খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানে জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০,০০০ পিস ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন জব্দ; ০১ জন গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০,০০০ পিস ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন জব্দ; ০১ জন গ্রেফতার

বান্দরবানে জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০,০০০ পিস ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন জব্দ; ০১ জন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

০৪ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকাল ০৯:২১ ঘটিকায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার-এর নির্দেশক্রমে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল আজম-এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে বান্দরবান সদর থানাধীন বান্দরবান পৌরসভার ০৯নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর সাকিনস্থ তাজিংডং হোটেলের সামনে পাকা রাস্তায় অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার কেরানীহাট থেকে বান্দরবানের দিকে আসা একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।

এ সময় গাড়ির চালকের আসনে থাকা মোঃ জাকির হোসেন (৩৩), পিতা—মোখলেচুর রহমান, মাতা—রফিয়া খাতুন, সাং—কাশেম মাস্টারের বাড়ি, রামপুর, থানা—বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা পরিলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে তার গাড়িতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট থাকার কথা স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামির দেখানো ও শনাক্ত মতে প্রাইভেটকারটি তল্লাশি করে গাড়ির পিছনের সিটের ভিতরে বিশেষ কৌশলে খাকি কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ১৫টি পোটলা উদ্ধার করা হয়। পোটলাগুলোর প্রতিটিতে ১০টি করে মোট ১৫০টি নীল রঙের বায়ুরোধক পলিজিপার প্যাকেট এবং প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে সর্বমোট ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) পিস (ভাঙ্গা সহ) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯০,০০,০০০/- (নব্বই লক্ষ) টাকা।

জব্দকৃত আলামত:-

১. ৩০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট

২. ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকার, রেজিঃ ঢাকা মেট্রো-গ-১৬-৮৪৩৯

৩. গ্রেফতারকৃত আসামির ব্যবহৃত ০১টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে কক্সবাজার জেলা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট হতে ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলার অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে আরও ০৩ জন অজ্ঞাতনামা সহযোগীর সঙ্গে প্রাইভেটকারযোগে ইয়াবা পরিবহন করছিল।

পরবর্তীতে চট্টগ্রামের কেরানীহাট এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা কৌশলে কেরানীহাট হয়ে বান্দরবানে প্রবেশ করে। বান্দরবান বাসস্টেশন এলাকায় ওই তিনজন অজ্ঞাতনামা সহযোগী গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায় বলে গ্রেফতারকৃত আসামি জানায়।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য, প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন অদ্য ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ ১৪:৪০ ঘটিকায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। একই সঙ্গে পলাতক অজ্ঞাতনামা সহযোগী ও মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশ দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

 

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং ইউনিয়নের নাছালং পাড়ায় তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ এবং তামাকের বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ সুমন কুমার বসাক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব চনুমং মারমা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রোয়াংছড়ি উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ এহসানুল হক।

 

এ সময় এলাকার তামাক চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। বক্তারা তামাক চাষের ফলে মাটি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব এবং তামাক চাষে কৃষকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তামাকের পরিবর্তে ধান, শাকসবজি, ফলমূলসহ বিভিন্ন লাভজনক ও পুষ্টিকর ফসল চাষের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাহাড়ি এলাকার মাটি ও জলবায়ু উপযোগী বিকল্প ফসল চাষের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে এগিয়ে আসার জন্য কৃষকদের আহ্বান জানানো হয়।

 

উঠান বৈঠকে স্থানীয় তামাক চাষিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা তামাক চাষ থেকে বেরিয়ে এসে বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তার বিষয়ে কৃষকদের আশ্বস্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে চারজন গণমাধ্যমকর্মী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

উঠান বৈঠক শেষে নাছালং পাড়ায় ঝুম ধানের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়। এ সময় পাহাড়ি কৃষির সম্ভাবনা, ঝুম চাষের আধুনিকায়ন এবং কৃষকের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।

 

তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং কৃষকদের বিকল্প ফসল চাষে উৎসাহিত করার মাধ্যমে রোয়াংছড়ির পাহাড়ি কৃষিতে নিরাপদ, টেকসই ও লাভজনক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

‎মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় প্যারাগন শালবাহান লিমিটেডের বর্জ্য পদার্থ কৃষিজমিতে ছড়িয়ে পড়ার কারণে একাধিক কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রুহিয়া উপজেলার ৩ নম্বর রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ী শালবাহান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, পূর্বে এই মিলের আশেপাশের জমিতে ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি না হলেও, সম্প্রতি ফার্মটিতে নতুন একটি জৈব সার কারখানা চালুর পর থেকেই এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর আগে গত বছর বা তারও আগের ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মতে, সাময়িক ক্ষতিপূরণ দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, এর একটি স্থায়ী ও কার্যকর প্রতিকার প্রয়োজন। ভুক্তভোগী কৃষক মোস্তাফিজুর, গুলজার, নাসিরুল, রুহুল আমিন ও হেলাল জানান, বর্জ্য পদার্থের প্রভাবে বর্তমানে তাদের প্রায় ৩ একর জমির করলা খেত নষ্ট হওয়ার পথে। এ বিষয়ে প্যারাগন শালবাহান ফার্মের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম বলেন, কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে একজন কৃষি কর্মকর্তা ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন। তিনি পরিদর্শনের বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিলে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি, এই সমস্যা সমাধানে কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যায় কি না, সেটিও তাদের বিবেচনায় রয়েছে।

বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি

 

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হেব্রন খ্রিস্টান স্কুল মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে বালক ও বালিকা দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি, মালুমঘাট, চকরিয়ার সভাপতি মনতাজন ত্রিপুরা; বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন; উপদেষ্টা মো. নুরুল আবছার; শহীদ আবদুল হামিদ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তফা; লামা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব চৌধুরী মো. সুজন; বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুল হক; ৪ নম্বর বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুর রহমান এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুপ্রভাত ত্রিপুরা।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা স্মীতা ত্রিপুরা।

 

ফাইনাল খেলাকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।