ার রহমান এবং বাউশলা গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, “এবার স্থানীয় জাতের গরু-ছাগলের সরবরাহ ভালো। কিন্তু সেই তুলনায় বাজারে দাম কিছুটা কম। তবে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ কম থাকায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন।”

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, “উপজেলায় অসংখ্য ছোট-বড় খামারি সারা বছর ধরে কোরবানির পশু লালন-পালন করেন। তারা যদি ন্যায্যমূল্য না পান, তাহলে ভবিষ্যতে পশুপালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।”

তিনি আরও বলেন, “এ বছর কোরবানির পশুর সরবরাহ সন্তোষজনক। ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ না থাকায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা লাভবান হচ্ছেন। কেশবপুরের বড় পশুর হাটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আসছেন। হাটে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।”

“বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিম পাড়ায় স্মাইল বাংলাদেশের কোরবানি আয়োজন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
“বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিম পাড়ায় স্মাইল বাংলাদেশের কোরবানি আয়োজন”।

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিম পাড়ায় স্মাইল বাংলাদেশের কোরবানি আয়োজন।

মো.আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

 

কোরবানির ঈদের আনন্দ এবার ভাগাভাগি হলো বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত নওমুসলিম পাড়ার ৫৫টি পরিবারের সঙ্গে। মানবিক সংগঠন “স্মাইল বাংলাদেশ”-এর উদ্যোগে সেখানে একটি গরু কোরবানি করে মাংস বিতরণ করা হয়।

 

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর ১২টায় এ কোরবানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছরের মতো এ বছরও সংগঠনটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করে।

 

পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই নওমুসলিম পাড়ার পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট ও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সাধারণভাবে কোরবানির আয়োজন থেকে বঞ্চিত থাকে। ফলে ঈদের দিনও তাদের জীবনযাপন প্রায় অন্যান্য সাধারণ দিনের মতোই কাটে।

 

এমন বাস্তবতায় স্মাইল বাংলাদেশের এই মানবিক উদ্যোগে প্রতিটি পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়া হলে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। ঈদের আনন্দে যুক্ত হয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলোর মুখে তৃপ্তি ও সন্তোষের হাসি।

 

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এমন উদ্যোগ তাদের ঈদের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে। মানবিক এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারী সকল ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

 

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় মানুষদের ঈদের আনন্দ আরও বিস্তৃত হবে।

“ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে সাতকানিয়ায় ২ দিনব্যাপী ঈদ পুনর্মিলনী: ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
“ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে সাতকানিয়ায় ২ দিনব্যাপী ঈদ পুনর্মিলনী: ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন”।

ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে সাতকানিয়ায় ২ দিনব্যাপী ঈদ পুনর্মিলনী: ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন।

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 

ঈদের অনাবিল আনন্দ ও উৎসবের আমেজকে আরও দ্বিগুণ করতে ঐতিহ্যবাহী সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বন্ধন ও গরিবারঝিল ছোট-ঢেমশা সমাজ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে টুর্নামেন্টের আকর্ষণীয় ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক,ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আফসার উদ্দিন,ফরিদুল আলম,আইয়ুব আলী, ব্যাংকার এনামুল হক,গরিবারঝীল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জার্সি-ট্রফি উন্মোচন করেন। দুই দিনব্যাপী এই ঈদ পুনর্মিলনী উৎসবের মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছে জমজমাট বিভিন্ন খেলাধুলা, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং বর্ণিল প্রীতিভোজ।

 

এ সময় বক্তারা বলেন “ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে তরুণ ও প্রবীণদের এই মেলবন্ধন সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান সময়ে যখন যুবসমাজ স্মার্টফোনের আসক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে, ঠিক তখন এমন আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী। মাঠের খেলাধুলা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকার যুবসমাজ সব ধরনের অপরাধমূলক কাজ, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো পথভ্রষ্টতা থেকে দূরে থাকবে। সুস্থ ধারার বিনোদনই পারে একটি সুন্দর ও আদর্শ সমাজ উপহার দিতে।”

 

আয়োজকমিটির প্রতিনিধিরা বলেন “আমাদের মূল লক্ষ্য শুধু উৎসব করা নয়; বরং বন্ধন ও গরিবারঝিল ছোট-ঢেমশা সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও একতা বজায় রাখা। ঈদের এই আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই আমরা খেলাধুলার পাশাপাশি ‘ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প’ এর ব্যবস্থা করেছি, যাতে এলাকার সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি, এলাকার তরুণদের হাত ধরেই এই সমাজ আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। এই আয়োজনকে সফল করতে আমরা এলাকাবাসী সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।”

 

দুই দিনব্যাপী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশেষ করে তরুণদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ট্রফি ও জার্সি উন্মোচনের মধ্য দিয়েই মূলত শুরু হয়েছে আগামীকাল ঈদের দ্বিতীয় শুক্রবার খেলাধুলা ও তৃতীয় দিন শনিবার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।

“রুহিয়ায় ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা ঈদগাহ্ ময়দানে নামাজ আদায়”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
“রুহিয়ায় ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা ঈদগাহ্ ময়দানে নামাজ আদায়”।

রুহিয়ায় ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা ঈদগাহ্ ময়দানে নামাজ আদায়।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

উৎসবমুখর আর আনন্দঘন পরিবেশে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায়, টাঙ্গন নদীর তীরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা জাতীয় ঈদগাহ্ ময়দানে ঢল নামে হাজারো মুসল্লির। প্রায় ছয়শত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক এই ময়দানে প্রতি বছরের মতো এবারও আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকাসহ দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

তবে ঈদের এই আনন্দের মাঝেও বিষাদ ছড়াচ্ছে যাতায়াতের চরম অব্যবস্থাপনা। ঈদগাহ্ ময়দানে আসার সুব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবারই শিশু ও বৃদ্ধসহ হাজার হাজার মানুষকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে।

 

এদিকে, ঐতিহাসিক এই ঈদগাহ্ ময়দানকে আরও দৃষ্টিনন্দন করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে এলাকাবাসী। ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় ও আধুনিক ডিজাইনের একটি মিনার নির্মাণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে এই বিশাল কাজ শুরু করলেও এর সফল সমাপ্তির জন্য প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা।

 

আমরা এলাকাবাসী মিলে উদ্যোগ নিয়েছি এই মিনারটি ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং আধুনিক ডিজাইনে তৈরি করার। আমাদের কাজ চলমান আছে। যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি এই উন্নয়ন কাজে শরিক হতে চান, তবে তিনি শরিক হতে পারেন