খুঁজুন
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩০ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানে জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০,০০০ পিস ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন জব্দ; ০১ জন গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০,০০০ পিস ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন জব্দ; ০১ জন গ্রেফতার

বান্দরবানে জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০,০০০ পিস ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন জব্দ; ০১ জন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

০৪ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকাল ০৯:২১ ঘটিকায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার-এর নির্দেশক্রমে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল আজম-এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে বান্দরবান সদর থানাধীন বান্দরবান পৌরসভার ০৯নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর সাকিনস্থ তাজিংডং হোটেলের সামনে পাকা রাস্তায় অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার কেরানীহাট থেকে বান্দরবানের দিকে আসা একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।

এ সময় গাড়ির চালকের আসনে থাকা মোঃ জাকির হোসেন (৩৩), পিতা—মোখলেচুর রহমান, মাতা—রফিয়া খাতুন, সাং—কাশেম মাস্টারের বাড়ি, রামপুর, থানা—বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা পরিলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে তার গাড়িতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট থাকার কথা স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামির দেখানো ও শনাক্ত মতে প্রাইভেটকারটি তল্লাশি করে গাড়ির পিছনের সিটের ভিতরে বিশেষ কৌশলে খাকি কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ১৫টি পোটলা উদ্ধার করা হয়। পোটলাগুলোর প্রতিটিতে ১০টি করে মোট ১৫০টি নীল রঙের বায়ুরোধক পলিজিপার প্যাকেট এবং প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে সর্বমোট ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) পিস (ভাঙ্গা সহ) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯০,০০,০০০/- (নব্বই লক্ষ) টাকা।

জব্দকৃত আলামত:-

১. ৩০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট

২. ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকার, রেজিঃ ঢাকা মেট্রো-গ-১৬-৮৪৩৯

৩. গ্রেফতারকৃত আসামির ব্যবহৃত ০১টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে কক্সবাজার জেলা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট হতে ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলার অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে আরও ০৩ জন অজ্ঞাতনামা সহযোগীর সঙ্গে প্রাইভেটকারযোগে ইয়াবা পরিবহন করছিল।

পরবর্তীতে চট্টগ্রামের কেরানীহাট এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা কৌশলে কেরানীহাট হয়ে বান্দরবানে প্রবেশ করে। বান্দরবান বাসস্টেশন এলাকায় ওই তিনজন অজ্ঞাতনামা সহযোগী গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায় বলে গ্রেফতারকৃত আসামি জানায়।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য, প্রাইভেটকার ও মোবাইল ফোন অদ্য ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ ১৪:৪০ ঘটিকায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। একই সঙ্গে পলাতক অজ্ঞাতনামা সহযোগী ও মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশ দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাইফুদদীন (৩০) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

নিহত সাইফুদদীন সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মলেয়াবাদ এলাকার ফজল করিম সওদাগরের ছেলে এবং কালিয়াইশ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমদ কবিরের ভাতিজা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির সাথে সাইফুদদীনের দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববিরোধ চলে আসছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর কালিয়াইশ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কাঠগড় এলাকার শফি ড্রাইভারের ছেলে ও ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির নেতৃত্বে সাইফুদদীনের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলায় আব্দুল জব্বার মানিক, হাসান, কায়েফ ও আসিফসহ ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত অংশ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় সাইফুদদীন গুরুতর জখম হন।

 

এদিকে হামলা ও আহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে একটি আর্থিক দফারফার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠলেও নিহতের স্বজনরা তা অস্বীকার করেছেন। নিহতের আত্মীয় মিজান জানান, ঘটনার পর আহত সাইফুদদীন বাড়ি ফিরে এসেছিলেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়। আপোষ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেন।

 

নিহতের বড় ভাই জসিম বলেন, “আমার ভাই মারধরের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মারা গেছে। আমি এখন মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত ও টেনশনে আছি, এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।”

 

ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

সাতকানিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার সুধীজনদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহেসান মৌলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোঁওচিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলম, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও অভিভাবক প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাদাত। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকবৃন্দ।

 

সভায় বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। নবগঠিত এডহক কমিটি বিদ্যালয়ের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় উন্মুক্ত আলোচনায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরে এডহক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইলের সখিপুর ফাঁসিতে ঝুলে শাহনাজ (২৮) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

 

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুৃমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

 

গৃহবধূ শাহনাজ উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বানিয়ারসিট পূর্বপাড়া নুরজামাল এর স্ত্রী । নুরজামাল ওই গ্রামের মৃত সায়েম উদ্দিন এর ছেলে।

 

শাহনাজ উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন শাহনাজের স্বামীর পরিবার সখিপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানা যায়।

 

আরো জানা যায়, স্ত্রী শাহানাজের আকস্মিক এরকম মৃত্যুর পর স্বামী নুরজামালের আচরণে-অনুভূতিতে বিশেষ কোনো অনুশোচনার চিহ্ন পাওয়া যায় নাই। ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করার পর লাশটি পুলিশ আসার পূর্বেই স্বামীর পরিবারের সদস্যরা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে ছিল বলে জানা যায়।

 

এদিকে এ বিষয়ে মৃত শাহনাজের বাবা আব্দুল আজিজ  জানান, গত প্রায় ১২ বছর পূর্বে  নূরজামালের সাথে আমার মেয়ের বিবাহ হয়। মাঝে মধ্যেই তাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতো বলে আমার মেয়ে জানাত। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে সে সব বিষয় নিয়ে অনেক সালিশি বৈঠক হয়।

 

তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল। ছোটখাটো অনেক ঘটনাই ঘটছে, কিন্তু আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানাইতো না। আমার মেয়ে সারাদিন কাজ করতো , স্বামীর গরু ও মুরগির খামার আমার মেয়েই সামলাতো। কাজ করতে করতে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলো। আমার মেয়ে সংসারী ছিল। তার দুটি শিশু বাচ্চা রেখে সে কখনো আত্মহত্যা করতে পারে না।

 

শাহনাজের বাবা আরো বলেন, সাংসারিক বিষয়ের ভালো-মন্দ কোন বিষয়েই মেয়ের জামাই কোনো সংবাদ আমাদের জানাতোনা। এমনকি মেয়েকে আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগও করতে দিত না।

 

মেয়ের জামাই ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়ে সুস্থ -সবল শাহনাজের মাথায় সমস্যা এমন মিথ্যা অপবাদও দিচ্ছে। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

 

নিহত শাহনাজের স্বামী নুর জামাল ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে বলেন, শাহনাজের মাথায় সমস্যা ছিল। গত বৃহস্পতিবার শাহানাজ ঘরের ভেতর দড়ি দিয়ে ঝুলে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

এ বিষয়ে সখিপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,  থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।