খুঁজুন
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

লামা খালের উপর সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পাঁচ শতাধিক পরিবার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
লামা খালের উপর সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পাঁচ শতাধিক পরিবার।

লামা খালের উপর সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পাঁচ শতাধিক পরিবার।

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

বান্দরবানের লামা উপজেলার লামা-রূপসীপাড়া সড়কের দরদরী বড়ুয়া পাড়া সংলগ্ন লামা খালের উপর একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরিয়া চরম দুর্ভোগ পোহাইতেছেন স্থানীয় জনগণ। বিশেষ করিয়া চলতি বর্ষা মৌসুমে জনদুর্ভোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করিয়াছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মানুষ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হইতেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লামা খালের উপর সেতু না থাকায় বর্ষাকালে খাল পারাপার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হইয়া পড়ে। ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করিতে ব্যর্থ হয়। এতে তাহাদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হইতেছে।

 

এদিকে জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও দুর্ভোগের অন্ত নাই। বিশেষত গর্ভবতী নারী, অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের খাল পারাপারে চরম ভোগান্তির শিকার হইতে হয়। অনেক সময় সময়মতো চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করিতে না পারায় জীবনহানির ঘটনাও ঘটিতেছে বলিয়া অভিযোগ রহিয়াছে।

 

অপরদিকে কৃষকরাও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হইতেছেন। উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করিতে না পারায় ন্যায্যমূল্য হইতে বঞ্চিত হইতেছেন তাঁহারা। ফলে এলাকার কৃষি অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হইতেছে এবং কৃষকদের আর্থিক দুরবস্থা ক্রমেই বৃদ্ধি পাইতেছে।

 

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, দরদরী বড়ুয়া পাড়া সংলগ্ন লামা খালের উপর একটি সেতু নির্মাণ করা হইলে মংডুপাড়া, বৈক্কমঝিরি, দরদরী মার্মা পাড়া, মাস্টার পাড়া, পোয়াইজ্জা পাড়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ মুসলিম পাড়াসহ অন্তত পাঁচ শতাধিক পরিবারের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হইবে।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, “এ সড়কটি এলাকার জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেতুর অভাবে জনসাধারণ দীর্ঘদিন ধরিয়া ভোগান্তির শিকার হইতেছেন। বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করা হইয়াছে। দ্রুত সেতু নির্মাণ করা হইলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন ঘটিবে।”

 

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণও সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করিয়া বলেন, “এটি কেবল একটি সেতুর দাবি নহে; বরং এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি অর্থনীতির স্বার্থে একটি অত্যাবশ্যক অবকাঠামোগত প্রয়োজন।”

 

এলাকাবাসী বর্তমান সরকারের নিকট দ্রুত লামা খালের উপর একটি টেকসই সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানাইয়াছেন। তাঁহাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করিয়া দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন এবং দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগের অবসান হবে।

বাঁশখালীতে বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীতে বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

বাঁশখালীতে বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

 

বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি (বিসিডিএস) বাঁশখালী উপজেলা উপশাখার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে গুনাগরী খাসমহলস্থ স্বপ্নচূড়া রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিসিডিএস বাঁশখালী উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মো. ছমুদুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব আনোয়ারুল আজিম।

 

সভায় বক্তারা বলেন, উপজেলার ওষুধ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, ব্যবসায়িক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, বৈধ ও মানসম্মত ওষুধ বিপণন নিশ্চিতকরণ এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে ওষুধ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়।

 

সভায় বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি (বিসিডিএস) চট্টগ্রাম শাখা কর্তৃক অনুমোদিত ২৫ সদস্যবিশিষ্ট বাঁশখালী উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে বেগবান করার পাশাপাশি নতুন সদস্য সংগ্রহ, বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য হালনাগাদ এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

 

সভায় জানানো হয়, বিসিডিএস চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মো. নুরুল গণি স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রের মাধ্যমে বাঁশখালী উপজেলা উপশাখার ২৫ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এ কমিটির মেয়াদ বলবৎ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে সংগঠনের কার্যক্রম মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তীতে মেয়াদ বৃদ্ধি কিংবা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

মতবিনিময় সভায় আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মো. নুরুল আলম, মো. ফারুক ছোবহান, সলিল কান্তি দাশ, শহিদুল ইসলাম, রাজু দাস, ছগীর আহমদ চৌং, টুটুল তালুকদার, প্রদীপ কুমার তালুকদার, আশীষ কুমার পাল, নুর হোসেনসহ আহ্বায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভা শেষে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৩২ বান্ডিল গাঁজাসহ আটক ২, পিকআপ জব্দ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ৩২ বান্ডিল গাঁজাসহ আটক ২, পিকআপ জব্দ।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৩২ বান্ডিল গাঁজাসহ আটক ২, পিকআপ জব্দ।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী-ফারাবাড়ি রোডের বকুলতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩২ বান্ডিল গাঁজা ও একটি পিকআপ ভ্যানসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়।

 

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে মোঃ খোরশেদ (৪৪) এবং ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামচন্দ্র নগর গ্রামের মৃত মোঃ হাছান আলীর ছেলে মোঃ সিরাজ মিয়া (৪০)।

 

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি চৌকস দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। সন্দেহভাজন একটি পিকআপ ভ্যানকে থামিয়ে তল্লাশি চালালে ভেতর থেকে ৩২ বান্ডিল গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনের অভিযোগে পিকআপে থাকা ওই দুই ব্যক্তিকে আটক এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করা হয়।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা (মামলা নং-০৪, তারিখ: ১৭/০৬/২০২৬ইং) রুজু করা হয়েছে। আজ বুধবার আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

“পাহাড়তলীতে তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি রেজাউল করিম গ্রেপ্তার”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
“পাহাড়তলীতে তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি রেজাউল করিম গ্রেপ্তার”।

পাহাড়তলীতে তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি রেজাউল করিম গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার পর সিডিএ মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে আটক; পাহাড়তলীসহ নগরের বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা

 

চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানা পুলিশের অভিযানে রেজাউল করিম (প্রকাশ্যে পরিচিত ‘মুন্নির জামাই রেজাউল’ নামে) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি পাহাড়তলী থানার তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।

 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত ৯টার দিকে পাহাড়তলী থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল সিডিএ মার্কেট সংলগ্ন রেললাইন এলাকার রাসুল আহমদের কলোনিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার পর তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে পাহাড়তলী থানাসহ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় মাদক ও অন্যান্য অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত এবং মামলাগুলোর আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, রেজাউল করিমের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ মাদকচক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

 

অভিযান সম্পর্কে জানতে চাইলে পাহাড়তলী থানার সেকেন্ড অফিসার বলেন, “আমার এলাকায় কোনো ধরনের মাদক সিন্ডিকেট গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি থানার পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিযোগভিত্তিক একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলবে।”

 

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক যুবদল নেতা বলেন, “মাদকের কারণে যুবসমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। মাদকসেবন, চুরি, ছিনতাই, দখলবাজি ও নানা অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে মাদক বড় কারণ। প্রশাসন যদি দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।”

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাহাড়তলী, নোয়াপাড়া, রেলবিট, আজমনগর, লংকাপাড়া, বারুণীঘাট, কলেজ রোড, শফি কলোনি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকসংক্রান্ত কার্যক্রমের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে।

 

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযোগভিত্তিক তালিকায় থাকা বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে মাদক ও অন্যান্য অপরাধসংক্রান্ত মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে কারাগারেও রয়েছেন। তবে প্রত্যেক অভিযোগের বিষয়ে আইনগত তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

পাহাড়তলী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, গোয়েন্দা তথ্য বা মামলা রয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান শুধু গ্রেপ্তারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মাদক সরবরাহ, অর্থায়ন এবং নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িতদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সাম্প্রতিক অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে পাহাড়তলী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।