খুঁজুন
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“বনবিভাগের সংরক্ষিত  বনাঞ্চল মাতামুহুরী রিজার্ভ থেকে কাঠ পাচারের হিড়িক”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
“বনবিভাগের সংরক্ষিত  বনাঞ্চল মাতামুহুরী রিজার্ভ থেকে কাঠ পাচারের হিড়িক”।

বনবিভাগের সংরক্ষিত  বনাঞ্চল মাতামুহুরী রিজার্ভ থেকে কাঠ পাচারের হিড়িক।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

বান্দরবানের লামা বনবিভাগের আওতাধীন মাতামুহুরী রিজার্ভের সামাজিক বনায়ন এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সংরক্ষিত রিজার্ভ বনবিভাগের আওতাধীন আলীকদমের ১ লক্ষ ২ হাজার একর জায়গা মাতামুহুরী রেঞ্জের রিজার্ভ আগলে রাখা বনজ সম্পদ সরকারি সামাজিক বনায়ন যেন চোখের সামনেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে,যা কেবল পরিবেশের জন্য বিপর্যয় নয়,হুমকির মুখে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে।

 

সংরক্ষিত রিজার্ভ এলাকায় যখন বনখেকো ও বন বিভাগের আওতায়ধীন মাতামুহুরী রেঞ্জের অসাধু বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাসের সাথে বন্ধুতের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে, তখনি সরকারি বনজ সম্পদ ও সামাজিক বনায়নগুলো রক্ষা করা কঠিন হয় পড়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন স্থানীয়রা জানান, মাতামুহুরী রেঞ্জে দায়িত্বে থাকা বিট কর্মকর্তার সাথে মুরুংঝিরির বনখেকো সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যদের সাথে রয়েছে গভীর সুসম্পর্ক।

 

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, মাতামুহুরী রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল রিজার্ভ এলাকায় অবৈধ ঘরবাড়ি ওঠানো সহ সামাজিক বনায়ন রক্ষা করতে দীর্ঘদিন যাবত দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক।পরবর্তীতে দীর্ঘদিন যাবত বনবিভাগের দায়িত্ব পাওয়ায় রিজার্ভের আশেপাশে থাকা পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মুরুং সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে বেশ সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে এই রফিকের সঙ্গে। ঠিক তখনি আরো গভীর ভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন একাধিক রিজার্ভ খেকো ও বনখেকোদের সাথে,সেই সুবাদে রফিকুল ইসলাম রফিকের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে সংরক্ষিত রিজার্ভে তার এক নিজস্ব বাহিনী।

 

রক্ষক যখন বকক্ষ হয়..! ঠিক তখনই রিজার্ভ এলাকা জবর-দখল থেকে শুরু হয় সামাজিক বনায়ন কাঠ পাচারের কার্যক্রম। মুরুংঝিরির বেশ কিছু পাহাড়িরা বলেন এই রফিকুল ইসলাম রফিক আমাদের কে সংরক্ষিত রিজার্ভ এলাকায় জুম চাষ করতে দিবে বলে আমাদের অনেক সহজ সরল পাহাড়ি মুরুংদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছিল লক্ষ লক্ষ টাকা। পরবর্তীতে আমাদের মুরুংরা জুম চাষ করতে না পাড়লে আমরা সবাই মিলে তাকে জিজ্ঞেস করি তুমি বাঙালি ছেলে হয়ে সরকার জায়গা ২০/৩০ একর জবর-দখল রাখতে পারে,আমরা পাহাড়িরা কেন জুম চাষ করতে পারবে না তাহলে তুমি আমাদের সকলের টাকা ফেরত দাও,ঠিক এইভাবে মুরুংয়ের বিষয়টি ও রিজার্ভ জায়গা জবর দখলের বিষয়টি এলাকায় সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক সহ পত্রপত্রিকায় জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের পক্ষ থেকে রফিক চাকুরিচুক্ত করে।

 

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়,এখন আবারো মাতামুহুরী রিজার্ভের বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস ও রফিকুল ইসলাম রফিক যোগসাজশে রিজার্ভ খেকো সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যদের নজরে পড়ে এখনো মাতামুহুরী রেঞ্জের রিজার্ভের এই সামাজিক বনায়নের বনগুলো এখন বিরান ভূমিতে পরিণত হচ্ছে এবং বনখেকোদের সুকৌশলে পাচার করা হচ্ছে বনজ সম্পদ সরকারি সামাজিক বনায়নের কাঠ।বন-বিভাগের তপন চন্দ্র দাসের মতো গুটি কয়েক অসাধু বিট কর্মকর্তা রিজার্ভ খেকো ও অবৈধ কাঠ পাচারকারি সিন্ডিকেটের যোগসাজশের কারণে সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার ও রাজস্ব। বন-বিভাগের মাতামুহুরী রিজার্ভ এলাকাগুলোতে সরকারের উন্নয়ন নাকি বনজসম্পদ ধ্বংসের মহোৎসব??

 

মাতামুহুরী রিজার্ভে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা বড় বড় গাছ গুলো কেটে সাবাড় করা সহ সরকারি সামাজিক বনায়নের বন উজাড়,জবর-দখল করা প্রাকৃতিক সম্পদ চোখের সামনে শেষ হয়ে গেলেও বন-বিভাগের আওতায়ধীন মাতামুহুরী রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাসের ব্যর্থতার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি মাতামুহুরী রেঞ্জের রিজার্ভের বন-কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস একজন নীরব ঘাতক : ফলশ্রুতিতে, বন-বিভাগের আওতাধীন এই মাতামুহুরী রেঞ্জের রিজার্ভের বনজ সম্পদ ও সরকারি সামাজিক বনায়ন রক্ষা আজ ধ্বংসের মুখে ঢলে পড়েছে।

 

মাতামুহুরী রেঞ্জের রিজার্ভ থেকে এইভাবে দিন-রাত গাছ কেটে পাচার ও সামাজিক বনায়নের বাগান পুড়িয়ে অবৈধ ভাবে রিজার্ভ জায়গা জবর-দখলের চেষ্টার ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন সংগঠন ও সচেতন মহল।

 

পরিবেশবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে মাতামুহুরী রিজার্ভ ধ্বংসের মূলহোতা মাতামুহুরী বনক্যাম্পের বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস ও রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী পরিবেশও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবিও জানান।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে,বন-বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট মাতামুহুরী রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাসের নাম্বারে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও ওনার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

“বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিম পাড়ায় স্মাইল বাংলাদেশের কোরবানি আয়োজন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
“বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিম পাড়ায় স্মাইল বাংলাদেশের কোরবানি আয়োজন”।

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিম পাড়ায় স্মাইল বাংলাদেশের কোরবানি আয়োজন।

মো.আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

 

কোরবানির ঈদের আনন্দ এবার ভাগাভাগি হলো বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত নওমুসলিম পাড়ার ৫৫টি পরিবারের সঙ্গে। মানবিক সংগঠন “স্মাইল বাংলাদেশ”-এর উদ্যোগে সেখানে একটি গরু কোরবানি করে মাংস বিতরণ করা হয়।

 

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর ১২টায় এ কোরবানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছরের মতো এ বছরও সংগঠনটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করে।

 

পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই নওমুসলিম পাড়ার পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট ও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সাধারণভাবে কোরবানির আয়োজন থেকে বঞ্চিত থাকে। ফলে ঈদের দিনও তাদের জীবনযাপন প্রায় অন্যান্য সাধারণ দিনের মতোই কাটে।

 

এমন বাস্তবতায় স্মাইল বাংলাদেশের এই মানবিক উদ্যোগে প্রতিটি পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়া হলে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। ঈদের আনন্দে যুক্ত হয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলোর মুখে তৃপ্তি ও সন্তোষের হাসি।

 

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এমন উদ্যোগ তাদের ঈদের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে। মানবিক এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারী সকল ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

 

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় মানুষদের ঈদের আনন্দ আরও বিস্তৃত হবে।

“ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে সাতকানিয়ায় ২ দিনব্যাপী ঈদ পুনর্মিলনী: ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
“ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে সাতকানিয়ায় ২ দিনব্যাপী ঈদ পুনর্মিলনী: ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন”।

ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে সাতকানিয়ায় ২ দিনব্যাপী ঈদ পুনর্মিলনী: ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন।

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 

ঈদের অনাবিল আনন্দ ও উৎসবের আমেজকে আরও দ্বিগুণ করতে ঐতিহ্যবাহী সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বন্ধন ও গরিবারঝিল ছোট-ঢেমশা সমাজ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে টুর্নামেন্টের আকর্ষণীয় ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক,ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আফসার উদ্দিন,ফরিদুল আলম,আইয়ুব আলী, ব্যাংকার এনামুল হক,গরিবারঝীল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জার্সি-ট্রফি উন্মোচন করেন। দুই দিনব্যাপী এই ঈদ পুনর্মিলনী উৎসবের মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছে জমজমাট বিভিন্ন খেলাধুলা, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং বর্ণিল প্রীতিভোজ।

 

এ সময় বক্তারা বলেন “ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে তরুণ ও প্রবীণদের এই মেলবন্ধন সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান সময়ে যখন যুবসমাজ স্মার্টফোনের আসক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে, ঠিক তখন এমন আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী। মাঠের খেলাধুলা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকার যুবসমাজ সব ধরনের অপরাধমূলক কাজ, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো পথভ্রষ্টতা থেকে দূরে থাকবে। সুস্থ ধারার বিনোদনই পারে একটি সুন্দর ও আদর্শ সমাজ উপহার দিতে।”

 

আয়োজকমিটির প্রতিনিধিরা বলেন “আমাদের মূল লক্ষ্য শুধু উৎসব করা নয়; বরং বন্ধন ও গরিবারঝিল ছোট-ঢেমশা সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও একতা বজায় রাখা। ঈদের এই আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই আমরা খেলাধুলার পাশাপাশি ‘ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প’ এর ব্যবস্থা করেছি, যাতে এলাকার সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি, এলাকার তরুণদের হাত ধরেই এই সমাজ আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। এই আয়োজনকে সফল করতে আমরা এলাকাবাসী সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।”

 

দুই দিনব্যাপী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশেষ করে তরুণদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ট্রফি ও জার্সি উন্মোচনের মধ্য দিয়েই মূলত শুরু হয়েছে আগামীকাল ঈদের দ্বিতীয় শুক্রবার খেলাধুলা ও তৃতীয় দিন শনিবার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।

“রুহিয়ায় ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা ঈদগাহ্ ময়দানে নামাজ আদায়”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
“রুহিয়ায় ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা ঈদগাহ্ ময়দানে নামাজ আদায়”।

রুহিয়ায় ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা ঈদগাহ্ ময়দানে নামাজ আদায়।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

উৎসবমুখর আর আনন্দঘন পরিবেশে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায়, টাঙ্গন নদীর তীরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ঐতিহ্যবাহী চোঙ্গাখাতা জাতীয় ঈদগাহ্ ময়দানে ঢল নামে হাজারো মুসল্লির। প্রায় ছয়শত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক এই ময়দানে প্রতি বছরের মতো এবারও আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকাসহ দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

তবে ঈদের এই আনন্দের মাঝেও বিষাদ ছড়াচ্ছে যাতায়াতের চরম অব্যবস্থাপনা। ঈদগাহ্ ময়দানে আসার সুব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবারই শিশু ও বৃদ্ধসহ হাজার হাজার মানুষকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে।

 

এদিকে, ঐতিহাসিক এই ঈদগাহ্ ময়দানকে আরও দৃষ্টিনন্দন করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে এলাকাবাসী। ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় ও আধুনিক ডিজাইনের একটি মিনার নির্মাণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে এই বিশাল কাজ শুরু করলেও এর সফল সমাপ্তির জন্য প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা।

 

আমরা এলাকাবাসী মিলে উদ্যোগ নিয়েছি এই মিনারটি ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং আধুনিক ডিজাইনে তৈরি করার। আমাদের কাজ চলমান আছে। যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি এই উন্নয়ন কাজে শরিক হতে চান, তবে তিনি শরিক হতে পারেন