খুঁজুন
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উষ্ণ সংবর্ধনা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উষ্ণ সংবর্ধনা।

বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উষ্ণ সংবর্ধনা।

রোয়াংছড়ি,প্রতিনিধি: চিংনুমং মারমা।

 

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হওয়ায় রোয়াংছড়ি উপজেলার কৃতি সন্তান বাবু মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ সংবর্ধনা জানিয়েছে রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

 

এক জমকালো ও আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। ফুল দিয়ে বরণ করার সময় উপস্থিত সকলের মুখে ছিল আনন্দ ও উৎফুল্লতার অনাবিল হাসি।

 

অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:

 

বাবু মংহাইনু মারমা সাবেক সভাপতি, রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি

 

বাবু গান্ধীলাল তঞ্চঙ্গ্যা সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি

 

অংশৈচিং মারমা সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি

 

উত্তম তঞ্চঙ্গ্যা আহ্বায়ক, রোয়াংছড়ি উপজেলা ছাত্রদল

 

চিংনুমং মারমা আহ্বায়ক, রোয়াংছড়ি উপজেলা জাসাস

 

সাচিং মারমা

 

মংবাথোয়াই মারমা

 

এ ছাড়া রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, জাসাসসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে নতুন সদস্যকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান।

 

সংবর্ধনার জবাবে বান্দরবান জেলা পরিষদের নবমনোনীত সদস্য বাবু মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা অত্যন্ত আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তাঁর এই দায়িত্বপ্রাপ্তির পেছনে যাঁদের অবদান ও সমর্থন রয়েছে, তাঁদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান:

 

মাম্যাচিং মারমা চেয়ারম্যান, বান্দরবান জেলা পরিষদ

 

জাবেদ রেজা সদস্য সচিব, বান্দরবান জেলা বিএনপি

 

জনাব মোঃ মীর হেলাল উদ্দিন প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

 

বক্তব্যে মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-এর চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, “দলের অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান আমার ওপর আস্থা রেখে যে গুরুত্বপূর্ণ অর্পিত দায়িত্ব ও আমানত দিয়েছেন, আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার প্রতিশ্রতি দিচ্ছি।”

 

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য। কোনো প্রকার ভেদাভেদ না রেখে জাত, ধর্ম, বর্ণ ও দল-মত নির্বিশেষে রোয়াংছড়ি তথা সমগ্র বান্দরবান জেলার সাধারণ মানুষের কল্যাণে তিনি আজীবন সেবা করে যাওয়ার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন।

 

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, বাবু মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যার দক্ষ নেতৃত্বে রোয়াংছড়ি উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে আশা ব্যার্থ করেছে স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইলের সখিপুর ফাঁসিতে ঝুলে শাহনাজ (২৮) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

 

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুৃমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

 

গৃহবধূ শাহনাজ উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বানিয়ারসিট পূর্বপাড়া নুরজামাল এর স্ত্রী । নুরজামাল ওই গ্রামের মৃত সায়েম উদ্দিন এর ছেলে।

 

শাহনাজ উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন শাহনাজের স্বামীর পরিবার সখিপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানা যায়।

 

আরো জানা যায়, স্ত্রী শাহানাজের আকস্মিক এরকম মৃত্যুর পর স্বামী নুরজামালের আচরণে-অনুভূতিতে বিশেষ কোনো অনুশোচনার চিহ্ন পাওয়া যায় নাই। ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করার পর লাশটি পুলিশ আসার পূর্বেই স্বামীর পরিবারের সদস্যরা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে ছিল বলে জানা যায়।

 

এদিকে এ বিষয়ে মৃত শাহনাজের বাবা আব্দুল আজিজ  জানান, গত প্রায় ১২ বছর পূর্বে  নূরজামালের সাথে আমার মেয়ের বিবাহ হয়। মাঝে মধ্যেই তাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতো বলে আমার মেয়ে জানাত। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে সে সব বিষয় নিয়ে অনেক সালিশি বৈঠক হয়।

 

তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল। ছোটখাটো অনেক ঘটনাই ঘটছে, কিন্তু আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানাইতো না। আমার মেয়ে সারাদিন কাজ করতো , স্বামীর গরু ও মুরগির খামার আমার মেয়েই সামলাতো। কাজ করতে করতে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলো। আমার মেয়ে সংসারী ছিল। তার দুটি শিশু বাচ্চা রেখে সে কখনো আত্মহত্যা করতে পারে না।

 

শাহনাজের বাবা আরো বলেন, সাংসারিক বিষয়ের ভালো-মন্দ কোন বিষয়েই মেয়ের জামাই কোনো সংবাদ আমাদের জানাতোনা। এমনকি মেয়েকে আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগও করতে দিত না।

 

মেয়ের জামাই ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়ে সুস্থ -সবল শাহনাজের মাথায় সমস্যা এমন মিথ্যা অপবাদও দিচ্ছে। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

 

নিহত শাহনাজের স্বামী নুর জামাল ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে বলেন, শাহনাজের মাথায় সমস্যা ছিল। গত বৃহস্পতিবার শাহানাজ ঘরের ভেতর দড়ি দিয়ে ঝুলে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

এ বিষয়ে সখিপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,  থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের -১ নং ওয়ার্ডের তংমক পাড়া এলাকায় এক মারমা কিশোরীকে একই সম্প্রদায়ের চার যুবক মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে জোরপূর্বক ওষুধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত করানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযুক্তরা হলেন- ক্যহ্লাচিং মারমা-র ছেলে ক্যসিংনু মারমা, ঞোচিংঅং মারমা-র ছেলে উহাইমং মারমা, মংচ মারমা-র ছেলে সিংহ্লা মারমা ও মৃত মংচহ্লা মারমা-র ছেলে উশৈনু মারমা।

 

ভুক্তভোগী কিশোরীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে ক্যহ্লাচিং মারমার ছেলে ক্যসিং নু মারমা তাকে ধর্ষণ করেন। পরদিন উহাইমং মারমা ও সিংহ্লা মারমা এবং পরবর্তীতে উশৈনু মারমা নামে এক যুবকও তাকে ধর্ষণ করেছেন বলে ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, উশৈনু মারমা একজন সন্তানের বাবা।

 

ভুক্তভোগী কিশোরীর বক্তব্য অনুজায়ি ঘটনার প্রায় চার মাস পর উহাইমং মারমা তাকে এক পাতা গর্ভপাতের ট্যাবলেট দেন। ওই ট্যাবলেট খাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে বিষয়টি তার মা-বাবার কাছে প্রকাশ পেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বান্দরবানে পাঠানো হয়।

 

পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন থাকার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে কিশোরীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসার মাধ্যমে তার গর্ভধারণ ও পরবর্তী জটিলতার বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ পায় বলে তারা দাবি করেছেন। পাড়াবাসীর কাছ থেকেও বিষয়টি সম্পর্কে তারা জানতে পেরেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি ওয়ার্ড সদস্য মংছো মারমার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ স্থাপনে সমস্যার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

অন্যদিকে, পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে তিনি অবগত তবে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার বা স্বজনদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত তাকে কিছুই জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

এদিকে, ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কিশোরীর বাবা গত -১২ সেপ্টেম্বর রুমা থানায় গিয়ে মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়াকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রায় দুই দিন আগে রুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি তাকে ফোনে অবহিত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। মামলা বা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়—পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়—পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি

কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়—পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি

 নিজস্ব প্রতিবেদক

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি বলেছেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বকে সকল ক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন ভুল তথ্যের শিকার না হয়, কোনো অভিভাবক যেন প্রতারণার শিকার না হন এবং কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়—এ বিষয়ে FACD-CAB-কে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

গতকাল রাতে ঢাকার বনানীতে হোটেল সেরিনা’র হলরুমে এক্সিকিউটিভ কমিটি ২০২৫-২০২৭-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে Foreign Admission & Career Development Consultants Association of Bangladesh (FACD-CAB)-এর “পরিবর্তনের এক বছর” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু এসব কথা বলেন।

 

বক্তব্যে প্রধান অতিথি মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মানবসম্পদ। পাহাড় ও সমতলের সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলের কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন কেবল ভৌগোলিক বা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে উচ্চশিক্ষা আর কোনো দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের সন্তানরা বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবে, আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞান অর্জন করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।

 

পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও সঠিক দিকনির্দেশনা ও তথ্যের অভাবে তারা আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে পিছিয়ে পড়ে। তিনি পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বিশেষ স্কলারশিপ, আর্থিক সহায়তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, ভর্তি ও ভিসা কাউন্সেলিং এবং IELTS প্রস্তুতিতে সহায়তার ওপর জোর দেন। পাহাড়ি ও সমতলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য দূর করে একটি সমৃদ্ধ, শিক্ষিত ও দক্ষ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

 

বিদেশে উচ্চশিক্ষা পরামর্শক খাতের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী সাচিং প্রু উল্লেখ করেন, কোনো শিক্ষার্থী যেন ভুল তথ্য বা প্রতারণার শিকার না হয় সে বিষয়ে FACD-CAB-কে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। স্বচ্ছতা ও পেশাগত মান ধরে রাখলে সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তা ও সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন FACD-CAB-এর আহ্বায়ক জনাব জি এম ফারুক, FACD-CAB-এর সভাপতি জনাব জুলফিকার আলী জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক জনাব মেহেদী হাসান এবং আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী এমপি ও মিজ্ সেলিনা সুলতানা নিশিতা এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ, শিক্ষা পেশাজীবী এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা।