খুঁজুন
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সখিপুরে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ,সার,কীটনাশক,গাছের চারা ও চাউল বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
সখিপুরে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ,সার,কীটনাশক,গাছের চারা ও চাউল বিতরণ।

সখিপুরে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ,সার,কীটনাশক,গাছের চারা ও চাউল বিতরণ।

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইলের সখিপুরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজনে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ,সার,কীটনাশক,গাছের চারা ও দুস্থদের মাঝে মানবিক সহায়তা চাউল বিতরণ করা হয়।

 

শনিবার (২০ জুন), বিকাল পাঁচটায়, উপজেলা হলরুমে আয়োজিত প্রনোদনা প্রদান অনুষ্ঠানে

 

সখিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আশরাফুল আলম এর সভাপতিত্বে ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ইসমত আরা খাতুনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট আহমদ আযম খান।

 

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, সখিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আশরাফুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ খোরশেদ আলম মাস্টার, এএসপি মামুন,কৃষি অফিসার নিয়ন্তা বর্মন প্রমূখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মহোদয়ের সহধর্মিনী মোসা: নার্গিস সিদ্দিকা, সখিপুর উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দিন মাস্টার,সখিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হেলাল উদ্দিন পিপিএম, কৃষক দল সভাপতি মোঃ বিল্লাল হোসেন,সখিপুর প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন উপকারভোগী কৃষকগণ, বিএনপি ছাত্রদল ও কৃষক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এড.আহমেদ আযম খান বলেছেন, আগের সরকারের সময় গত ১৮-২০ বছর কৃষকের জন্য কি বরাদ্দ আসতো অনেকেই তা জানতো না এবং বেশিরভাগই মানুষের কাছে পৌঁছাতো না, তা হাওয়া হয়ে যেত কখনো ঢাকা থেকে, কখনো টাঙ্গাইল, কখনো সুখিপুর থেকে কিন্তু আমার এই পাঁচ বছর যা বরাদ্দ আসবে তার এক তিল পরিমাণ মিস ইউজ হবেনা আশা করছি।

 

এ সরকারের এই সাড়ে তিন মাসে সখিপুর -বাসাইলে সরকারি বরাদ্দ যা এসেছে, আমি তা নিজ হাতে বিতরণ করেছি। এর পর কাবিখা,কাবিটা কৃষকদের বিভিন্ন বরাদ্দ, যথাযথভাবে বিতরণ করা হয়েছে। কোন প্রকার দুই নম্বরি হয়নি। আমার কাছে সকল ধর্মের লোকের অধিকার সমান।

 

‎পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে সখিপুর বাসাইল সহ সারাদেশে মাদক এবং জুয়ার আসর আছে তারেক রহমানের এ সরকারের আমলে মাদক ও জুয়ার ছোবল এই দেশে থাকবে না।

ফুটবলের উত্তেজনায় মুখর গরিবারঝীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রজেক্টরে খেলা উপভোগ শিক্ষার্থীদের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
ফুটবলের উত্তেজনায় মুখর গরিবারঝীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রজেক্টরে খেলা উপভোগ শিক্ষার্থীদের।

ফুটবলের উত্তেজনায় মুখর গরিবারঝীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রজেক্টরে খেলা উপভোগ শিক্ষার্থীদের।

 

​সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 

​ছাত্র-ছাত্রীদের মেধাবিকাশে ও খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে দেশজুড়ে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তারই অংশ হিসেবে সাতকানিয়া উপজেলার গরিবারঝীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত এক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফুটবল ফাইনাল খেলা, যেখানে লড়ছে বরিশাল বনাম ময়মনসিংহ, তা সরাসরি উপভোগ করার এক অভাবনীয় সুযোগ পেয়েছে সাতকানিয়া উপজেলার এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

​মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ আহ্বানের সাড়া দিয়ে, শিক্ষার্থীদের দেশাত্মবোধ ও খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রজেক্টরের বিশাল পর্দায় ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়, যা সাধারণ ক্লাসরুমকে মুহূর্তেই বানিয়ে তুলেছে স্টেডিয়ামের গ্যালারি।

গত কাল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহের সাথে এই খেলা উপভোগ করে। খেলা দেখার সময় শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে ছিল প্রবল আনন্দ ও উত্তেজনা।যেখানে প্রজেক্টরের পর্দায় সরাসরি খেলা দেখে শিক্ষার্থীদের আবেগ ও উদ্দীপনা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।

পর্দার ওপারে বরিশাল বনাম ময়মনসিংহের এই তীব্র লড়াই দেখে শিক্ষার্থীরা কেবল আনন্দিতই হয়নি, বরং তাদের মনে জন্ম নিয়েছে নতুন স্বপ্ন। খেলার টানটান উত্তেজনা দেখে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের অনেকেই আশার কথা শুনিয়েছে—একদিন তারাও হয়তো এমন কোনো জেলা পর্যায়ের বড় টুর্নামেন্টে খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহণ করবে এবং মাঠ কাঁপাবে। এই স্বপ্নই তাদের খেলাধুলায় আরও মনোযোগী হওয়ার প্রেরণা জোগাচ্ছে।

​শিক্ষকরা জানান, পাঠ্যবইয়ের বাইরে খেলাধুলার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তোলা এবং বড় স্বপ্ন দেখাতে এই ধরনের কার্যক্রম দারুণ ভূমিকা রাখে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল। তাদের মতে, খেলাধুলা কেবল শরীর গঠনই করে না, বরং শিক্ষার্থীদের মাঝে দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার মানসিকতা ও নেতৃত্বদানের গুণাবলী তৈরি করে। এমন আয়োজন নিয়মিত করা হলে তা নতুন প্রজন্মের মানস গঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন তরুন সমাজসেবক ও উদীয়মান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শাহনেওয়াজ চৌধুরী।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন তরুন সমাজসেবক ও উদীয়মান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শাহনেওয়াজ চৌধুরী।

ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন তরুন সমাজসেবক ও উদীয়মান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শাহনেওয়াজ চৌধুরী।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন তরুণ সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শাহনেওয়াজ চৌধুরী। তাঁর এ মনোনয়নে বিদ্যালয়ের অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহলে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে।

 

গত জুন ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবুল কাসেম স্বাক্ষরিত এক স্মারকপত্রের মাধ্যমে ৪ সদস্যবিশিষ্ট এডহক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত শাহনেওয়াজ চৌধুরী স্থানীয় পর্যায়ে একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং একটি আধুনিক ও সুশাসনভিত্তিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

অনুমোদিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে জেলা শিক্ষা অফিসার মনোনীত খোকন কান্তি দাশ, অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীত সৈয়দ আলম প্রকাশ (ভুলু) এবং পদাধিকারবলে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহজাহান।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রবিধানমালা-২০২৪ এর প্রবিধান ৬৫(২) অনুযায়ী এডহক কমিটি ম্যানেজিং কমিটির সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবে।

 

নবনিযুক্ত সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধুরী বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের সমন্বয়ে একটি ইতিবাচক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

 

স্থানীয়দের বিশ্বাস, তাঁর নেতৃত্বে ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন গতিশীলতা অর্জন করবে এবং প্রতিষ্ঠানটি আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।

বান্দরবান বালাঘাটা শৈলশোভা এলাকা থেকে ৭০পিস ইয়াবা ও ৩০০০টাকা সহ আটক ১।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবান বালাঘাটা শৈলশোভা এলাকা থেকে ৭০পিস ইয়াবা ও ৩০০০টাকা সহ আটক ১।

বান্দরবান বালাঘাটা শৈলশোভা এলাকা থেকে ৭০পিস ইয়াবা ও ৩০০০টাকা সহ আটক ১।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

গতকাল ২০ই জুন (শনিবার) রাত আনুমানিক ৭:০০ ঘটিকার সময় বান্দরবান সদর থানাধীন বান্দরবান পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডস্থ শৈলশোভা আবাসিক মাঠ এলাকার জনৈক ইঞ্জিনিয়ার শামীমের বসতঘরের পূর্ব পাশে খালি জায়গা বিশেষ অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবা ও নগর ৩০০০ টাকা সহ একজন কে আটক করেছে পুলিশ।

 

এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে বান্দরবান সদর থানার সাধারণ ডায়েরি নং-৯২৭, তারিখ-২০/০৬/২০২৬ খ্রিঃ মূলে এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ সৌরভ হোসেন, এসআই (নিঃ) টিটু সরকার, এসআই (নিঃ) রিয়াদুল ইসলাম এবং সঙ্গীয় ফোর্সসহ বান্দরবান সদর থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে অদ্য ২০/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ৭:০০ ঘটিকার সময় বান্দরবান পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডস্থ শৈলশোভা আবাসিক মাঠ এলাকার জনৈক ইঞ্জিনিয়ার শামীমের বসতঘরের পূর্ব পাশে খালি জায়গা হতে ধৃত আসামি মোঃ রিফাত হোসেন বাবু (২৫) কে ৭০ (সত্তর) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকাসহ গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে থানায় এসে বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে নিম্নে ১০নং কলামে বর্ণিত মামলা রুজু করা হয়।

 

আসামি ও অভিযুক্তরা হলেন, ১। মোঃ রিফাত হোসেন বাবু (২৫),পিতা- আব্দুল আজিজ ড্রাইভার, মাতা- মৃত মনোয়ারা বেগম, সাং- শৈলশোভা আবাসিক এলাকা, ২নং ওয়ার্ড, বান্দরবান পৌরসভা, থানা- বান্দরবান সদর, জেলা- বান্দরবান।

 

পুলিশ কতৃপক্ষ জানায়: আমরা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শৈলশোভা এলাকায় অভিযান চালাই। আসামিকে মাদক ও নগদ টাকাসহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

 

এলাকাবাসী পুলিশের এই তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পাড়া-মহল্লায় মাদকের এই অবৈধ স্পটগুলো পুরোপুরি নির্মূল করা হোক।