খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বিলুপ্ত সমিতির নামে আদিবাসীদের জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
বিলুপ্ত সমিতির নামে আদিবাসীদের জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

বিলুপ্ত সমিতির নামে আদিবাসীদের জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

 

মোঃ ​শফিকুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

 

ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া থানার ঘনিমহেষপুর এলাকায় একটি বিলুপ্ত সমবায় সমিতির নাম ব্যবহার করে আদিবাসী ও সাধারণ মানুষের পৈত্রিক ও খরিদা জমি দখলের অপচেষ্টা এবং ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে একটি জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে। আইন ও আদালতের একাধিক রায় প্রকৃত মালিকদের পক্ষে থাকা সত্ত্বেও, জেলা ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার অনৈতিক যোগসাজশে একটি অস্তিত্বহীন সমিতির ভুয়া কমিটি অনুমোদন দিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) রুহিয়ার ঘনিমহেষপুরে নুরেশ দাস এর বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন ওয়েল দাস।

 

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ঘনিমহেষপুর এলাকার ‘৭৪৬ নং ঘনিমহেষপুর বহুমুখী জনকল্যাণ কৃষি সমবায় সমিতি’টি ১৯৭৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৪০ বছর কোনো বৈধ কার্যক্রম না থাকায় সমবায় অধিদপ্তরের ৩০/১০/২০১৪ তারিখের আদেশ মূলে অনেক আগেই বিলুপ্ত ও নিষ্পত্তি করা হয়। এমনকি ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট উপজেলা সমবায় অফিসার লিখিতভাবে জানান যে, এই কথিত সমিতির কোনো বৈধ অস্তিত্ব নেই। ​অভিযোগ করা হয়েছে, সমিতির কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও ২০২২ সালে মূল মালিক বীরবল হাজরা ও অন্যান্যদের পৈত্রিক ও খরিদা সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করার উদ্দেশ্যে কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে একটি পকেট কমিটি গঠন করে। বিবাদী পক্ষ ও তাদের পূর্বপুরুষেরা মূলত হাজরা (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) সম্প্রদায়ের লোক হওয়া সত্ত্বেও, তারা জালিয়াতির উদ্দেশ্যে নিজেদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে অন্য ধর্মীয় মানুষের নিকট জমি বিক্রি করছেন। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৭(৭) ধারা মোতাবেক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা আদিবাসীদের সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্ব অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও, বিবাদী পক্ষ কোনো প্রকার বৈধ অনুমতি বা দলিল ছাড়াই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এই নালিশী সম্পত্তি দাবি করছে। ​ভুক্তভোগীরা জানান, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা ধারাবাহিকভাবে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। বাদী থমাস দাসের দায়েরকৃত ১৪৪/১৪৫ ধারার মামলার প্রেক্ষিতে ফৌজদারি রিভিশন মোকদ্দমাটি (নং-১৪৪/২০২৩) গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ দায়রা জজ আদালত নামঞ্জুর করেন। এছাড়া প্রতিপক্ষের তৈরি করা অবৈধ ও ভুয়া ৭৩২ নং খতিয়ানটি সার্বিক তদন্ত ও শুনানি শেষে ২০২৩ সালের ৪ অক্টোবর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাতিল করেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতে আপিল (নং ৫২/২০২৪) করলেও চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল বিজ্ঞ আদালত তা সম্পূর্ণ নামঞ্জুর করে দেন। পরবর্তীতে নালিশী ভূমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কঠোর আদেশ প্রদান করেন। ​সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, আইনি লড়াইয়ে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষ বিগত সরকারের আমলে জমিগুলো একটি প্রভাবশালী ভূমিদস্যু চক্রের নামে ৫ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ করে সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। দেশের পটপরিবর্তনের পর, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা নতুন করে আরেকটি প্রভাবশালী মহলকে ব্যবহার করে জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ​সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, আইন এবং আদালত সম্পূর্ণভাবে প্রকৃত মালিকদের পক্ষে থাকা সত্ত্বেও, ঠাকুরগাঁও জেলার বর্তমান জেলা সমবায় অফিসার জাহাঙ্গীর আলম ও উপজেলা সমবায় অফিসার রমজান আলী ক্ষমতার চরম অপব্যবহার ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে এই বিলুপ্ত সমবায় সমিতির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একটি ভুয়া কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, গত ২৭ জুন ওই বিতর্কিত জমির উপর সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বার্ষিক সাধারণ সভা করা হয় এবং সেখানে ভুয়া কমিটিকে উপ-আইন সংশোধনী নিবন্ধন সনদপত্র (সংশোধিত নিবন্ধন নং ০২, তারিখ: ২৫/০৬/২০২৬ইং) প্রদান করেন জেলা সমবায় অফিসার। একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন পক্ষপাতদুষ্ট ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

​ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই প্রতারক ও জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের রায় বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা এবং জেলা সমবায় অফিসারের দেওয়া অবৈধ ও ভুয়া কমিটি অনতিবিলম্বে বাতিলের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকা থেকে কিশোরী নিখোঁজ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২নং মাইলের মাথা এলাকা থেকে কৃষ্ণা দে (১৫) নামে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩টার দিকে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তার মা মেঘনা রাণী দাশ বন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৫৫৫, তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৬) করেছেন।

 

জিডি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণা দে রাজকুমার দে ও মেঘনা রাণী দাশের মেয়ে। সে একজন শিক্ষার্থী ও অবিবাহিত। পরিবারের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া। বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় বসবাস করছেন।

 

নিখোঁজ কিশোরীর বিবরণ:

 

– নাম: কৃষ্ণা দে

 

– বয়স: আনুমানিক ১৫ বছর

 

– উচ্চতা: ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি

 

– ওজন: ৪৫ কেজি

 

– গায়ের রং: শ্যামলা

 

– চুল: ছোট

 

– নাক: লম্বা

 

– চোখ:কালো

 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণার সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানা বা বন্দর থানা, সিএমপি, চট্টগ্রামে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। নিখোঁজ কিশোরীর সন্ধান পেলে তথ্য জানাতে পারেন নিম্নোক্ত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে- 01863247759

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।