খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

নিউজ নাইন

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ নাইন

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ  নাইন

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

সাতকানিয়ায় সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ: নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ কৃষকদের।

 সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থান গড়লাখালের একাংশে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো কৃষক ও সাধারণ মানুষ। বছরের পর বছর ধরে সাঁতার কেটে বা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত চরম কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে তাদের।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের গড়লাখালের ওপারে কৃষকদের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি রয়েছে। প্রতিদিন চাষাবাদ ও কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ার জন্য কৃষকদের এই খাল পার হতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেতু না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে গাছ ও বাঁশ দিয়ে একটি নড়বড়ে সেতু তৈরি করে যাতায়াত করতেন। কিন্তু চলতি মৌসুমের পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় সেই অস্থায়ী সেতুটিও পানিতে তলিয়ে যায় এবং পুরোপুরি ভেসে যায়। ফলে কৃষকদের চলাচলের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

 

স্থানীয় কৃষকরা জানান, কেঁওচিয়া ১ ও ২নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানের একটি বড় পরিসরে সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। সেতুর জন্য তাঁরা জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে বহুবার ঘুরেছেন, ধরনা দিয়েছেন। কিন্তু কেউ তাঁদের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেনি। চলতি বছর বন্যায় তাঁদের তৈরি করা পুরোনো সেতুটি ভেসে যাওয়ার পর চরম বিপাকে পড়েন তাঁরা। বাধ্য হয়ে কৃষকরা ফের নিজেদের পকেটের টাকা ও স্বেচ্ছাশ্রমে নতুন করে এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। ফসল ঘরে তোলার সময় এই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন করতে গিয়ে তাঁদের নাভিশ্বাস ওঠে।

 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেতু নির্মাণের জায়গা পরিদর্শন করেছেন কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য রফিক উদ্দীন লাভলু, আবদু রহিমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ।

 

পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন বলেন, “এলাকার কৃষকদের যাতায়াত ও চাষাবাদের চরম দুর্ভোগের বিষয়টি আমি স্বচক্ষে দেখেছি। কৃষকদের এই দুর্দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গড়লাখালের এই অংশে কৃষকদের সুবিধার্থে একটি স্থায়ী বা ছোট সেতু নির্মাণের জন্য আমি আমার জায়গা থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাব।”

 

স্থানীয়রা আশা করছেন, জনপ্রতিনিধিদের সদিচ্ছা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপে গড়লাখালে শীঘ্রই একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে হাজারো কৃষকের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ চিরতরে লাঘব করবে।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সাদ্দাম হোসেন ৩০ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে নিহতের চাচা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে নিহতের স্বামীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজাগাঁও (যুগিপুকুর) এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে উক্ত গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) এর সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের মোঃ সাদেকুল ইসলামের মেয়ে আরিফা খাতুন (২১) এর সহিত পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য আরিফার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন সাদ্দাম। বাবা-মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য সাদ্দাম ও তার পরিবারের লোকজন আরিফাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আরিফা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে আপস-মিমাংসা করে আরিফাকে আবারও স্বামীর সংসারে পাঠানো হয়। তবে সংসার পুনরায় শুরু হলেও সাদ্দাম ও তার পরিবারের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা আবারও পূর্বের মতো ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আরিফার ওপর নির্যাতন চালাতে থাকেন। পরবর্তীতে গত ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফা খাতুন। সাদ্দামের পরিবার বিষয়টিকে নিছক ‘আত্মহত্যা’ দাবি করলেও নিহতের বাবার পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, এ বিষয়ে পেনাল কোডের ৩০৬ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে যার মামলা নম্বর: ১১, তারিখ: ২৯/০৭/২০২৬)। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত স্বামী মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়াজার পাড়া থেকে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সাম্প্রতিক বন্যায় মারাত্মকভাবে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বেহাল দশায় থাকা এই সড়কটির একটি বড় অংশ পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে ভেঙে পাশের বিলের সাথে মিশে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সড়কটি দুই ভাগ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সব ধরনের যান চলাচল ও যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

 

জানা যায়, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াতের এটিই একমাত্র প্রধান সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে সড়কের মাঝখানে বড় অংশ ভেঙে বিলীন হয়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি বা অসাবধানতায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কায় রয়েছে এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না করায় এর আগে থেকেই বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল এবং ইট উঠে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এর ওপর সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত হয়ে সড়কের একাংশ সম্পূর্ণ ধসে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিচ্ছিন্ন করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।