খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

লামায় শিশু বলাৎকার ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি ১১ মাস পর গ্রেফতার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
লামায় শিশু বলাৎকার ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি ১১ মাস পর গ্রেফতার।

লামায় শিশু বলাৎকার ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি ১১ মাস পর গ্রেফতার।

মোঃ শফিকুল ইসলাম লামা,(বান্দরবান) প্রতিনিধি :

 

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ৯ (নয়)বছরের শিশু আরাফাত হোসেনকে বলাৎকারের পর শ্বাসরোধে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় প্রায় ১১ মাস পর প্রধান আসামি মো. আবদুল কুদ্দুচকে (৩৯) গ্রেফতার করেছে লামা থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতার মো. আবদুল কুদ্দুচ লামা উপজেলার ২ নম্বর লামা সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বৈক্ষম ঝিরি এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি করাতকল দেখাশোনার পাশাপাশি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন।

 

মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই দুপুরে লামা থানাধীন বৈল্যারচর এলাকায় বাদীর বসতঘরের সামনে মাচার ঢাসার সঙ্গে গলায় নেটের রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় শিশু আরাফাত হোসেনের মরদেহ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নানী শিশুটির গলায় থাকা রশি আগুনে পুড়িয়ে মরদেহ ঘরের ভেতরে নিয়ে যান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠায়। পরদিন, ৯ জুলাই এ ঘটনায় প্রথমে লামা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (নং-১১) রুজু করা হয়।

 

পরবর্তীতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং চিকিৎসকদের বিশেষজ্ঞ মতামতে ঘটনার পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত শিশুর অ্যানাল সোয়াবে বীর্যের উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। বান্দরবান জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আবু হেনা মো. সাইফুদ্দীন খালেদ মতামত দেন, শিশুটির মৃত্যু বলাৎকারের পর শ্বাসরোধের কারণে হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১১ জুলাই লামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা (নং-০৪, জিআর-৬৭/২৬) রুজু করা হয়।

 

মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন এসআই মো. সালাহ উদ্দিন। লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়। ওই দলে এসআই সত্যজিৎ বড়ুয়া ও এএসআই প্রকাশ ঘোষও ছিলেন।

 

লামা থানার এসআই মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, তদন্তে জানা যায়, মামলার প্রধান আসামি মো. আবদুল কুদ্দুচ ভিকটিমের নানী জুলেখা বেগমকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করতেন এবং একপর্যায়ে সন্দেহজনক আচরণ শুরু করেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি টের পেয়ে তিনি নিজের অটোরিকশাটি স্থানীয় হাফিজ মেম্বারের গ্যারেজে রেখে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যান।

 

পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহার ও গুপ্তচরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কাইছার হামিদের নেতৃত্বে এবং এসআই সত্যজিৎ বড়ুয়ার সার্বিক সহযোগিতায় লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর থানাধীন চর সামসুদ্দিন এলাকার রফিকগঞ্জ বাজার থেকে মো. আবদুল কুদ্দুচকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছেন যে, ঘটনার দিন ও সময়ে তিনি শিশু আরাফাত হোসেনকে পায়ুপথে ধর্ষণ (বলাৎকার) করেন। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং মরদেহ মাচার ঢাসার সঙ্গে গলায় নেটের রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান।

 

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কাইছার হামিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছায় এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।

পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

‎পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

।শহিদুল ইসলাম পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ছয় পেশাদার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা নিজ উদ্যেগে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বাদী নুর হোসেন। ‎

 

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে পটিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন তিনি। পরে আদালতের বিচারক আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

 

‎মামলার আসামিরা হলেন পটিয়ায় প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দৈনিক যুগান্তরের ও বাংলা টিভির প্রতিনিধি আবেদুজ্জমান আমিরী, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি রবিউল হোসেন, অর্থ সম্পাদক দৈনিক জনকণ্ঠ ও সুপ্রভাতের প্রতিনিধি বিকাশ চৌধুরী,

 

চট্টগ্রাম মঞ্চের প্রতিনিধি সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম কাদের,আপ্যায়ন সম্পাদক দেশ টিভির প্রতিনিধি মহিউদ্দিন চৌধুরী, সদস্য দৈনিক দেশ রূপান্তরের ও আনন্দ টিভির দক্ষিন জেলা প্রতিনিধি আ.ন.ম. সেলিম চৌধুরী।

 

‎জানা যায়, চলতি বছরের ১১ জুন সাংবাদিক নুর হোসেন বাদী হয়ে ১৭/২৬ নম্বর মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে কয়েকজনের প্ররোচনায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল বলে উপলব্ধি করেন তিনি। সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ ও ঐক্যে ফাটল ধরানোর আশঙ্কা থেকে মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ‎ আদালতের মাধ্যমে মামলাটি প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অবসান ঘটল।

 

শুনানীতে অংশ নেয়া অ্যাডভোকেট শাহীনা আকতার জানান, মামলা প্রত্যাহারের আবেদন আদালত গ্রহণ করে পটিয়া থানা পুলিশকে বিনা মন্তব্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশনা দেন।

 

পটিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন জানান, পেশাগত ঐক্য ধরে রাখতে সবপক্ষ যেন দায়িত্বশীল আচরণ করেন সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কমিটি ১জুন থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছে বলে জানান।

লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি:

‘দক্ষ যুব গড়বো দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামা উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে যুব র‍্যালি, যুব ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রোববার (১ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, লামার যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আলী হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা নাদিম এবং লামা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম (এল.এল.বি)।

 

সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খন্দকার আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন আরো উপস্থিত ছিলেন অশ্বিনী কুমার নন্দী

 

দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথমে একটি বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক পরিবর্তনে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুবকদের শুধু শিক্ষিত করলেই হবে না, বরং সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ, কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

 

বক্তারা আরও বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ঋণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ সময় ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য যুবকদের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

 

আলোচনা সভা শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও উদ্যোগী যুবকদের মাঝে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়

 

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন এলাকার যুবক-যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান:

বান্দরবানের আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ই অক্টোবর (শনিবার) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজ ম্যা মা চিং-এর পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সদস্য চ নু মং মার্মা।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সম্মানিত প্রতিনিধিরা এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক মানোন্নয়নে জেলা পরিষদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পরিষদের বক্তারা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের এ ধরণের সহায়ক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মার্মা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উদ্বোধন শেষে বিহারের সার্বিক সাফল্য এবং এলাকাবাসীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।