খুঁজুন
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ
বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

মো. আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কক্সবাজার ম্যারাথনে’ অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বান্দরবান হিল রানার্স কমিউনিটির দৌড়বিদেরা। প্রতিযোগিতার ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে সা অং প্রু মারমা (ক্যক্য) ১ম রানার আপ এবং ডা. শান্তানু দাশ ২য় স্থান অর্জন করেছেন।

 

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কক্সবাজার ম্যারাথনে অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বান্দরবান হিন রানার্স কমিটি প্রতিনিধিরা।

 

প্রতিযোগিতার ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে

 

১ম রানা আপ এবং ডা. ২য় স্থান অর্জন করেন।

 

আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টায় কক্সবাজারের ইনানী সৈকত থেকে ম্যারাথন শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় আড়াই হাজার দৌড়বিদ এতে অংশ নেন।

 

বান্দরবান থেকে হিল রানার্স কমিউনিটির প্রায় ৫-৬ জন দৌড়বিদ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

 

এর মধ্যে ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে সা অং প্রু মারমা (ক্যক্য) ও ডা. শান্তানু দাশ যথাক্রমে প্রথম রানার আপ ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। রুপন চৌধুরী, সুজন দাশসহ বান্দরবানের আরও কয়েকজন দৌড়বিদ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফলভাবে দৌড় শেষ করেন।

 

এর আগে গত ২১ আগস্ট ২০২৬ চট্টগ্রামের নোমান কলেজ রোডে অনুষ্ঠিত ‘চট্টমেট্রো হাফ ম্যারাথনে’ও সাফল্য পান বান্দরবান হিল রানার্সের দৌড়বিদ মো. ইকবাল হোসেন অনিক।

 

তিনি ৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে চার শতাধিক প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

 

হিল রানার্সের প্রতিনিধিরা বলেন, পাহাড়ি এলাকার তরুণদের মধ্যে দৌড় ও শরীরচর্চার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে তারা নিয়মিত জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

 

ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ম্যারাথনে অংশ নিয়ে বান্দরবানের জন্য আরও ভালো ফলাফল অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

মোঃ শফিকুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুল প্রাঙ্গনে এ ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক মোঃ আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী ও অভিভাবক বৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলাফল প্রকাশ করেন এবং অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক মোঃ আব্দুল আলিম বলেন, “গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমার বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষকের অবহেলার করনে কোমলমতি ছাত্রছাত্রী ক্ষতি হয় তহলে বদ্দাশ করব না। প্রয়োজনে আরো শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যতে দেশের সম্পদ হোক।”এসময় তিনি অভিভাবকদের প্রতি তাদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠান এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার গৌরবের ৫০ বছর পূর্তি ১৯৭৬–২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

আজ: ২৬ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি, সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম মনজুরুল হক, দৈনিক সচিত্র মৈত্রীর সম্পাদক ও বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি, বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবুল কালাম,‌ বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ বদরুল হক।

 

এ সময় বক্তারা বলেন, বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা বিগত অর্ধশতাব্দী ধরে এই অঞ্চলে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং নৈতিকতা সম্পন্ন প্রজন্ম গঠনে সরকার সম্পন্ন প্রজন্ম গঠনে সরকার মাদ্রাসাশিক্ষার উন্নয়নে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।

 

এ সময় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও নাতে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে মূল পর্ব শুরু হয়। অর্ধশতাব্দীর পথচলায় মাদ্রাসার শিক্ষা বিস্তারে অবদান ও বর্তমান অর্জন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। মাদ্রাসার পুরোনো বন্ধুদের দীর্ঘদিন পর কাছে পেয়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং মাদ্রাসার হাজারো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পুরো প্রাঙ্গণটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে শুভ মধু পূর্ণিমা উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে শুভ মধু পূর্ণিমা উদযাপন

যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে শুভ মধু পূর্ণিমা উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান

বান্দরবান উৎসব উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মধু পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে ভক্ত ও পুণ্যার্থীদের উপচে পড়া সমাগম ঘটে।

 

মধু পূর্ণিমা উপলক্ষে শত শত দায়ক-দায়িকা ও ভক্ত বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে পুণ্যলাভের আশায় পুজনীয় ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে মধু, ফলমূল, মধুমিশ্রিত পায়েস ও ছোয়াইং খাবার দান করেন। এ সময় তারা বিশেষ ধর্মীয় প্রার্থনায় অংশ নিয়ে দেশ, জাতি ও বিশ্বমানবতার কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করেন।

 

বান্দরবান শহরের ঐতিহাসিক রাজগুরু বৌদ্ধ বিহারে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মদেশনা প্রদান করেন বিহারাধ্যক্ষ কেতু মথাথের। পুণ্যলাভের আশায় অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চনুমং মারমা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিপুলসংখ্যক দায়ক-দায়িকা।

 

সারাদিনের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সন্ধ্যায় পূজনীয় ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন, ধর্মীয় সভা ও বুদ্ধ-কীর্তনসহ নানা ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করা হয়। শুধু জেলা সদর নয়, বরং বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলার বৌদ্ধ বিহারগুলোতেও সমান উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মধু পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে।

 

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস ও ধর্মীয় কাহিনি অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ বর্ষাকালীন বনবাসে থাকাকালে পারিলেয়্য বনে অবস্থান করেন। ওই সময় একটি হাতি প্রতিদিন পরম যত্নে বুদ্ধকে ফলমূল দান করত। পরবর্তীতে একটি বানর মৌচাক এনে বুদ্ধকে দান করলে মৌচাকে ছানা ও কীট-পতঙ্গ থাকায় তিনি তা গ্রহণ করেননি। এরপর বুদ্ধের ইশারা বুঝে বানরটি মৌচাকটি পরিষ্কার করে পুনরায় খাঁটি মধু দান করলে বুদ্ধ তা সানন্দে গ্রহণ করেন। পারিলেয়্য বনে বন্য হাতির সেবা ও বানরের মধু দানের এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে স্মরণ করেই ভাদ্র মাসের এই পূর্ণিমা তিথিটি বৌদ্ধদের কাছে ‘মধু পূর্ণিমা’ হিসেবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে আছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের এই গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবটি ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদযাপিত হয় বিধায় এটি ‘ভাদ্র পূর্ণিমা’ নামেও ব্যাপকভাবে পরিচিত।