খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সুফল চাকমার বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে আসা তিন্দুর বিদ্যালয়টি পেল সরকারি স্বীকৃতি; প্রধান শিক্ষক পেলেন বিশেষ সম্মাননা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
সুফল চাকমার বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে আসা তিন্দুর বিদ্যালয়টি পেল সরকারি স্বীকৃতি; প্রধান শিক্ষক পেলেন বিশেষ সম্মাননা

সুফল চাকমার বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে আসা তিন্দুর বিদ্যালয়টি পেল সরকারি স্বীকৃতি; প্রধান শিক্ষক পেলেন বিশেষ সম্মাননা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

দুর্গম পাহাড়ে একটি বিদ্যালয় সচল রাখতে ছুটির দিনেও নৌকার হাল ধরেছিলেন প্রধান শিক্ষক। ইঞ্জিনচালিত বোট চালিয়ে পর্যটক ও যাত্রী পরিবহন করে উপার্জন করা অর্থ দিয়ে সহকর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের চেষ্টা করতেন তিনি। সেই সংগ্রামের গল্প উঠে আসে সংবাদমাধ্যমে। এরপর বদলে যেতে থাকে পুরো চিত্র।

 

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন এখন জাতীয়ভাবে সম্মানিত এক শিক্ষক। বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ১০২ জন গুণী শিক্ষকের সঙ্গে তাঁকেও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের সাতজন শিক্ষকের তালিকায়ও স্থান পেয়েছেন তিনি।

 

বামং খিয়াং মিংলেনের এই স্বীকৃতির গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংবাদিকতার একটি মানবিক অধ্যায়।

 

চলতি বছরের ১৩ মে দুর্গম তিন্দু এলাকার বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা এবং প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেনের অসাধারণ সংগ্রামের কথা তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও ঢাকা মেইল-এর বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সুফল চাকমা।

 

প্রতিবেদনে উঠে আসে, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিশ্চিত করতে ছুটির দিনেও বোট চালিয়ে আয় করতেন প্রধান শিক্ষক। নিজের উপার্জনের অর্থ থেকে সহকর্মীদের বেতন দেওয়ার চেষ্টা করতেন তিনি। দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে রাখতে একজন শিক্ষকের এমন আত্মত্যাগের গল্প নজর কাড়ে দেশজুড়ে।

 

পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে বামং খিয়াং মিংলেনকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে আলোচনায় আসে এবং ২৮ জুন মহান জাতীয় সংসদেও আলোচিত হয়।

 

এরপর আসে বড় পরিবর্তন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ধারাবাহিক প্রক্রিয়া শেষে ১৩ জুলাই ২০২৬ বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

 

এরপর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আসে আরও বড় সুখবর। জাতীয়ভাবে সম্মানিত ১০২ জন গুণী শিক্ষকের তালিকায় জায়গা করে নেন সেই বামং খিয়াং মিংলেন—যিনি একসময় বিদ্যালয় সচল রাখতে নিজেই নৌকার হাল ধরেছিলেন।

 

এই পুরো ঘটনায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাংবাদিক সুফল চাকমা।

 

তিনি বলেন, দুর্গম তিন্দুর সেই শিক্ষক আজ জাতীয়ভাবে সম্মানিত—সাংবাদিক হিসেবে এটাই আমার এবং সকল সাংবাদিকের লেখনির সার্থকতা।

 

সুফল চাকমা বলেন, একজন সাংবাদিক যখন দুর্গম এলাকার মানুষের কথা, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ নানা সংকটের কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরেন, তখন সেই লেখা শুধু একটি সংবাদ হয়ে থাকে না; কখনো কখনো তা মানুষের অধিকার ও সম্ভাবনার কথাও রাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরে।

 

তাঁর ভাষায়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার একটি বিদ্যালয়ের সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা, নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং শেষ পর্যন্ত সেই সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারা—একজন সাংবাদিকের জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!

 

বামং খিয়াং মিংলেনের জাতীয় সম্মাননায় আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করে সাংবাদিক সুফল চাকমা বলেন, সংগ্রামী এই শিক্ষকের স্বীকৃতি তাঁর নিজের জন্যও এক আনন্দের মুহূর্ত।

 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুর্গম পাহাড়ের শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে রাখতে বামং খিয়াং মিংলেনের এই নিরলস প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে আরও অনেক শিক্ষক ও মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।

 

তিন্দুর সেই দুর্গম বিদ্যালয়, এক শিক্ষকের আত্মত্যাগ আর একজন সাংবাদিকের কলম সব মিলিয়ে এটি যেন প্রমাণ করে, একটি সংবাদ কখনো কখনো শুধু খবর থাকে না; একটি পরিবর্তনের সূচনাও করতে পারে।

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

উৎসবমুখর পরিবেশে, সাংবাদিকদের সরব উপস্থিতি ও আনন্দঘন আবহে সম্পন্ন হয়েছে বান্দরবান প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন (২০২৬-২০২৮)। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিনভর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বিরাজ করছিল এক জমকালো ও উৎসবের আমেজ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রেসক্লাবের সাংবাদিক সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য তাঁদের যোগ্য নেতৃত্ব ও পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করেন।

ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে গঠিত নতুন নির্বাহী কমিটির বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফলাফলে— সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাছিরুল আলম। সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন এন এ জাকির। যুগ্ম সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছেন রিজভী রাহাত। কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ইসহাক। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল ২৮ই অক্টোবর (বুধবার)।

নির্বাচন শেষে বিজয়ী প্রার্থীরা প্রেসক্লাবের সব সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, বান্দরবানের বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

উৎসবমুখর এ নির্বাচনে সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন ও প্রশংসার জোয়ারে ভেসেছেন সদ্য নির্বাচিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

 

উল্লেখ্য: বান্দরবান প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬-২৮ এর ৫টি পদের জন্য প্রার্থী হিসেবে ১৫জন প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। যথাক্রমে: সভাপতি পদ (৩ জন): নাছিরুল আলম, ফরিদুল আলম সুমন এবং অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি। সহ-সভাপতি পদ (৪ জন): মোঃ মোজাম্মেল হক, মিনারুল হক, মোঃ হোসাইন সম্রাট এবং এম এ হাকিম চৌধুরী। সাধারণ সম্পাদক পদ (২ জন): টিংশৈপ্রু মংটিং মার্মা এবং এন এ জাকির। যুগ্ম সম্পাদক পদ (৪ জন): মোঃ নুরুল কবির, মংখিং মার্মা, রিজভী রাহাত এবং মোহাম্মদ আলী। কোষাধ্যক্ষ পদ (২ জন): কৌশিক দাশ গুপ্ত এবং মোঃ ইসহাক।