খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয়: থেমে গেছে শতশত শিশুদের স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয়: থেমে গেছে শতশত শিশুদের স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা

শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয়: থেমে গেছে শতশত শিশুদের স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা

বান্দরবান প্রতিনিধি:

যে বিদ্যালয় একসময় শতাধিক শিক্ষার্থীর কোলাহলে মুখর থাকত, সেই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ এখন নীরব। ধুলোমাখা বেঞ্চে পড়ে আছে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা। দেয়ালে এখনো টাঙানো রয়েছে শিশুদের নানা স্মৃতি। দেখে মনে হয়, এই বুঝি আবার বই-খাতা হাতে ছুটে আসবে শিশুরা। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ২নং সদর ইউনিয়নের মিরিঞ্জা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এটি। একসময় বিদ্যালয়টিতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। শিক্ষক সংকট ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে আর্থিক সমস্যাসহ নানা সংকটে ধীরে ধীরে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ২০২৫ সালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষা কার্যক্রম।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আনোয়ার আলীর স্ত্রী জায়তুল নেছা জুতি প্রায় ৪০ শতক জমি দান করেন। পরে ২০০২ সালে লামা লাইনজিরি হুসেন স্যার, জায়তুল নেছা জুতি, নেজাম উদ্দিন ও মো. জিয়াবুলের উদ্যোগে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্থানীয় কয়েকটি পাড়ার শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয় এ বিদ্যালয়ে। দূরবর্তী এলাকায় অন্য বিদ্যালয়ে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে অনেক শিশুর জন্য মিরিঞ্জা বিদ্যালয়টিই ছিল শিক্ষার অন্যতম ভরসা। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।

তবে সময়ের সঙ্গে বিদ্যালয়টি আর্থিক সংকটে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষকদের মাসিক বেতন হিসেবে মাত্র দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও সেটিও নিয়মিত পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে শিক্ষক ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হতে থাকে।

পরে জাগো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যালয়টিতে একজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে কিছুটা সময় শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকলেও স্থায়ীভাবে শিক্ষক সংকটের সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত শিক্ষক সংকট ও আর্থিক সমস্যার কারণে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষগুলো অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কোথাও ধুলো জমেছে বেঞ্চে, কোথাও পড়ে আছে পুরোনো বই-খাতা। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত বই-খাতাও এখনো শ্রেণিকক্ষে পড়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতিতে পুরো বিদ্যালয়জুড়ে নেমে এসেছে নীরবতা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যেসব পাড়া থেকে দূরের বিদ্যালয়ে যাতায়াত করা কঠিন, সেসব এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য সমস্যাটি আরও বেশি। ফলে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করা গেলে স্থানীয় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরাও দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব শুধু বর্তমান শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে না; এর প্রভাব পড়ে পুরো এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর।

বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি চাকনাই ম্রো বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে বিদ্যালয়টি ছিল প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে নিয়মিত পাঠদান হতো। পড়াশোনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ফলাফলও ভালো ছিল। এ বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে লাংরি ম্রো, ইয়ুংনম ম্রো, কুংলাই ম্রো ও সাকরই ম্রোসহ কয়েকজন বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া কেউ কেউ আনসার বাহিনীতেও কর্মরত আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জিয়াবুল বলেন,মিরিঞ্জাসহ আশপাশের দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য বিদ্যালয়টির গুরুত্ব রয়েছে। বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে এবং নিরক্ষরতা কমাতে ভূমিকা রাখবে।

লামা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, বিদ্যালয়টি প্রায় তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। তাঁর মতে, বিদ্যালয়টি পরিচালনার জন্য কার্যকর ও দায়িত্বশীল উদ্যোক্তার অভাবই বন্ধ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। তিনি আরও বলেন, সরকারি সহায়তা বা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে এ পর্যন্ত কেউ উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেননি।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে দীর্ঘদিন ধরে নীরব পড়ে থাকা শ্রেণিকক্ষগুলো। বই-খাতা হাতে ফিরে আসতে পারে শিশুরা, আবারও মুখর হয়ে উঠতে পারে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেবে।

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

উৎসবমুখর পরিবেশে, সাংবাদিকদের সরব উপস্থিতি ও আনন্দঘন আবহে সম্পন্ন হয়েছে বান্দরবান প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন (২০২৬-২০২৮)। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিনভর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বিরাজ করছিল এক জমকালো ও উৎসবের আমেজ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রেসক্লাবের সাংবাদিক সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য তাঁদের যোগ্য নেতৃত্ব ও পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করেন।

ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে গঠিত নতুন নির্বাহী কমিটির বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফলাফলে— সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাছিরুল আলম। সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন এন এ জাকির। যুগ্ম সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছেন রিজভী রাহাত। কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ইসহাক। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল ২৮ই অক্টোবর (বুধবার)।

নির্বাচন শেষে বিজয়ী প্রার্থীরা প্রেসক্লাবের সব সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, বান্দরবানের বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

উৎসবমুখর এ নির্বাচনে সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন ও প্রশংসার জোয়ারে ভেসেছেন সদ্য নির্বাচিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

 

উল্লেখ্য: বান্দরবান প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬-২৮ এর ৫টি পদের জন্য প্রার্থী হিসেবে ১৫জন প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। যথাক্রমে: সভাপতি পদ (৩ জন): নাছিরুল আলম, ফরিদুল আলম সুমন এবং অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি। সহ-সভাপতি পদ (৪ জন): মোঃ মোজাম্মেল হক, মিনারুল হক, মোঃ হোসাইন সম্রাট এবং এম এ হাকিম চৌধুরী। সাধারণ সম্পাদক পদ (২ জন): টিংশৈপ্রু মংটিং মার্মা এবং এন এ জাকির। যুগ্ম সম্পাদক পদ (৪ জন): মোঃ নুরুল কবির, মংখিং মার্মা, রিজভী রাহাত এবং মোহাম্মদ আলী। কোষাধ্যক্ষ পদ (২ জন): কৌশিক দাশ গুপ্ত এবং মোঃ ইসহাক।