খুঁজুন
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

মাদক ও সীমান্ত অপরাধ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন, কক্সবাজারকে করা হবে আধুনিক পর্যটন নগরী” —পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
মাদক ও সীমান্ত অপরাধ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন, কক্সবাজারকে করা হবে আধুনিক পর্যটন নগরী” —পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

মাদক ও সীমান্ত অপরাধ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন, কক্সবাজারকে করা হবে আধুনিক পর্যটন নগরী” —পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

মাদক সমস্যা, সীমান্ত অপরাধ এবং শরণার্থী কেন্দ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রেস, মিডিয়া ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি। একই সঙ্গে কক্সবাজার ও পার্বত্য অঞ্চলের পারস্পরিক ভৌগোলিক ও সামাজিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি কক্সবাজারকে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী একটি আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

 

আজ (২৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সৌজন্য মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী সাচিং প্রু এসব কথা বলেন।

 

পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম একই সুতোয় গাঁথা।মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার ও বান্দরবানসহ দেশের পর্যটন খাতকে আরও এগিয়ে নিতে এবং পর্যটনকে দেশ-বিদেশে প্রমোট করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। কক্সবাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু আক্ষেপের সাথে বলেন, বর্তমানে জাতীয় সংসদে সবচেয়ে আলোচিত ও উদ্বেগের বিষয় হলো মাদক। সড়ক ও নৌপথে সীমান্ত পেরিয়ে যেভাবে দেশে মাদক প্রবেশ করছে, তাতে এ নীরব ঘাতক সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। এর থেকে মুক্ত হতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বানে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা জরুরি।

 

রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট এবং সীমান্ত অপরাধ নিয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি আরও বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একটি অংশ মাদক কারবারি, চোরাচালান, নারী ও অবৈধ অস্ত্র পাচারের মতো বিপজ্জনক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এসব সংকট নিরসনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাংবাদিকদের সাথে সমন্বয় করে একটি সুনির্দিষ্ট প্রেজেন্টেশন ও প্রস্তাবনা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা যেতে পারে। তিনি বলেন, কক্সবাজারের সব সংসদ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে পরামর্শ করে জেলার দায়িত্ব পালনে কাজ করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঐকান্তিক সহযোগিতায় কক্সবাজার ও পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব।

 

কক্সবাজারের পর্যটন ও সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের মাধ্যমে কক্সবাজারকে বিশ্বমানের আধুনিক পর্যটন শহর হিসেবে রূপান্তর করা হবে। আমাদের লক্ষ্য পাহাড়ি বৈচিত্র্য ও সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলা।

 

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশংসা করে মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের বিবেক। দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও গঠনমূলক উন্নয়নে সাংবাদিকেরা সব সময় জনগণের পাশে থেকেছেন। আপনারা বস্তুনিষ্ঠ ও প্রেজেন্টেশন-ভিত্তিক সংবাদের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরবেন—এমনটাই প্রত্যাশা। আমি আপনাদেরই একজন সদস্য হিসেবে দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই।

 

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাফর, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য অ্যাডভোকেট আবু সিদ্দিক উসমানী এবং শামসুল হক শারেকসহ স্থানীয় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকবৃন্দ।

রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ

মোঃ শফিকুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুলের সমাপনী পরীক্ষার ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় এ বি কিন্ডার গার্ডেন এন্ড মডেল স্কুল প্রাঙ্গনে এ ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক মোঃ আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী ও অভিভাবক বৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলাফল প্রকাশ করেন এবং অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক মোঃ আব্দুল আলিম বলেন, “গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমার বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষকের অবহেলার করনে কোমলমতি ছাত্রছাত্রী ক্ষতি হয় তহলে বদ্দাশ করব না। প্রয়োজনে আরো শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যতে দেশের সম্পদ হোক।”এসময় তিনি অভিভাবকদের প্রতি তাদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠান এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ
বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

বে অব বেঙ্গল ম্যারাথনে সাফল্য পেলেন বান্দরবানের হিল রানার্সের দৌড়বিদরা

মো. আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কক্সবাজার ম্যারাথনে’ অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বান্দরবান হিল রানার্স কমিউনিটির দৌড়বিদেরা। প্রতিযোগিতার ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে সা অং প্রু মারমা (ক্যক্য) ১ম রানার আপ এবং ডা. শান্তানু দাশ ২য় স্থান অর্জন করেছেন।

 

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কক্সবাজার ম্যারাথনে অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বান্দরবান হিন রানার্স কমিটি প্রতিনিধিরা।

 

প্রতিযোগিতার ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে

 

১ম রানা আপ এবং ডা. ২য় স্থান অর্জন করেন।

 

আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টায় কক্সবাজারের ইনানী সৈকত থেকে ম্যারাথন শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় আড়াই হাজার দৌড়বিদ এতে অংশ নেন।

 

বান্দরবান থেকে হিল রানার্স কমিউনিটির প্রায় ৫-৬ জন দৌড়বিদ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

 

এর মধ্যে ১০ কিলোমিটার ভেটেরান ক্যাটাগরিতে সা অং প্রু মারমা (ক্যক্য) ও ডা. শান্তানু দাশ যথাক্রমে প্রথম রানার আপ ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। রুপন চৌধুরী, সুজন দাশসহ বান্দরবানের আরও কয়েকজন দৌড়বিদ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফলভাবে দৌড় শেষ করেন।

 

এর আগে গত ২১ আগস্ট ২০২৬ চট্টগ্রামের নোমান কলেজ রোডে অনুষ্ঠিত ‘চট্টমেট্রো হাফ ম্যারাথনে’ও সাফল্য পান বান্দরবান হিল রানার্সের দৌড়বিদ মো. ইকবাল হোসেন অনিক।

 

তিনি ৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে চার শতাধিক প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

 

হিল রানার্সের প্রতিনিধিরা বলেন, পাহাড়ি এলাকার তরুণদের মধ্যে দৌড় ও শরীরচর্চার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে তারা নিয়মিত জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

 

ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ম্যারাথনে অংশ নিয়ে বান্দরবানের জন্য আরও ভালো ফলাফল অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার গৌরবের ৫০ বছর পূর্তি ১৯৭৬–২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

আজ: ২৬ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি, সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম মনজুরুল হক, দৈনিক সচিত্র মৈত্রীর সম্পাদক ও বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি, বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবুল কালাম,‌ বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ বদরুল হক।

 

এ সময় বক্তারা বলেন, বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা বিগত অর্ধশতাব্দী ধরে এই অঞ্চলে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং নৈতিকতা সম্পন্ন প্রজন্ম গঠনে সরকার সম্পন্ন প্রজন্ম গঠনে সরকার মাদ্রাসাশিক্ষার উন্নয়নে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।

 

এ সময় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও নাতে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে মূল পর্ব শুরু হয়। অর্ধশতাব্দীর পথচলায় মাদ্রাসার শিক্ষা বিস্তারে অবদান ও বর্তমান অর্জন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। মাদ্রাসার পুরোনো বন্ধুদের দীর্ঘদিন পর কাছে পেয়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং মাদ্রাসার হাজারো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পুরো প্রাঙ্গণটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।