খুঁজুন
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
“অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন”।

অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের নেট বোলার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন বাঁশখালীর তরুণ ক্রিকেটার আশরাফুল আলী তানভীর। তিনি বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। তার এই অর্জনে একাডেমি পরিবারসহ পুরো বাঁশখালীবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

ক্রিকেটে নিজের দক্ষতা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক মানের একটি দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলেন তানভীর। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের বিপক্ষে অনুশীলনে বল করার অভিজ্ঞতা তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।

বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক ও প্রধান কোচ, সাংবাদিক মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, “তানভীর শুরু থেকেই অত্যন্ত নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও একাগ্রতার সঙ্গে নিজেকে গড়ে তুলেছে। তার এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং একাডেমির অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তানভীরের এই অর্জন বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির জন্য যেমন গর্বের, তেমনি পুরো বাঁশখালীর জন্যও একটি সম্মানের বিষয়। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে একাডেমি পরিবারের সদস্যরা অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

স্থানীয় ক্রীড়ামোদীরাও তানভীরের এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা তাকে আরও পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। ভবিষ্যতে জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

বাঁশখালীর এই সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটারের সাফল্যে আজ গর্বিত পুরো জনপদ। সকলের প্রত্যাশা, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একদিন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন।

“বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
“বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই”।

বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই।

ক্রাইম রিপোর্টার: শিউলি আক্তার।

 

বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা দেখার মত যেন কেউ নেই। যে ঘাটে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সরকার আসে আর যায় কিন্তু

 

ইজারাদের বদল হলেও বদল হয় না শুধু বন্দর ঘাটের। উন্নয় যেখানে যাত্রীদের নিরাপত্তা ভাবার কথা সেখানে কোন নজরই পরেনা কর্তৃপক্ষের।

 

অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হচ্ছে এবং যেখানে ট্রলার বেশি থাকার কথা সেখানে অল্প স্বল্প ট্রলার দিয়ে যাত্রী যাতায়াত করছে। এই অবস্থায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এরপরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে ঘাটে দখল করে বসে আছে হকাররা যেখানে যাত্রী সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা রাস্তা ঘাট সেখানে দখল করে আছে দোকানদারা। এতে করে দিন দিন বাড়ছে দোকানের সংখ্যা এবং যাত্রীদের চরম ভোগান্তি।

 

এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের যাতায়াত বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন্দরের সাধারণ মানুষ।

 

বন্দর ঘাটের পাশেই দায়িত্বে থাকেন পুলিশ অথচ পুলিশের নাকের ঢোকায় বসে এসব দোকানপাট ও হকাররা।

 

যেন দেখার মত কেউ নেই।এর নেপথ্যে ছদ্ম ছায়ায় বসে আছে হকাররা। শুধু তাই নয় যাত্রী ছাউনিগুলোতে হকারদের দখলে চলে যাওয়ার কারণে বৃষ্টি হলে আশ্রয় নিতে পারেন না যাত্রীরা। যাত্রীছাওনিতে বন্দর ঘাটের এই বেহাল দশার দেখার মতো যেন কেউ নেই। কবে মুক্তি পাবে বন্দর ঘাটের মানুষ কবে ফিরে পাবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা এমনটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।

“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে দুই মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রুহিয়া থানাধীন ৫ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের রামনাথ বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, মৎস্য আইন বাস্তবায়ন ও নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধের লক্ষ্যে রামনাথ বাজারে অভিযান চালান রুহিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ খাইরুল ইসলাম। এ সময় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির অপরাধে মামলা নং ৭৮/২০২৬ ও ৭৯/২০২৬ মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০-এর ১৬ ধারায় দুই ব্যবসায়ীকে ১ হাজার টাকা করে সর্বমোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কশালগাঁও গ্রামের মৃত হালিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ আবুল হোসেন (৫৫) এবং চাপাতি (পাইকপাড়া) গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে মোঃ শাহ আলম (৩০)। অভিযান শেষে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, জনস্বার্থে এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ মাছের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

 

​রোয়াংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: চিংনুমং মারমা

 

​বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

​মঙ্গলবার ১৬ জুন সকালে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘ওয়াশ ইন এফসি পিবিআই প্রকল্পের আওতায় এ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন, যার অর্থায়নে রয়েছে ওয়ার্ল্ড ভিশন ইউএসএ।

​হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের উপজেলা ওয়াশ অফিসার মংটিংসাই মারমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তাজনিম আলম তুলি।

​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

​মেহ্লাঅং মারমা, চেয়ারম্যান, রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ।

​উনুমং মারমা, চেয়ারম্যান, তারাছা ইউনিয়ন পরিষদ।

​বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, চেয়ারম্যান, আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদ।

​চনুমং মারমা, চেয়ারম্যান, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদ।

​ডা. আয়েশা, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

​সাথোয়াইঅং মারমা, সাধারণ সম্পাদক, রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব।

​অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের রোয়াংছড়ি এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রকাশ চাম্বুগং। তিনি প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, অর্জন, সফলতা এবং উপকারভোগীদের নানাবিধ ইতিবাচক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।”

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজনিম আলম তুলি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার এই সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত। এ ধরনের মানবিক সহায়তা কর্মসূচি প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

​সভা শেষে প্রকল্পের আওতায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৫৫ জন দুর্দশাগ্রস্ত উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন নির্মাণ সামগ্রী এবং ঘর প্রতি নগদ ৭,৪৭৩ টাকা করে বিতরণ করা হয়।

​উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।