খুঁজুন
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মধু পূর্ণিমা আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মধু পূর্ণিমা আজ

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মধু পূর্ণিমা আজ

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ মধু পূর্ণিমা’ আজ যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে সারাবিশ্বের ন্যায় দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় নানা আচার অনুষ্ঠান ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে শুভ মধু পূর্ণিমা।

বৌদ্ধ ধর্মীয় ইতিহাস অনুযায়ী, সুদূর অতীতে বনের হাতি ও বানরের মধ্যে প্রীতি ও সেবামূলক এক অনন্য ঘটনার স্মৃতিবিজড়িত দিন এটি। কথিত আছে, গৌতম বুদ্ধ কোসাম্বী নগরের ঘোষিতা নামক আরামে অবস্থানকালে ভিক্ষু সংঘের অভ্যন্তরীণ বিবাদ মেলাতে ব্যর্থ হয়ে একা বনের গভীরে চলে যান। তখন বন্য হাতি ‘পারিলিলে্যক’ বুদ্ধের সেবায় এগিয়ে আসে এবং বানর দল ভক্তিভরে মধু সংগ্রহ করে বুদ্ধের পানে নিবেদন করে। বুদ্ধ সেই মধু গ্রহণ করায় বানরটি আনন্দে আত্মহারা হয়ে গাছে গাছে লাফালাফি করতে গিয়ে মারা যায় এবং পুণ্যফলে স্বর্গে জন্মগ্রহণ করে। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর এই তিথিতে বানর কর্তৃক মধু দানের কথা স্মরণ করে বুদ্ধ ও ভিক্ষু সংঘকে মধু দান করে থাকেন।

বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে দিনটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে এবং চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে‌। সকালে জাতীয় পতাকা ও বৌদ্ধ পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বুদ্ধের চরণে ফুল ও ফল নিবেদন এবং সমবেত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পুণ্যার্থীরা বিহারে গিয়ে অষ্টশীল ও পঞ্চশীল গ্রহণ করেন এবং ভিক্ষু সংঘের কাছ থেকে মধু পূর্ণিমার ইতিহাস ও ধর্মের বাণী শ্রবণ করেন। প্রতিটি বিহারে সমবেত হয়ে পুণ্যার্থীরা ভিক্ষু সংঘের উদ্দেশ্যে মধু ও অন্যান্য দান সামগ্রী উৎসর্গ করে থাকেন।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মতে, মধু পূর্ণিমা কেবল একটি আচার-অনুষ্ঠান নয়; এটি অহিংসা, পরোপকার এবং মানবপ্রেমের শিক্ষা দেয়। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বুদ্ধের বাণী ও এই উৎসবের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দিনটি উপলক্ষে সারাবিশ্ব ও দেশবাসীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

বান্দরবানে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার চার পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার চার পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

বান্দরবানে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার চার পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন শহর বান্দরবানে আগত পর্যটকদের জন্য বিশেষ ছাড় ও উপহার ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল ২৭ই সেপ্টেম্বর (রবিবার) জেলার জনপ্রিয় চারটি পর্যটনকেন্দ্রে কোনো ধরনের প্রবেশ ফি নেওয়া হবে না। এর ফলে প্রতিটি পর্যটকের ২০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হবে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবস উপলক্ষে আগামীকাল রবিবার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন পরিচালিত পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ সম্পূর্ণ ফ্রি বা মওকুফ থাকবে নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক, এবং প্রান্তিক লেক।

প্রতিবছর বিশ্ব পর্যটন দিবসটি আনন্দদায়ক ও স্মরণীয় করে রাখতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ বছর জেলা প্রশাসনের এই যুগোপযোগী পদক্ষেপে পর্যটকরা পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই এসব দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার সুবর্ণ সুযোগ পাবেন। পাহাড়ি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি একটি দারুণ আনন্দের খবর।

সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ আশা করছে, এই বিশেষ দিনটিতে বান্দরবানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাবে এবং ভ্রমণপিপাসুরা স্বাচ্ছন্দ্যে পাহাড়ের রূপ উপভোগ করতে পারবেন।

রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

মোঃ শফিকুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুল প্রাঙ্গনে এ ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক মোঃ আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী ও অভিভাবক বৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলাফল প্রকাশ করেন এবং অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক মোঃ আব্দুল আলিম বলেন, “গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমার বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষকের অবহেলার করনে কোমলমতি ছাত্রছাত্রী ক্ষতি হয় তহলে বদ্দাশ করব না। প্রয়োজনে আরো শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যতে দেশের সম্পদ হোক।”এসময় তিনি অভিভাবকদের প্রতি তাদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠান এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ
বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

মো. আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কক্সবাজার ম্যারাথনে’ অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বান্দরবান হিল রানার্স কমিউনিটির দৌড়বিদেরা। প্রতিযোগিতার ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে সা অং প্রু মারমা (ক্যক্য) ১ম রানার আপ এবং ডা. শান্তানু দাশ ২য় স্থান অর্জন করেছেন।

 

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কক্সবাজার ম্যারাথনে অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বান্দরবান হিন রানার্স কমিটি প্রতিনিধিরা।

 

প্রতিযোগিতার ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে

 

১ম রানা আপ এবং ডা. ২য় স্থান অর্জন করেন।

 

আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টায় কক্সবাজারের ইনানী সৈকত থেকে ম্যারাথন শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় আড়াই হাজার দৌড়বিদ এতে অংশ নেন।

 

বান্দরবান থেকে হিল রানার্স কমিউনিটির প্রায় ৫-৬ জন দৌড়বিদ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

 

এর মধ্যে ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে সা অং প্রু মারমা (ক্যক্য) ও ডা. শান্তানু দাশ যথাক্রমে প্রথম রানার আপ ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। রুপন চৌধুরী, সুজন দাশসহ বান্দরবানের আরও কয়েকজন দৌড়বিদ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফলভাবে দৌড় শেষ করেন।

 

এর আগে গত ২১ আগস্ট ২০২৬ চট্টগ্রামের নোমান কলেজ রোডে অনুষ্ঠিত ‘চট্টমেট্রো হাফ ম্যারাথনে’ও সাফল্য পান বান্দরবান হিল রানার্সের দৌড়বিদ মো. ইকবাল হোসেন অনিক।

 

তিনি ৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে চার শতাধিক প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

 

হিল রানার্সের প্রতিনিধিরা বলেন, পাহাড়ি এলাকার তরুণদের মধ্যে দৌড় ও শরীরচর্চার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে তারা নিয়মিত জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

 

ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ম্যারাথনে অংশ নিয়ে বান্দরবানের জন্য আরও ভালো ফলাফল অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।