খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পৌরসভার বনরুপা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিক নগর এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটো চার্জিংয়ের অভিযোগে একটি গ্যারেজে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়েছে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগ। অভিযানের সময় অবৈধভাবে চার্জরত অবস্থায় থাকা ৪টি অটোরিকশা এবং চার্জিংয়ে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

 

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত প্রায় ১২টার দিকে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

বিদ্যুৎ বিভাগের সূত্র জানায়, সিদ্দিক নগর এলাকার শাহ আলম নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটো চার্জিংয়ের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্যারেজে চার্জরত অবস্থায় ৪টি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।অভিযান চলাকালে শাহ আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কক্সবাজারে অবস্থান করছেন বলে জানান। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, তাদের নিজস্ব সূত্রে জানা গেছে তিনি এলাকাতেই আশপাশে অবস্থান করছিলেন।

 

অভিযান শেষে নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেন বলেন, “অবৈধভাবে অটো চার্জ দেওয়ার কারণে বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এতে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। যারা এ ধরনের অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ চুরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ চুরি রোধে বান্দরবান জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ছাড় দেওয়া হবে না।

 

এদিকে, মধ্যরাতের এ অভিযানে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে অটো চার্জ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এবার বিদ্যুৎ বিভাগের সরাসরি অভিযানে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর হত্যা: ৪ বছরের ভাতিজিকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর হত্যা: ৪ বছরের ভাতিজিকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর হত্যা: ৪ বছরের ভাতিজিকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালকে চার বছরের এক শিশুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ফুফুর বিরুদ্ধে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুয়ালক এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত শিশুটির নাম তাইফা সুলতানা (৪)। সে সুয়ালক এলাকার বাসিন্দা টিপু খানের কন্যা। অভিযুক্ত ফুফুর নাম নারগিছ সুলতানা কচি (৫২)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল থেকেই শিশু তাইফাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে বান্দরবান সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

বিকেলে বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার সময় শিশুটির ফুফু নারগিছ সুলতানা কচির ঘরের ভেতর তাইফার নিথর দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তথ্য ও প্রতিবেশীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত নারী কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং তিনি শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং অভিযুক্ত নারগিছ সুলতানা কচির ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, আটককৃত নারী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া ও পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ম্যারাথন আয়োজন নিয়ে চনুমং মারমার সঙ্গে হিল রানার্স কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
ম্যারাথন আয়োজন নিয়ে চনুমং মারমার সঙ্গে হিল রানার্স কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

ম্যারাথন আয়োজন নিয়ে চনুমং মারমার সঙ্গে হিল রানার্স কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

বান্দরবান প্রতিনিধি;

বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মারমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বান্দরবান হিল রানার্স কমিউনিটির একটি প্রতিনিধি দল।

 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টায় ৩০ মিনিটে বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য চনুমং মারমা নিজ কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তাকে বান্দরবান হিল রার্নার পক্ষ থেকে জার্সি ও অভিনন্দন জানানো হয়।

 

সাক্ষাৎকালে বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং মাদক থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রমের আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান হিল রানা কমিটি প্রতিনিধি সা অং প্রু মারমা(ক্যক্য) ডা.শান্তানু দাশ, মো.আরিফ হিল রানার কমিটি সদস্য জসিং থোয়াইসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

 

এ সময় জেলা ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মারমা বলেন, বান্দরবানের যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন।

 

তিনি আগামী দিনগুলোতে বান্দরবানে ম্যারাথনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের আয়োজনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

 

হিল রানার্স কমিউনিটির প্রতিনিধিরা বান্দরবানে নিয়মিত ম্যারাথন ও দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও খেলাধুলায় উৎসাহিত করার বিষয়ে তাদের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

 

সাক্ষাৎকালে বান্দরবান হিল রানার্স কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেলেন অংচিংনু মারমা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ
মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেলেন অংচিংনু মারমা

মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেলেন অংচিংনু মারমা

মো. আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

পার্বত্য চট্রগ্রাম মারমা জনগোষ্ঠীর পরিচিত মুখ, লেখক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সংগঠক অংচিংনু মারমাকে আন্তর্জাতিক সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য কাব্য পরিষদের পক্ষ থেকে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

 

অংচিংনু মারমা বিশ্ব গণমানুষের সেবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

 

দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো, সহায়তা করা এবং মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করে আসছেন তিনি।

 

তার এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে বলে আয়োজকেরা জানান।

 

মানবিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে অংচিংনু মারমা বলেন, মানুষের পাশে দাড়ানোর মধ্যেই মানবতার সবচেয়ে বড় পরিচয়। সমাজের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চান তিনি।

 

আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য কাব্য পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে আন্তর্জাতিক সম্মাননা স্মারক-২০২৬ তুলে দেওয়া হয়।