খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সদর উপজেলা মৎস্য কার্ডধারী মৎস্যজীবি ১৫ জনের মাঝে ছাগল বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
সদর উপজেলা মৎস্য কার্ডধারী মৎস্যজীবি ১৫ জনের মাঝে ছাগল বিতরণ।

সদর উপজেলা মৎস্য কার্ডধারী মৎস্যজীবি ১৫ জনের মাঝে ছাগল বিতরণ।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলার সদর উপজেলার ১৫ জন মৎস্য কার্ডধারী নিবন্ধিত মৎস্যজীবিদের মাঝে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে দ্বিতীয় ধাপে চারটি করে পার্যায়ক্রমে মোট ৬০টি সুস্থ সবল ছাগল বিতরণ করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠান টি সিনিয়ির উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, সদর, বান্দরবান এর উদ্যোগে প্রকল্পের আওতায় নিবন্ধিত জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ছাগলসমূহ বিতরণ করা হয়। ছাগল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফা সুলতানা হীরামনি, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুয়েল মজুমদার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: রাশেদ নিজাম এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা। বিতরণকালে উপস্থিত সকলে জেলেদের ছাগল পালনের মাধ্যমে নিজেদের আর্থিক স্বচ্ছলতা সৃষ্টির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তরকে নিয়মিত সুফলভোগীদের মাঝে জন সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

রুহিয়ায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সাদ্দাম হোসেন ৩০ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে নিহতের চাচা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে নিহতের স্বামীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানার ৩ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজাগাঁও (যুগিপুকুর) এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে উক্ত গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) এর সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামের মোঃ সাদেকুল ইসলামের মেয়ে আরিফা খাতুন (২১) এর সহিত পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য আরিফার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন সাদ্দাম। বাবা-মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য সাদ্দাম ও তার পরিবারের লোকজন আরিফাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আরিফা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে আপস-মিমাংসা করে আরিফাকে আবারও স্বামীর সংসারে পাঠানো হয়। তবে সংসার পুনরায় শুরু হলেও সাদ্দাম ও তার পরিবারের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা আবারও পূর্বের মতো ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আরিফার ওপর নির্যাতন চালাতে থাকেন। পরবর্তীতে গত ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফা খাতুন। সাদ্দামের পরিবার বিষয়টিকে নিছক ‘আত্মহত্যা’ দাবি করলেও নিহতের বাবার পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, এ বিষয়ে পেনাল কোডের ৩০৬ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে যার মামলা নম্বর: ১১, তারিখ: ২৯/০৭/২০২৬)। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত স্বামী মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

বন্যায় ভেঙে বিলীন গোয়াজার পাড়া টু ছৈয়দাবাদ মাদ্রাসা সড়ক: চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাস।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়াজার পাড়া থেকে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সাম্প্রতিক বন্যায় মারাত্মকভাবে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বেহাল দশায় থাকা এই সড়কটির একটি বড় অংশ পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে ভেঙে পাশের বিলের সাথে মিশে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সড়কটি দুই ভাগ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সব ধরনের যান চলাচল ও যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

 

জানা যায়, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াতের এটিই একমাত্র প্রধান সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে সড়কের মাঝখানে বড় অংশ ভেঙে বিলীন হয়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি বা অসাবধানতায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কায় রয়েছে এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না করায় এর আগে থেকেই বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল এবং ইট উঠে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এর ওপর সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত হয়ে সড়কের একাংশ সম্পূর্ণ ধসে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিচ্ছিন্ন করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

হাম উপসর্গে ভর্তি রোগীদের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরী, নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে ভর্তি রোগীদের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরী, নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ।

হাম উপসর্গে ভর্তি রোগীদের পাশে এমপি সাচিং প্রু জেরী, নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

হামের উপসর্গ নিয়ে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে গিয়ে তিনি রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় রোগীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। পরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের হাতে নগদ অর্থ, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবার তুলে দেন।

সহায়তা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, নাছির চৌধুরী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনরা এ মানবিক উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জানান, দুর্যোগ ও সংকটময় সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার অংশ হিসেবেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।