খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানে লামা থানায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে লামা থানায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত।

বান্দরবানে লামা থানায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত।

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি:

জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও কমিউনিটি পুলিশ সার্ভিস ডেস্কের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে বান্দরবানের লামা থানায় এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থানা ভবনের তৃতীয় তলায় আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার। এসময় বিশেষ অথিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আমির হোসেন আমু , লামা উপজেলা জামায়াতের সভাপতি কাজ্বী মোহাম্মদ ঈব্রাহিম, সভা পরিচালনা করেন লামা থানা ইনচার্জ কায়ছার হামিদ সাংবাদিক শিক্ষক ছাত্র , বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা কর্মী প্রমুথ।

থানা পরিদর্শনে পৌঁছালে লামা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এটিই ছিল লামায় নবাগত এসপির প্রথম পরিদর্শন।

সভায় বক্তারা বলেন, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা সামাজিক ব্যাধি, যা রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। পুলিশ সার্ভিস ডেস্কের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা সহজেই অভিযোগ জানাতে ও আইনি সহায়তা পেতে পারেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসপি ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে। অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে—কোনো ছাড় নয়।”

তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে পুলিশ সার্ভিস ডেস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভুক্তভোগীদের দ্রুত, সহজ ও মানবিক সেবা নিশ্চিতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ সময় তিনি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে এসপি থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম, সেবা প্রদান পদ্ধতি, ডিউটি ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খোঁজ নেন। তিনি কর্মকর্তা-সদস্যদের জনগণের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ, পেশাদারিত্ব ও জনবান্ধব পুলিশিং জোরদার করার নির্দেশ দেন।

সভায় লামা থানার ওসি, মোহাম্মদ কায়ছার হামিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নারী নেত্রী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শেষে এসপি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বলেন।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সাদ্দাম হোসেন ৩০ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে নিহতের চাচা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে নিহতের স্বামীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজাগাঁও (যুগিপুকুর) এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে উক্ত গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) এর সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের মোঃ সাদেকুল ইসলামের মেয়ে আরিফা খাতুন (২১) এর সহিত পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য আরিফার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন সাদ্দাম। বাবা-মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য সাদ্দাম ও তার পরিবারের লোকজন আরিফাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আরিফা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে আপস-মিমাংসা করে আরিফাকে আবারও স্বামীর সংসারে পাঠানো হয়। তবে সংসার পুনরায় শুরু হলেও সাদ্দাম ও তার পরিবারের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা আবারও পূর্বের মতো ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আরিফার ওপর নির্যাতন চালাতে থাকেন। পরবর্তীতে গত ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফা খাতুন। সাদ্দামের পরিবার বিষয়টিকে নিছক ‘আত্মহত্যা’ দাবি করলেও নিহতের বাবার পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, এ বিষয়ে পেনাল কোডের ৩০৬ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে যার মামলা নম্বর: ১১, তারিখ: ২৯/০৭/২০২৬)। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত স্বামী মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়াজার পাড়া থেকে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সাম্প্রতিক বন্যায় মারাত্মকভাবে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বেহাল দশায় থাকা এই সড়কটির একটি বড় অংশ পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে ভেঙে পাশের বিলের সাথে মিশে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সড়কটি দুই ভাগ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সব ধরনের যান চলাচল ও যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

 

জানা যায়, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াতের এটিই একমাত্র প্রধান সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে সড়কের মাঝখানে বড় অংশ ভেঙে বিলীন হয়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি বা অসাবধানতায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কায় রয়েছে এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না করায় এর আগে থেকেই বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল এবং ইট উঠে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এর ওপর সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত হয়ে সড়কের একাংশ সম্পূর্ণ ধসে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিচ্ছিন্ন করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

হাম উপসর্গে ভর্তি রোগীদের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরী, নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে ভর্তি রোগীদের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরী, নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ।

হাম উপসর্গে ভর্তি রোগীদের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরী, নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

হামের উপসর্গ নিয়ে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে গিয়ে তিনি রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় রোগীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। পরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের হাতে নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার তুলে দেন।

সহায়তা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, নাছির চৌধুরী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনরা এ মানবিক উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জানান, দুর্যোগ ও সংকটময় সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার অংশ হিসেবেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।