খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্প্রিং সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা পরিদর্শন করলেন ট্রাস্ট চেয়ারম্যান”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
“বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্প্রিং সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা পরিদর্শন করলেন ট্রাস্ট চেয়ারম্যান”।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্প্রিং সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা পরিদর্শন করলেন ট্রাস্ট চেয়ারম্যান।

মো.আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

 

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের স্প্রিং সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ মোহাম্মদ সুলতান উদ্দিন ইকবাল, পিএইচডি, বীর প্রতীক (অব.)।

 

সোমবার (১৫ জুন) তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা হল পরিদর্শন করে পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পরীক্ষা পরিচালনার কার্যক্রম এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

 

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জাহিদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার টি. এ. এম. ওমর ফারুক, ফিন্যান্স ডিরেক্টর চিং চি প্রু সুকি এবং জিডিএস বিভাগের কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান।

 

পরীক্ষা হল পরিদর্শন শেষে ট্রাস্ট চেয়ারম্যান পরীক্ষা পরিচালনা ব্যবস্থার সার্বিক মান, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং একাডেমিক উৎকর্ষতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

 

তিনি আরও বলেন, আধুনিক, মানসম্মত ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল ও সুষ্ঠু পরীক্ষা পরিবেশ বজায় রাখা এবং সর্বোচ্চ একাডেমিক সহায়তা নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই।

বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের পশ্চিম মনকিচর ২নং ওয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচটি পরিবারের পাঁচটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে সংযোজন করুন) পশ্চিম মনকিচর এলাকার হাজী মোহাম্মদ আলীর নতুন বাড়ি (মহিরা পুকুর পাড়) এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে একটি বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় অল্প সময়ের মধ্যেই পাঁচটি পরিবারের পাঁচটি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘরের আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালামাল আগুনে পুড়ে যায় বলে জানা গেছে।

 

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ঘরবাড়ি ও মূল্যবান সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

 

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা জানান, আগুনে তাদের জীবনের সঞ্চয় মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং সমাজের বিত্তবানদের দ্রুত মানবিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া না হলে পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়বে। তাই মানবিক বিবেচনায় জরুরি ভিত্তিতে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সাবেক মন্ত্রী হারুন-অর-রশিদ এর মৃত্যু।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সাবেক মন্ত্রী হারুন-অর-রশিদ এর মৃত্যু।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সাবেক মন্ত্রী হারুন-অর-রশিদ এর মৃত্যু।

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া বিশেষ প্রতিনিধি- মো: মোস্তাক আহমেদ বাপ্পি।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সাবেক পাঁচবারের সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশিদ ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

তিনি ছিলেন সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী, সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী, সাবেক চিফ হুইপ, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও অ্যাডভোকেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

এ বিষয়ে পরিবার সূএে নিশ্চিত করেছেন।

 

অ্যাডভোকেট হারুন-অর-রশিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই(দ) ইউনিয়নের নরসিংসার এবং জেলা শহরের মৌলবীপাড়ার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া তথা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

 

তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

 

মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য রাজনৈতিক সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

 

তাঁর মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ দেশব্যাপী রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোক সমাপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

 

মরহুম অ্যাডভোকেট হারুন-অর-রশিদের জানাজার সময়সূচি ও দাফন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায় নাই।

আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কেএস মং-এর সাথে বান্দরবান মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
আঞ্চলিক  পরিষদ সদস্য কেএস মং-এর সাথে বান্দরবান মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ।

আঞ্চলিক  পরিষদ সদস্য কেএস মং-এর সাথে বান্দরবান মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

বান্দরবান মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ এ নবনির্বাচিত সভাপতি বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীরসহ নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দদের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএস মং-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

নির্বাচন- পরবর্তী এই সৌজন্য সাক্ষাতে নবনির্বাচিত নেতারা কেএস মং-কে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নতুন কমিটির পক্ষ থেকে শ্রমিক সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে কেএস মং নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

 

সাক্ষাৎকালে নবনির্বাচিত সভাপতি বাচ্চু বলেন, শ্রমিকদের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিদান দিতে তিনি সবসময় তাদের পাশে থাকবেন। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং সংগঠনের উন্নয়নে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

 

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আলমগীর বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে। সংগঠনের ঐক্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর শ্রমিক সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।

 

এ সময় কেএস মং বলেন, তিনি সবসময় শ্রমিকদের পাশে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। পাহাড় কিংবা সমতল—যেকোনো স্থানে শ্রমিকরা সমস্যায় পড়লে তাকে পাশে পাবে। শ্রমিকদের কল্যাণ ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি আগামীতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন বলে আশ্বাস দেন।

 

আলোচনা শেষে তিনি উপস্থিত শ্রমিক নেতাদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের শারীরিক সুস্থতা ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। একই সঙ্গে শ্রমিকদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে ভবিষ্যতে একটি প্রীতি-পিকনিক আয়োজনের কথাও উল্লেখ করেন।

 

এ সময় মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও প্রকৃতি বড়ুয়া, সাংবাদিক বাবুল খানঁ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।