রোয়াংছড়ি-কচ্ছপতলী সড়ক ধস বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি।
রোয়াংছড়ি-কচ্ছপতলী সড়ক ধস বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, দ্রুত সংস্কারের দাবি।
রোয়াংছড়ি,সংবাদদাতাঃ চিংনুমং মারমা।
বান্দরবান পার্বত্য জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলা থেকে কচ্ছপতলী সংযোগ সড়কের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে যাওয়া এই সড়কটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অতি দ্রুত এই সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা না হলে রোয়াংছড়ি ও কচ্ছপতলীর মধ্যবর্তী সরাসরি যোগাযোগ পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধসের কারণে সড়কটির একাধিক স্থানে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং কিছু অংশ ইতোমধ্যে ধসে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে পুরো সড়কটি ভেঙে পড়ার মতো চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে এই রুটে সীমিত আকারে যানবাহন চলাচল করলেও যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রোয়াংছড়ির অন্যতম প্রধান ও দেশজুড়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ‘দেবতাখুম’-এ যাওয়ার একমাত্র পথ এই সড়কটি। প্রতিদিন শত শত পর্যটক কচ্ছপতলী হয়ে দেবতাখুম যাতায়াত করেন। সড়কটির এই ভয়াবহ দশার কারণে একদিকে পর্যটকদের আগমন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় কৃষিজাত পণ্য পরিবহনে দেখা দিয়েছে চরম স্থবিরতা। এতে স্থানীয় পর্যটন শিল্প ও সাধারণ অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।
যানবাহন চলাচল ও জনজীবন সচল রাখতে সড়কটির এমন বেহাল দশা নিরসনে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা অতি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে এই সড়কটির টেকসই সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষার মৌসুম পূর্ণাঙ্গ রূপ নেওয়ার আগেই যদি প্রশাসন জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে কচ্ছপতলী এলাকাটি উপজেলা সদর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হবে বলে জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন
Array