খুঁজুন
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

ছাত্রদল থেকে বিএনপির তৃণমূল—লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব পদে আলোচনায় এস.এম. আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
ছাত্রদল থেকে বিএনপির তৃণমূল—লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব পদে আলোচনায় এস.এম. আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু 

ছাত্রদল থেকে বিএনপির তৃণমূল—লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব পদে আলোচনায় এস.এম. আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু

 

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে পথচলা। এরপর কলেজ, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির রাজনীতিতে একের পর এক সাংগঠনিক দায়িত্ব। দীর্ঘ ৩২ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় আন্দোলন-সংগ্রাম, দলীয় কর্মসূচি এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা।

 

মামলা-হামলা ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকা। এবার সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব/সাধারণ সম্পাদক পদে নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন এস.এম. আবু সাঈদ চৌধুরী (টিটু)।

 

সম্প্রতি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির কাছে সদস্য সচিব পদে প্রত্যাশা জানিয়ে নিজের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন তিনি। জীবনবৃত্তান্তে ছাত্রদল থেকে শুরু করে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়কার নানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

 

ছাত্রদল থেকে বিএনপির মূলধারায়

 

আবু সাঈদ চৌধুরী টিটুর রাজনৈতিক উত্থানের শুরু ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ সময় ধরে ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন শেষে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি।

 

তাঁর দেওয়া জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিনি বার আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং সাধারণ সম্পাদক/সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক পাঠাগার সম্পাদক ও নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

 

পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক দায়িত্বে আসেন টিটু। পদুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব, লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির দুইবারের সদস্য ও দুইবারের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের তথ্য তাঁর জীবনবৃত্তান্তে রয়েছে।

 

এ ছাড়া ২০২১-২০২৫ মেয়াদে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

দুঃসময়ে মাঠে ছিলাম

 

রাজনীতির সুসময় নয়, দলের দুঃসময়কেই নিজের রাজনৈতিক পরীক্ষার সময় হিসেবে দেখছেন টিটু। তাঁর অনুসারীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।

 

সদস্য সচিব পদে নিজের প্রত্যাশা জানিয়ে আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু বলেন, দলের জন্য দীর্ঘ ৩২ বছর একটানা রাজনীতি করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দায়িত্ব পেলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত করতে কাজ করব।

 

তিনি বলেন, ব্যক্তিগত পদ-পদবির জন্য নয়, দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করাই আমার মূল লক্ষ্য। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক, আধুনিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজেকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে চাই।

 

মামলা-হামলার রাজনীতিও তুলে ধরেছেন

 

নিজের রাজনৈতিক জীবনের বর্ণনায় মামলা, হামলা ও হয়রানির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছেন টিটু। তাঁর জীবনবৃত্তান্তে দাবি করা হয়েছে, বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন সময় মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।

 

জীবনবৃত্তান্তে আরও দাবি করা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার রায়কে কেন্দ্র করে সারা দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা দায়েরের ঘটনায় লোহাগাড়া থানায় করা মামলায় তাঁকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছিল।

 

তাঁর জীবনবৃত্তান্তের তথ্য অনুযায়ী, লোহাগাড়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা রয়েছে বা ছিল। এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন এবং দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

টিটুর হাতে অনেক নেতাকর্মীর রাজনৈতিক হাতেখড়ি

 

টিটুর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও সাংগঠনিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে আমিরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা এস.এম. সাহাবউদ্দিন বলেন, আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

 

তিনি আরও বলেন, ছাত্রদল থেকে শুরু করে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর হাত ধরে অনেক নেতাকর্মী রাজনীতিতে এগিয়ে এসেছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে। দলের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তার কারণে তিনি নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত মুখ।

 

লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন ও সদস্য সচিব রমজানুল কবির জয় বলেন, এস.এম. আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা। দলের কঠিন সময়ে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন এবং তৃণমূলকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

 

তাঁর অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বিবেচনায় আমরা মনে করি, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে টিটু যোগ্য নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবেন।

 

নেতৃত্ব বাছাইয়ে নজর তৃণমূলের দিকে

 

লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠনকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপিতে এখন নেতৃত্বের সমীকরণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সদস্য সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা আসছেন, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা। পদপ্রত্যাশীরাও নিজেদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক সক্ষমতা ও তৃণমূলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়গুলো সামনে আনছেন।

 

এই সমীকরণে আবু সাঈদ চৌধুরী টিটুর নামও ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে। ছাত্রদল থেকে বিএনপির মূলধারায় দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, বিভিন্ন পর্যায়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে উপজেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে চাইছেন তিনি।

 

তবে শেষ পর্যন্ত লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব/সাধারণ সম্পাদক পদে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, সেই সিদ্ধান্ত দলীয় ক

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান:

বান্দরবানের আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ই অক্টোবর (শনিবার) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজ ম্যা মা চিং-এর পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সদস্য চ নু মং মার্মা।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সম্মানিত প্রতিনিধিরা এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক মানোন্নয়নে জেলা পরিষদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পরিষদের বক্তারা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের এ ধরণের সহায়ক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মার্মা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উদ্বোধন শেষে বিহারের সার্বিক সাফল্য এবং এলাকাবাসীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

মোহাম্মদ আলমগীর লামা (বান্দরবান ) প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনঝিরিতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হইয়াছে। ফাইনাল ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলকে পরাজিত করিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করিয়াছে স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় স্থানীয় লাইনঝিরি মাঠে বহুল প্রতীক্ষিত এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। লাইনঝিরি ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়ন ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করিয়া স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, যুবসমাজ ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।

 

ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আরিফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউসুফ আলী।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম এলএলবি, লামাসাধারণ সম্পাদক আমিনুর ইসলাম খন্দকার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চান মিয়া, লামা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন, সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. জামাল।

 

খেলার শুরু হইতেই উভয় দলের খেলোয়াড়েরা জয়ের লক্ষ্যে প্রাণপণ চেষ্টা চালান। মাঠজুড়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ফাইনাল ম্যাচটি প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য হইয়া ওঠে। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে পরাজিত করিয়া স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ বিজয়ের মুকুট অর্জন করে।

 

আয়োজকেরা জানান, যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় হইতে দূরে রাখিয়া সুস্থ বিনোদন, শারীরিক সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়িয়া তুলিবার লক্ষ্যেই এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হইয়াছে।

 

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করেন, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করিবার পাশাপাশি এলাকায় সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় করিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখিবে।

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

নিউজ ডেস্ক

পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। সংগঠনটির অভিযোগ, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অনুমোদনহীনভাবে জমি কেনাবেচা ও প্লট বরাদ্দের ফলে সাধারণ ক্রেতারা আর্থিক ও আইনি ঝুঁকিতে পড়ছেন। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ।

 

গত ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বাচল ও এর আশপাশে পরিচালিত চারটি আবাসন প্রকল্পকে অনুমোদনহীন ও অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো—ওয়েল কেয়ার হাউজিং, লন্ডন হাউজিং, এলেস্ট টাউন ও আনন্দ হাউজিং।

 

বিএলডিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই এসব এলাকায় কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে জমি কেনাবেচা, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

 

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী বৈধ ও নিবন্ধিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে এবং তাদের প্রতি ক্রেতাদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিএলডিএ।

 

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধভাবে প্লট বিক্রি ও বরাদ্দ বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈধ আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি এবং পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আবাসন খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন মেনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ দুটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

 

বিএলডিএ জানায়, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা দিতে সংগঠনটি প্রস্তুত রয়েছে।