খুঁজুন
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন বাঁশখালী থানার রবিউল হক”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
“চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন বাঁশখালী থানার রবিউল হক”।

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন বাঁশখালী থানার রবিউল হক।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

 

পুলিশি কার্যক্রমে দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখায় চট্টগ্রাম জেলার মে ২০২৬ মাসের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হক।

 

মঙ্গলবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার তাঁর হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন।

 

ওসি রবিউল হকের নেতৃত্বে মে মাসে বাঁশখালী থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে। একই সময়ে থানায় রুজুকৃত ৪৯টি মামলার শতভাগ নিষ্পত্তি করা হয়। এছাড়া ১২৫টি বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

 

অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আসামি গ্রেফতারে ছিল উল্লেখযোগ্য সাফল্য। নিয়মিত মামলায় ৭৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৬০ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে আটকসহ মোট ১৭৬টি ওয়ারেন্ট কার্যকর করা হয়েছে।

 

মাদকবিরোধী অভিযানে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছে বাঁশখালী থানা। বিভিন্ন অভিযানে ২ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্ত ৬টি মামলায় ৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া মাদকসেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ২৫টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

ওসি রবিউল হক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার, বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যানজট নিরসনে তিনি ও তাঁর নেতৃত্বাধীন পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ওসি রবিউল হকের নেতৃত্বে বাঁশখালী থানার পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে চলেছে। তাঁর এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাঁশখালী থানার সমগ্র পুলিশ বাহিনীর আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি।

 

জনগণের জানমাল রক্ষা এবং একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ভবিষ্যতেও বাঁশখালী থানা একই নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

“সাতকানিয়ায় চেয়ারম্যান পদের পূণর্বহাল নিয়ে জঠিলতার সৃষ্টি জনমনে ক্ষোভ ও উত্তেজনা”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
“সাতকানিয়ায় চেয়ারম্যান পদের পূণর্বহাল নিয়ে জঠিলতার সৃষ্টি জনমনে ক্ষোভ ও উত্তেজনা”।

সাতকানিয়ায় চেয়ারম্যান পদের পূণর্বহাল নিয়ে জঠিলতার সৃষ্টি জনমনে ক্ষোভ ও উত্তেজনা।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ১৭নং সোনাকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা জসিম উদ্দিনকে উচ্চ আদালত কর্তৃক চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দেওয়া নিয়ে জঠিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে স্থানীয় জনগণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের দেখা মিলেছে।

 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরজেমিনে সোনাকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় পরিদর্শন করে এই দৃশ্য দেখা যায়।

 

স্থানীয় জনতা ও একাধিক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, জসিমের চেয়ারম্যান পদ ফিরে পাওয়াটা এলাকার জন্য কখনো ভালো বিষয় নয়। সে শুধু নৌকার চেয়ারম্যান ছিলেননা, এলাকাবাসীর উপর অত্যাচার করে ভোট কেন্দ্র দখল করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। ভোটের সময় ও নির্বাচন পরবর্তী মানুষের উপর যে নির্যাতন করেছেন মানুষ সেসব এখনো ভূলেনি।

 

স্থানীয়রা আরো বলেন, তার এলাকায় জনসমর্থণ নেই। ফলে সে পরিষদে এসে অফিস করতে পারবেনা। যার জন্য ভোগান্তি পোহাতে হবে জনগণকে। আমরা মনে করি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এ বিষয়গুলো ভেবে দেখা উচিত। এছাড়াও সে জনরোষ ও ক্ষুব্ধ জনতার আক্রমনের শিকার হতে পারে। সুতরাং বর্তমানে যেভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পরিষদ চলছে সেভাবে চললেই জনগণের জন্য ভালো হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

 

এর আগে গত ১৬ই এপ্রিল উচ্চ আদালতে চেয়ারম্যান পদ ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেন জসিম উদ্দিন। তার আবেদনের প্রেক্ষিত গত ১৭ই মে আদালত তাকে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে তার চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দিতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতা ও জেলা প্রশাসকের চিটির প্রেক্ষিতে গত ১১ই জুন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউেনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে চেয়ারম্যান পদে থেকে আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

 

তবে ইউএনওর প্রজ্ঞাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিষদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, আমাকে যখন দায়িত্ব দেওয়া হয় তখন একটি অফিস আদেশ দেওয়া হয়। কিন্তু কোন প্রকার অফিস আদেশ ও অব্যাহতিপত্র ছাড়া একজন সাবেক চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এটি কতটুকু আইনসঙ্গত আমি জানিনা।

 

এদিকে অফিস আদেশের পর চট্টগ্রামে গিয়ে গোপনে পরিষদের নথিপত্রে জসিম উদ্দিনের স্বাক্ষর নিয়েছেন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিউটন চক্রবর্তী। বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জঠিলতা। এ বিষয়ে তিন দিন নিয়মিত পরিষদে গিয়েও তার দেখা পাওয়া যায়নি। তবে মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, আমি উপজেলায় মিটিংয়ে আছি। নথিতে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তো চেয়ারম্যান এসে স্বাক্ষর করে গেছেন। তবে পরিষদের উদ্যোক্তা বলেন, কে স্বাক্ষর করেছে বিষয়টি দেখিনি। আমাকে কাগজগুলো এনে দিয়েছেন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

 

এদিকে আজ বুধবার স্থানীয় জনতা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ছাত্র প্রিতিনিধিরা মিলে ইউএনওকে স্মারকলিপি দেন। স্বারকলিপিতে জসিম উদ্দীনকে স্বৈরাচারের দোষর ও ছাত্রজনতার উপর হামলার একাধিক মামলার আসামি উল্লেখ করে তার চেয়ারম্যান পদ প্রত্যাহারের আবেদন জানান। এছাড়াও ইউএনওর প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে প্রশ্ন করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।

 

এবিষয়ে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, আদালত আমাদের কাছ থেকে কোন প্রকার ব্যখ্যা বা রিপোর্ট চায়নি। আদালত সরাসরি নির্দেশ পালন করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আদালতের আদেশকে ভায়োলেট করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালতের আদেশ সবার উপরে৷ আদালত যখন কোন আদেশ দেন তখন পূর্ববর্তী সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আদালতের আদেশের সাথে সাথে জসিম উদ্দীনের পদ বহাল হয়ে গেছে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদ স্থগিত হয়ে গেছে। সুতরাং অব্যাহতিপত্রের প্রয়োজন আর নেই।

“বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
“বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই”।

বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই।

ক্রাইম রিপোর্টার: শিউলি আক্তার।

 

বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা দেখার মত যেন কেউ নেই। যে ঘাটে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সরকার আসে আর যায় কিন্তু

 

ইজারাদের বদল হলেও বদল হয় না শুধু বন্দর ঘাটের। উন্নয় যেখানে যাত্রীদের নিরাপত্তা ভাবার কথা সেখানে কোন নজরই পরেনা কর্তৃপক্ষের।

 

অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হচ্ছে এবং যেখানে ট্রলার বেশি থাকার কথা সেখানে অল্প স্বল্প ট্রলার দিয়ে যাত্রী যাতায়াত করছে। এই অবস্থায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এরপরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে ঘাটে দখল করে বসে আছে হকাররা যেখানে যাত্রী সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা রাস্তা ঘাট সেখানে দখল করে আছে দোকানদারা। এতে করে দিন দিন বাড়ছে দোকানের সংখ্যা এবং যাত্রীদের চরম ভোগান্তি।

 

এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের যাতায়াত বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন্দরের সাধারণ মানুষ।

 

বন্দর ঘাটের পাশেই দায়িত্বে থাকেন পুলিশ অথচ পুলিশের নাকের ঢোকায় বসে এসব দোকানপাট ও হকাররা।

 

যেন দেখার মত কেউ নেই।এর নেপথ্যে ছদ্ম ছায়ায় বসে আছে হকাররা। শুধু তাই নয় যাত্রী ছাউনিগুলোতে হকারদের দখলে চলে যাওয়ার কারণে বৃষ্টি হলে আশ্রয় নিতে পারেন না যাত্রীরা। যাত্রীছাওনিতে বন্দর ঘাটের এই বেহাল দশার দেখার মতো যেন কেউ নেই। কবে মুক্তি পাবে বন্দর ঘাটের মানুষ কবে ফিরে পাবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা এমনটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।

“অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
“অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন”।

অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের নেট বোলার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন বাঁশখালীর তরুণ ক্রিকেটার আশরাফুল আলী তানভীর। তিনি বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। তার এই অর্জনে একাডেমি পরিবারসহ পুরো বাঁশখালীবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

ক্রিকেটে নিজের দক্ষতা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক মানের একটি দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলেন তানভীর। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের বিপক্ষে অনুশীলনে বল করার অভিজ্ঞতা তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।

বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক ও প্রধান কোচ, সাংবাদিক মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, “তানভীর শুরু থেকেই অত্যন্ত নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও একাগ্রতার সঙ্গে নিজেকে গড়ে তুলেছে। তার এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং একাডেমির অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তানভীরের এই অর্জন বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির জন্য যেমন গর্বের, তেমনি পুরো বাঁশখালীর জন্যও একটি সম্মানের বিষয়। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে একাডেমি পরিবারের সদস্যরা অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

স্থানীয় ক্রীড়ামোদীরাও তানভীরের এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা তাকে আরও পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। ভবিষ্যতে জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

বাঁশখালীর এই সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটারের সাফল্যে আজ গর্বিত পুরো জনপদ। সকলের প্রত্যাশা, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একদিন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন।