খুঁজুন
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

কবিরহাটে আসক ফাউন্ডেশনের পরিচিতি সভা ও সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
কবিরহাটে আসক ফাউন্ডেশনের পরিচিতি সভা ও সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা অনুষ্ঠিত

কবিরহাটে আসক ফাউন্ডেশনের পরিচিতি সভা ও সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম:

 

মানবাধিকার সুরক্ষা, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও সচেতনতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আসক ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী জেলা কমিটির পরিচিতি সভা ও সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় আয়োজিত এ সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক পরিচিতি, সাংগঠনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি, মানবাধিকার বিষয়ক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আসক ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগের সম্মানিত সহ-সভাপতি মো. আরিফ।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সভাপতি মো. কাসেম জিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফুল করিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাফরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

 

সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব শুধু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একার নয়; সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। অন্যায়, অবিচার, নির্যাতন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি অসহায় মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 

বক্তারা আরও বলেন, সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি যত শক্তিশালী হবে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যক্রম তত বেশি কার্যকর ও বিস্তৃত হবে। এজন্য নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, বিশ্বাস, সহযোগিতা ও সমন্বয় বজায় রেখে মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

সভায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি নোয়াখালী জেলা কমিটি ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

আলোচনা শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মহান লক্ষ্যকে সামনে রেখে নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের অঙ্গীকার করেন। তারা বলেন, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, নির্যাতিতের কণ্ঠস্বর হওয়া এবং ন্যায়বিচারের পক্ষে কাজ করাই হবে সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

 

সভাপতির নির্দেশক্রমে সভার নির্ধারিত কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সভা শেষে সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।

 

নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক ঐক্য, ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে আসক ফাউন্ডেশনের মানবাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম নোয়াখালীসহ চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় আরও বিস্তৃত হবে এবং অসহায় মানুষের অধিকার রক্ষায় সংগঠনটি আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাইফুদদীন (৩০) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

নিহত সাইফুদদীন সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মলেয়াবাদ এলাকার ফজল করিম সওদাগরের ছেলে এবং কালিয়াইশ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমদ কবিরের ভাতিজা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির সাথে সাইফুদদীনের দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববিরোধ চলে আসছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর কালিয়াইশ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কাঠগড় এলাকার শফি ড্রাইভারের ছেলে ও ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির নেতৃত্বে সাইফুদদীনের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলায় আব্দুল জব্বার মানিক, হাসান, কায়েফ ও আসিফসহ ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত অংশ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় সাইফুদদীন গুরুতর জখম হন।

 

এদিকে হামলা ও আহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে একটি আর্থিক দফারফার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠলেও নিহতের স্বজনরা তা অস্বীকার করেছেন। নিহতের আত্মীয় মিজান জানান, ঘটনার পর আহত সাইফুদদীন বাড়ি ফিরে এসেছিলেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়। আপোষ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেন।

 

নিহতের বড় ভাই জসিম বলেন, “আমার ভাই মারধরের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মারা গেছে। আমি এখন মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত ও টেনশনে আছি, এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।”

 

ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

সাতকানিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার সুধীজনদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহেসান মৌলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোঁওচিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলম, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও অভিভাবক প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাদাত। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকবৃন্দ।

 

সভায় বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। নবগঠিত এডহক কমিটি বিদ্যালয়ের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় উন্মুক্ত আলোচনায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরে এডহক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইলের সখিপুর ফাঁসিতে ঝুলে শাহনাজ (২৮) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

 

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুৃমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

 

গৃহবধূ শাহনাজ উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বানিয়ারসিট পূর্বপাড়া নুরজামাল এর স্ত্রী । নুরজামাল ওই গ্রামের মৃত সায়েম উদ্দিন এর ছেলে।

 

শাহনাজ উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন শাহনাজের স্বামীর পরিবার সখিপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানা যায়।

 

আরো জানা যায়, স্ত্রী শাহানাজের আকস্মিক এরকম মৃত্যুর পর স্বামী নুরজামালের আচরণে-অনুভূতিতে বিশেষ কোনো অনুশোচনার চিহ্ন পাওয়া যায় নাই। ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করার পর লাশটি পুলিশ আসার পূর্বেই স্বামীর পরিবারের সদস্যরা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে ছিল বলে জানা যায়।

 

এদিকে এ বিষয়ে মৃত শাহনাজের বাবা আব্দুল আজিজ  জানান, গত প্রায় ১২ বছর পূর্বে  নূরজামালের সাথে আমার মেয়ের বিবাহ হয়। মাঝে মধ্যেই তাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতো বলে আমার মেয়ে জানাত। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে সে সব বিষয় নিয়ে অনেক সালিশি বৈঠক হয়।

 

তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল। ছোটখাটো অনেক ঘটনাই ঘটছে, কিন্তু আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানাইতো না। আমার মেয়ে সারাদিন কাজ করতো , স্বামীর গরু ও মুরগির খামার আমার মেয়েই সামলাতো। কাজ করতে করতে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলো। আমার মেয়ে সংসারী ছিল। তার দুটি শিশু বাচ্চা রেখে সে কখনো আত্মহত্যা করতে পারে না।

 

শাহনাজের বাবা আরো বলেন, সাংসারিক বিষয়ের ভালো-মন্দ কোন বিষয়েই মেয়ের জামাই কোনো সংবাদ আমাদের জানাতোনা। এমনকি মেয়েকে আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগও করতে দিত না।

 

মেয়ের জামাই ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়ে সুস্থ -সবল শাহনাজের মাথায় সমস্যা এমন মিথ্যা অপবাদও দিচ্ছে। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

 

নিহত শাহনাজের স্বামী নুর জামাল ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে বলেন, শাহনাজের মাথায় সমস্যা ছিল। গত বৃহস্পতিবার শাহানাজ ঘরের ভেতর দড়ি দিয়ে ঝুলে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

এ বিষয়ে সখিপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,  থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।